ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর বনানীতে তার কবর জিয়ারত করেছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। শনিবার বিকেলে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ছবি সংযুক্ত করে তথ্য জানানো হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট।

কোকো খেলাধুলা সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বর্তমান বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকার সেনানিবাসে অবস্থিত বাসা থেকে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন আরাফাত রহমান কোকো। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি।

চিকিৎসা শেষে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই পরিবারসহ বসবাস করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান জাহিয়া রহমানকে রেখে যান।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন দলীয় নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর বনানীতে তার কবর জিয়ারত করেছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। শনিবার বিকেলে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ছবি সংযুক্ত করে তথ্য জানানো হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট।

কোকো খেলাধুলা সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বর্তমান বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকার সেনানিবাসে অবস্থিত বাসা থেকে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন আরাফাত রহমান কোকো। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি।

চিকিৎসা শেষে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই পরিবারসহ বসবাস করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান জাহিয়া রহমানকে রেখে যান।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন দলীয় নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।