ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

খেলতে খেলতেই পরপারে বিদায় নিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (৫ জুলাই) শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যু ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশে দাবার উন্নয়নে তার অবদান এদেশের ক্রীড়াঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শুক্রবার ( ৫ জুলাই) জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ডের খেলা চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান মুখোমুখি হয়েছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের। ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে প্রায় তিন ঘণ্টা খেলেছিলেন জিয়াউর। বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

খেলতে খেলতেই পরপারে বিদায় নিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান।

প্রতিপক্ষসহ আরও অনেকেই এগিয়ে এসে তাকে তুলে ধরেন। শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দ্রুতই। দাবা ফেডারেশন থেকে ৯ মিনিটের মধ্যে তাকে হাসপাতালে পৌঁছালেও আর ফেরানো যায়নি। জিয়াউর রহমানের বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর।

১৯৭৪ সালে জন্ম নেয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে আন্তর্জাতিক আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং তার (২৫৭০)। ২০০৫ সালে অর্জন করেছিলেন এ রেটিং। মৃত্যুর আগে তার রেটিং ছিল ২৪৭০।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।
বাংলাদেশের বিখ্যাত দাবাড়ু গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের আকস্মিক মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

শোকবার্তায় মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, বিখ্যাত দাবাড়ু গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান দেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দাবাড়ু ছিলেন। দেশের দাবার উন্নয়ন তথা গোটা ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর অনবদ্য অবদানের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যু দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করা জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

আপডেট সময় : ০৯:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

 

খেলতে খেলতেই পরপারে বিদায় নিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (৫ জুলাই) শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের মৃত্যু ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশে দাবার উন্নয়নে তার অবদান এদেশের ক্রীড়াঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শুক্রবার ( ৫ জুলাই) জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ডের খেলা চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান মুখোমুখি হয়েছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের। ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে প্রায় তিন ঘণ্টা খেলেছিলেন জিয়াউর। বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

খেলতে খেলতেই পরপারে বিদায় নিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান।

প্রতিপক্ষসহ আরও অনেকেই এগিয়ে এসে তাকে তুলে ধরেন। শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দ্রুতই। দাবা ফেডারেশন থেকে ৯ মিনিটের মধ্যে তাকে হাসপাতালে পৌঁছালেও আর ফেরানো যায়নি। জিয়াউর রহমানের বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর।

১৯৭৪ সালে জন্ম নেয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে আন্তর্জাতিক আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং তার (২৫৭০)। ২০০৫ সালে অর্জন করেছিলেন এ রেটিং। মৃত্যুর আগে তার রেটিং ছিল ২৪৭০।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।
বাংলাদেশের বিখ্যাত দাবাড়ু গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের আকস্মিক মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

শোকবার্তায় মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, বিখ্যাত দাবাড়ু গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান দেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দাবাড়ু ছিলেন। দেশের দাবার উন্নয়ন তথা গোটা ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর অনবদ্য অবদানের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যু দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করা জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার।