ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

৫০ বছরেও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১ ৩৬১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীন ৫০ বছরেও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। তবুও মন্ত্রকের গেজেটে নাম আসেনি ১৯৭১ সম্মুখ সাড়ির সাহসী যোদ্ধা জাকির হোসেনের। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন

সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে। জীবনের শেষ সময়ে এসে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে তালিকায় নিজের নাম দেখতে চান দেশ মাতৃকার টানে ঝাঁপিয়ে পড়া এই মুক্তিযোদ্ধা।

জানা গিয়েছে জাকির হোসেনের জন্ম ১৯৫১ সালে বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের গেরামর্দন গ্রামে। তার পিতার নাম আজাহার আকন। ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন

তার বয়স ২০ বছর। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে শত্রুমুক্ত করতে অন্যদের সঙ্গে তিনিও ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তকিপুর ক্যাম্প থেকে ২০ দিনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ

শেষে ফিরে ৯ নং সেক্টরে পটুয়াখালী সাব ডিভিশনে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন।তার সহযোদ্ধা ছিলেন মো. ফারুক আলম (লাল মুক্তিবার্তা নং- ০৬০৬০৩০১০২), মো. মোশারেফ

হোসেন (লাল মুক্তিবার্তা নং-০৬০৬০৩০১৪৬), মো. শাহজাহান (লাল মুক্তিবার্তা নং- ০৬০৬০৩০১৪৮)। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার

পরেও অজানা কারণে সুফল পাননি তিনি। ইতোমধ্যে শারীরিক নানা জটিলতায় শরীরে বাসা বেঁধেছে অসুখ। স্ট্রোক করে  হারিয়ে ফেলেছেন কথা বলার শক্তিও। জীবন সায়াহ্নে এসে এখনও

তিনি কেবলমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান। তার সন্তান লিপি আক্তার বলেন, বাবা ভারতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও স্বাধীনতা  সংগ্রামে সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। দীর্ঘদিন তার কাগজপত্র নিয়ে

বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও কোন কাজ হয়নি। সরকার মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জন্য অনেক সহযোগিতা করছে। আমাদের  দাবী বাবার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়টি যেন দিতে পারি এই আমাদের

চাওয়া। গেজেটে যেন তার নামটি প্রকাশ করা হয়। বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন জানান, এ ব্যাপারে আমার কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তথ্য পেলে তা যাচাই বাছাই করবো। এবং সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ আকর্ষণ করার প্রক্রিয়া চালাবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫০ বছরেও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

স্বাধীন ৫০ বছরেও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। তবুও মন্ত্রকের গেজেটে নাম আসেনি ১৯৭১ সম্মুখ সাড়ির সাহসী যোদ্ধা জাকির হোসেনের। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন

সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে। জীবনের শেষ সময়ে এসে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে তালিকায় নিজের নাম দেখতে চান দেশ মাতৃকার টানে ঝাঁপিয়ে পড়া এই মুক্তিযোদ্ধা।

জানা গিয়েছে জাকির হোসেনের জন্ম ১৯৫১ সালে বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের গেরামর্দন গ্রামে। তার পিতার নাম আজাহার আকন। ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন

তার বয়স ২০ বছর। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে শত্রুমুক্ত করতে অন্যদের সঙ্গে তিনিও ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তকিপুর ক্যাম্প থেকে ২০ দিনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ

শেষে ফিরে ৯ নং সেক্টরে পটুয়াখালী সাব ডিভিশনে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন।তার সহযোদ্ধা ছিলেন মো. ফারুক আলম (লাল মুক্তিবার্তা নং- ০৬০৬০৩০১০২), মো. মোশারেফ

হোসেন (লাল মুক্তিবার্তা নং-০৬০৬০৩০১৪৬), মো. শাহজাহান (লাল মুক্তিবার্তা নং- ০৬০৬০৩০১৪৮)। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার

পরেও অজানা কারণে সুফল পাননি তিনি। ইতোমধ্যে শারীরিক নানা জটিলতায় শরীরে বাসা বেঁধেছে অসুখ। স্ট্রোক করে  হারিয়ে ফেলেছেন কথা বলার শক্তিও। জীবন সায়াহ্নে এসে এখনও

তিনি কেবলমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান। তার সন্তান লিপি আক্তার বলেন, বাবা ভারতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও স্বাধীনতা  সংগ্রামে সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। দীর্ঘদিন তার কাগজপত্র নিয়ে

বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও কোন কাজ হয়নি। সরকার মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জন্য অনেক সহযোগিতা করছে। আমাদের  দাবী বাবার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়টি যেন দিতে পারি এই আমাদের

চাওয়া। গেজেটে যেন তার নামটি প্রকাশ করা হয়। বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন জানান, এ ব্যাপারে আমার কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তথ্য পেলে তা যাচাই বাছাই করবো। এবং সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ আকর্ষণ করার প্রক্রিয়া চালাবো।