ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

কয়লাসংকট পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩ ৪২৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কয়লাসংকটে ১৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদন বন্ধের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, ডলার সংকটে কয়লার বিল বাবদ গত ৯ মাসে কেন্দ্রটির বকেয়া জমেছে প্রায় ২৯৮ মিলিয়ন ডলার তথা ৩২০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে মজুদ কয়লা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন চলবে। যদি এর মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানি করতে না পারে, তাহলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই বন্ধ হয়ে যাবে। দেশের বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হলে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, বকেয়া পরিশোধ না করায় চীনের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কয়লা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি)।

বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ এম খোরশেদুল আলম রবিবার রাতে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বকেয়া জমার কারণে দুই-তিন দিন আগে চীনের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আমাদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বকেয়া বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত তারা আর কয়লা সরবরাহ করবে না।

বিষয়টি জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। বর্তমানে যে কয়লা মজুদ রয়েছে তা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন কেন্দ্রটি চালু রাখা যাবে। এর মধ্যে যদি বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানি করা না যায়, তাহলে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে।

খোরশেদুল আলম বলেন, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের জন্য দৈনিক ১১ হাজার থেকে ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন। কয়লা আমদানি করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। তবে মন্ত্রণালয় বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানির জন্য চেষ্টা করছে।

পায়রার বিদ্যুৎ বরিশাল ছাড়াও ঢাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। বিসিপিসিএল সূত্রের খবর, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাকিতে কয়লা কিনে এবং ছয় মাস পর দাম পরিশোধ করতে হয়। পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সমান মালিকানা রয়েছে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি ও চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির। কেন্দ্রটিতে যে কয়লার প্রয়োজন হয় তার জোগান দেয় সিএমসি। সিএমসির কাছে বাকিতে কয়লা কেনে পায়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কয়লাসংকট পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

কয়লাসংকটে ১৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদন বন্ধের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, ডলার সংকটে কয়লার বিল বাবদ গত ৯ মাসে কেন্দ্রটির বকেয়া জমেছে প্রায় ২৯৮ মিলিয়ন ডলার তথা ৩২০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে মজুদ কয়লা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন চলবে। যদি এর মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানি করতে না পারে, তাহলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই বন্ধ হয়ে যাবে। দেশের বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হলে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, বকেয়া পরিশোধ না করায় চীনের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কয়লা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি)।

বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ এম খোরশেদুল আলম রবিবার রাতে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বকেয়া জমার কারণে দুই-তিন দিন আগে চীনের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আমাদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বকেয়া বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত তারা আর কয়লা সরবরাহ করবে না।

বিষয়টি জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। বর্তমানে যে কয়লা মজুদ রয়েছে তা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন কেন্দ্রটি চালু রাখা যাবে। এর মধ্যে যদি বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানি করা না যায়, তাহলে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে।

খোরশেদুল আলম বলেন, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের জন্য দৈনিক ১১ হাজার থেকে ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন। কয়লা আমদানি করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। তবে মন্ত্রণালয় বকেয়া পরিশোধ করে কয়লা আমদানির জন্য চেষ্টা করছে।

পায়রার বিদ্যুৎ বরিশাল ছাড়াও ঢাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। বিসিপিসিএল সূত্রের খবর, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাকিতে কয়লা কিনে এবং ছয় মাস পর দাম পরিশোধ করতে হয়। পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সমান মালিকানা রয়েছে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি ও চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির। কেন্দ্রটিতে যে কয়লার প্রয়োজন হয় তার জোগান দেয় সিএমসি। সিএমসির কাছে বাকিতে কয়লা কেনে পায়রা।