ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

কলকাতায় বিজয় মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, মাংসের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

কলকাতায় বিজয় মিছিল ঘিরে উত্তেজনা,  মাংসের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের কলকাতা শহরের নিউমার্কেট এলাকায় বিজয় মিছিলকে ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মিছিল থেকে বুলডোজার দিয়ে একটি মাংসের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, যিনি তৃণমূল কংগ্রেস-এর রাজ্যসভার সদস্য। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, পুলিশের অনুমতি নিয়েই বিজয় মিছিলটি বের করা হয়েছিল এবং সেই মিছিল থেকেই বুলডোজার এনে নিউমার্কেটের একটি মাংসের দোকান ভেঙে ফেলা হয়। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো হস্তক্ষেপ করেনি।

ডেরেক তাঁর পোস্টে লিখেছেন, মধ্য কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে পুলিশের অনুমতি নিয়ে বুলডোজার এনে মাংসের দোকান ভাঙা হয়েছে। এটি বিজয় উদযাপনের অংশ হিসেবে করা হয়েছে। সিএপিএফ সদস্যরা কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। সারা বিশ্ব এই ছবি দেখুক।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ প্রশাসন। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজয় মিছিলের অনুমতি দেওয়া হলেও সেখানে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্ক চলছিল। তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছিল, ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় এলে বাঙালির মাছ-মাংস খাওয়ার স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে। যদিও বিজেপি এসব অভিযোগ নাকচ করে পাল্টা প্রচার চালায়।

এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, কোনো বিজেপি কর্মী যদি সহিংসতায় জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নিতে।

ভোট-পরবর্তী সহিংসতার প্রেক্ষাপটে হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর ও নিউটাউনের মতো বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে একই সঙ্গে কিছু এলাকায় বিজয়ী প্রার্থীদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানাতেও দেখা গেছে।

সব মিলিয়ে, এই ঘটনা রাজ্যের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :