ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

কামড় দেওয়া রাসেলস ভাইপার মেরে নিয়েই হাসপাতালে কৃষক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪ ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসাধীন মমিন শেখ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইদানিং রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এই সাপের কামড়ে। মারাও পড়েছে বেশ কিছু সাপ।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের পর থেকেই মূলত এই সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কারণ, ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে তোখাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে।

সুন্দরবনেও ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। ধারণ করা হচ্ছে, জলোচ্ছ্বাসে বনের সাপ স্রোতের সঙ্গে বেড়িয়ে এসেছে।

এদিকে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মার চরাঞ্চল চরজানাজাতে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কৃষক মমিন শেখ। এরপর কৃষক মমিন শেখ ও তার ছেলে রাসেলস ভাইপার সাপটিকে মেরে শিবচর হাসপাতালে নিয়ে আসে। মমিন শেখের চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চল চরজানাজাত ইউনিয়নে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আজিজ শেখের ছেলে মমিন শেখ বাড়ির চারদিকে জাল দিয়ে বেড়া দেন। গত রোববার সন্ধ্যায় তিনি বেড়া তল্লাশির সময় হাতে আঘাত অনুভব করেন।

এরপর তিনি সামনে একটি সাপ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাত বেঁধে রাখেন। তারপর ছেলেকে নিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। সাপটিকে নিয়ে তিনি শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল।

মমিন শেখ বলেন, চরে সাপের উপদ্রব এবার অনেক বেশি, তাই বাড়ির চারদিকে বেড়া দিচ্ছিলাম। এ সময় সাপে কাটে। পরে হাতে বাঁধ দিয়ে সাপটিকে মেরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। শরীরটা ব্যথা, মাথা ঘুরায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিন্স বলেন, মমিন শেখকে আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তবে রক্ত স্বাভাবিক থাকায় এখনও এন্টিভেনম দেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কামড় দেওয়া রাসেলস ভাইপার মেরে নিয়েই হাসপাতালে কৃষক

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

 

ইদানিং রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এই সাপের কামড়ে। মারাও পড়েছে বেশ কিছু সাপ।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের পর থেকেই মূলত এই সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কারণ, ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে তোখাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে।

সুন্দরবনেও ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। ধারণ করা হচ্ছে, জলোচ্ছ্বাসে বনের সাপ স্রোতের সঙ্গে বেড়িয়ে এসেছে।

এদিকে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মার চরাঞ্চল চরজানাজাতে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কৃষক মমিন শেখ। এরপর কৃষক মমিন শেখ ও তার ছেলে রাসেলস ভাইপার সাপটিকে মেরে শিবচর হাসপাতালে নিয়ে আসে। মমিন শেখের চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চল চরজানাজাত ইউনিয়নে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আজিজ শেখের ছেলে মমিন শেখ বাড়ির চারদিকে জাল দিয়ে বেড়া দেন। গত রোববার সন্ধ্যায় তিনি বেড়া তল্লাশির সময় হাতে আঘাত অনুভব করেন।

এরপর তিনি সামনে একটি সাপ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাত বেঁধে রাখেন। তারপর ছেলেকে নিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। সাপটিকে নিয়ে তিনি শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল।

মমিন শেখ বলেন, চরে সাপের উপদ্রব এবার অনেক বেশি, তাই বাড়ির চারদিকে বেড়া দিচ্ছিলাম। এ সময় সাপে কাটে। পরে হাতে বাঁধ দিয়ে সাপটিকে মেরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। শরীরটা ব্যথা, মাথা ঘুরায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিন্স বলেন, মমিন শেখকে আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তবে রক্ত স্বাভাবিক থাকায় এখনও এন্টিভেনম দেওয়া হয়নি।