ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

গেরুয়া ঝড়ে ভেঙে পড়ল তৃণমূলের দুর্গ, শক্ত অবস্থানে বিজেপি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহিত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে এক নাটকীয় পালাবদলের ইঙ্গিত মিলেছে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে। দীর্ঘদিনের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস–এর শক্ত ঘাঁটিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্ন এখন কার্যত রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের আধিপত্য এবার বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গ, যা এতদিন দলটির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল, সেখানেই এবার বিজেপির শক্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানী কলকাতা এবং আশপাশের প্রেসিডেন্সি অঞ্চলে একাধিক আসনে বিজেপির অগ্রগতি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি কেড়েছে।

কলকাতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের চাপে পড়তে হয়েছে। মানিকতলা, জোড়াসাঁকো ও শ্যামপুকুরের মতো এলাকায় কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে। জনমনে অসন্তোষ, ভোটের মেরুকরণ এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা, এই সব মিলিয়ে তৃণমূলের অবস্থান দুর্বল হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উত্তরবঙ্গেও বিজেপি শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের স্থানীয় ইস্যু, বিশেষ করে গোর্খা প্রশ্ন এবং চা শ্রমিকদের সমস্যা, ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। একইসঙ্গে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার অঞ্চলেও বিজেপির সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে।

জঙ্গলমহল অঞ্চলেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূলের তুলনায় বিজেপির অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। স্থানীয় ইস্যু, উন্নয়ন প্রত্যাশা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এই পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, এই নির্বাচনের ফলাফল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র আধিপত্যের জায়গায় এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। সামনে কীভাবে সরকার গঠিত হবে এবং এই পরিবর্তন কতটা স্থায়ী হবে, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :