ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

আর কতবার পেছানো হবে সাগর রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন?

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৭ বছরে পা রাখলো সার-রুনি হত্যার। দিন গণনায় ১৭ বছর কি খুব কম সময়? যে কোন সচেতন নাগরিকের তরফে স্পষ্ট উত্তর আসবে ‘না’।

সহজভাবে বলতে গেলে সাগর-রুনি দম্পত্তি জোড়া খুনের পর ইন্দিরা রোডের বাসা পরিদর্শন করে তৎকালীন স্বরাষ্টমন্ত্র এডভোকেট সাহারা খাতুন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, খুনিরা চিহ্নিত, ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই তাদের আটক করা হবে।

একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থতার দায় নিয়ে চলে গেলেন। তার ঘোষণার বাস্তবায়ন তিনি বেচে থাকলে রক্ষা করতে পারেননি।

সতীর্থদের খুনের পর সাংবাদিক সংগঠনগুলো বিচারের দাবিতে মাঠে নামে। কিন্তু সাংবাদিকদের দাবির প্রতি কোন সম্মান দেখানো হয়নি। তদন্ত নিয়ে একের পর এক সংস্থা পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার কোন আগ্রগতি তিমিরেই রয়েছে।

সেই সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১৫ এপ্রিল ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১৬ বার পেছানো হলো।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। ঘটনার সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন। এদিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করতে পারায় আদালত নতুন এদিন ধার্য করেন।

মামলার আসামিদেও মধ্যে রয়েছে, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির ২ নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছে। বাকিরা কারাগারে আটক।

সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা আর রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের আলম।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আর কতবার পেছানো হবে সাগর রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন?

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

১৭ বছরে পা রাখলো সার-রুনি হত্যার। দিন গণনায় ১৭ বছর কি খুব কম সময়? যে কোন সচেতন নাগরিকের তরফে স্পষ্ট উত্তর আসবে ‘না’।

সহজভাবে বলতে গেলে সাগর-রুনি দম্পত্তি জোড়া খুনের পর ইন্দিরা রোডের বাসা পরিদর্শন করে তৎকালীন স্বরাষ্টমন্ত্র এডভোকেট সাহারা খাতুন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, খুনিরা চিহ্নিত, ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই তাদের আটক করা হবে।

একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থতার দায় নিয়ে চলে গেলেন। তার ঘোষণার বাস্তবায়ন তিনি বেচে থাকলে রক্ষা করতে পারেননি।

সতীর্থদের খুনের পর সাংবাদিক সংগঠনগুলো বিচারের দাবিতে মাঠে নামে। কিন্তু সাংবাদিকদের দাবির প্রতি কোন সম্মান দেখানো হয়নি। তদন্ত নিয়ে একের পর এক সংস্থা পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার কোন আগ্রগতি তিমিরেই রয়েছে।

সেই সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১৫ এপ্রিল ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১৬ বার পেছানো হলো।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। ঘটনার সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন। এদিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করতে পারায় আদালত নতুন এদিন ধার্য করেন।

মামলার আসামিদেও মধ্যে রয়েছে, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির ২ নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছে। বাকিরা কারাগারে আটক।

সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা আর রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের আলম।