ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি রক্ষায় পুননির্মাণে  ভরতের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি মেরামতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস ভারতের, বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং সাহিত্যের জাদুঘর এবং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে এর মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের বিকল্পগুলি পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয় হবে। ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক

বাংলাদেশের ময়মনসিংহ নগরীর হরিকিশোর রায় সড়কে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষদের পারিবারিক ‘দুই শতাধিক বছরের পুরনো’ একতলা বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে জেলার শিশু একাডেমি। বাড়ি ভাঙার খবর সামনে আসার পর ঐতিহ্যবাহী এ বাড়ি সংস্কার ও পুনর্নিমাণে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ভারত।

কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ খ্যাতনামা সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর বাড়িটি ভাঙার খবরে ভারত সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক সম্পত্তি মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা আশ্বাস দিয়েছে ভারত।

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত
কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত

১৯৮৯ সাল থেকে শিশু একাডেমি ভবনটি ব্যবহার শুরু করে। পরিত্যক্ত ও জীর্ণ ভবনটি একাডেমি কর্তৃপক্ষ ২০০৭ সালের পর আর ব্যবহার করেনি। সেই থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাড়িটির সামনে একটি ছোট মাঠও রয়েছে।

হরিকিশোর রায় ছিলেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মসূয়ার জমিদার। তিনি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায় ও সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষ। তিনি থাকতেন ময়মনসিংহে।

ময়মনসিংহে ঐতিহাসিক বাড়িটি ভাঙ্গার খবরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের ময়মনসিংহে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাহিত্যিক সত্যজিৎ রায়ের তাঁর দাদা এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর পৈতৃক সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন সম্পত্তিটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং সাহিত্যের জাদুঘর এবং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে এর মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের বিকল্পগুলি পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয় হবে। ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত
কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষদের এ বাড়ি ধ্বংসের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন সম্পত্তিটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

ভবনটির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভবনটি বাংলার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এমন প্রেক্ষাপটে এটি ভাঙার কাজ পুনর্বিবেচনা করা উচিত। ভবনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংস্কার ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে একে ‘সাহিত্য জাদুঘরে’ রূপান্তর করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে, যা ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ সংস্কৃতির প্রতীক হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি রক্ষায় পুননির্মাণে  ভরতের আশ্বাস

আপডেট সময় : ০১:৩২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি মেরামতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস ভারতের, বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং সাহিত্যের জাদুঘর এবং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে এর মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের বিকল্পগুলি পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয় হবে। ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক

বাংলাদেশের ময়মনসিংহ নগরীর হরিকিশোর রায় সড়কে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষদের পারিবারিক ‘দুই শতাধিক বছরের পুরনো’ একতলা বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে জেলার শিশু একাডেমি। বাড়ি ভাঙার খবর সামনে আসার পর ঐতিহ্যবাহী এ বাড়ি সংস্কার ও পুনর্নিমাণে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ভারত।

কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ খ্যাতনামা সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর বাড়িটি ভাঙার খবরে ভারত সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক সম্পত্তি মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা আশ্বাস দিয়েছে ভারত।

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত
কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত

১৯৮৯ সাল থেকে শিশু একাডেমি ভবনটি ব্যবহার শুরু করে। পরিত্যক্ত ও জীর্ণ ভবনটি একাডেমি কর্তৃপক্ষ ২০০৭ সালের পর আর ব্যবহার করেনি। সেই থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাড়িটির সামনে একটি ছোট মাঠও রয়েছে।

হরিকিশোর রায় ছিলেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মসূয়ার জমিদার। তিনি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায় ও সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষ। তিনি থাকতেন ময়মনসিংহে।

ময়মনসিংহে ঐতিহাসিক বাড়িটি ভাঙ্গার খবরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের ময়মনসিংহে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাহিত্যিক সত্যজিৎ রায়ের তাঁর দাদা এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর পৈতৃক সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন সম্পত্তিটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং সাহিত্যের জাদুঘর এবং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে এর মেরামত ও পুনর্র্নিমাণের বিকল্পগুলি পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয় হবে। ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।

কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত
কিংবদন্তির দু’শো বছরের বাড়িটি ধ্বংসের চেষ্টা, পুননির্মাণে  সহযোগিতা করবে  ভারত

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষদের এ বাড়ি ধ্বংসের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন সম্পত্তিটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

ভবনটির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভবনটি বাংলার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এমন প্রেক্ষাপটে এটি ভাঙার কাজ পুনর্বিবেচনা করা উচিত। ভবনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংস্কার ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে একে ‘সাহিত্য জাদুঘরে’ রূপান্তর করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে, যা ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ সংস্কৃতির প্রতীক হতে পারে।