ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

আজিজুলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান পুলিশ কর্মকর্তারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

আজিজুল হক ও হারুন অর রশিদ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি  সানজিদা আফরিনও এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তার স্বামী আজিজুল।

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের এডিসি হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটিও। পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অথচ বারডেমে হারুন অর রশিদের ওপর ‘হামলাকারী’ রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মারধরের ঘটনায় পুলিশ বিব্রত। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক থানায় নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুতও করা হতে পারে।

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত।

ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিনও চ্যানেল আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি চিকিৎসা নিতে গত শনিবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তাঁর স্বামী আজিজুল।

বুধবার পর্যন্ত এ বিষয়ে আজিজুল হক কোনো বক্তব্য দেননি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) আবদুস সবুর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গণমাধ্যমে খবর দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তবে আজিজুল হকের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি (ডিএমপির পক্ষ থেকে) করা হয়েছে। তারা যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

থানায় মারধরের ঘটনায় পুলিশের গঠন করা তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল বুধবার। তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে না পারায় প্রতিবেদন জমা দিতে আরও পাঁচ দিনের সময় বাড়িয়েছে ডিএমপি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজিজুলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান পুলিশ কর্মকর্তারা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি  সানজিদা আফরিনও এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তার স্বামী আজিজুল।

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের এডিসি হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটিও। পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অথচ বারডেমে হারুন অর রশিদের ওপর ‘হামলাকারী’ রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মারধরের ঘটনায় পুলিশ বিব্রত। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক থানায় নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুতও করা হতে পারে।

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত।

ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিনও চ্যানেল আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি চিকিৎসা নিতে গত শনিবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তাঁর স্বামী আজিজুল।

বুধবার পর্যন্ত এ বিষয়ে আজিজুল হক কোনো বক্তব্য দেননি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) আবদুস সবুর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গণমাধ্যমে খবর দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তবে আজিজুল হকের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি (ডিএমপির পক্ষ থেকে) করা হয়েছে। তারা যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

থানায় মারধরের ঘটনায় পুলিশের গঠন করা তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল বুধবার। তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে না পারায় প্রতিবেদন জমা দিতে আরও পাঁচ দিনের সময় বাড়িয়েছে ডিএমপি।