ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাজেকে অবরোধ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা  রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার পূজা নিয়ে আ. লীগ ও গুপ্তদের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি: রিজভী মোংলায় নৌঘাটিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাত বছরে সড়কে ঝরেছে ৭,৯৬৩ শিশুর প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে দেবী সিঁদুরখেলা, উলুধ্বনি আর বিদায়ের সুরে শেষ দুর্গোৎসব সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ চাকরি হারিয়ে তিন বিঘায় পেয়ারা চাষ, সাদ্দামের এখন ১২০ বিঘার ফলবাগান মায়ের কোলে ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনো রাজিয়ার স্বপ্ন এবার স্বাবলম্বী হওয়া ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ড : ৫ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে  কার্ডের  আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বক্তব্য দেন। ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি কৃষি খাত, যা দেশের জিডিপিতে প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ অবদান রাখে এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে কৃষকদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম-এ আয়োজিত কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, “কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে।” সরকারের লক্ষ্য কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে এই কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং কৃষকদের জীবনের সঙ্গেও এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই এই দিনটিকে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে (প্রি-পাইলট প্রকল্প) ২২ হাজার কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি দেশের সব কৃষকের মধ্যে বিতরণ করা হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য অন্তত ১০টি সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যা তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কৃষি অবকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফসল সংরক্ষণের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং নদী পুনঃখননের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুহুল কবির রিজভী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং জিয়াকুন শী। এছাড়া কৃষক প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন এবং পরে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর মাজার জিয়ারত করার কথা রয়েছে।

সব মিলিয়ে, কৃষক কার্ড কর্মসূচি দেশের কৃষি খাতে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :