ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

২৭ ডিম ব্যবসায়ীকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিমের অস্বাভাবিক বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার ঢাকার কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ডিমের আড়তে অভিযান পরিচালনা চলানো হয়।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায় ব্যবসায়ীরা রশিদ ছাড়া ডিম কেনাবেচা করছেন। রশিদ ছাড়া ডিম বিক্রির কারণ হচ্ছে, ইচ্ছে মাফিক ডিম বিক্রি করা। এসব অভিযোগে কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীর ডিমের আড়তের ২৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি সাইফুর রহমান।

এএসপি সাইফুর রহমান বলেন, এদিন ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাব-১০ এর কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীর ডিমের আড়তে এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

ছবি সংগ্রহ

বেশ কিছুদিন ধরে এসব অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে অধিক মূল্যে ডিম বিক্রি করে আসছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, কাপ্তান বাজার ডিমের অন্যতম একটি আড়ত। এখান থেকে ডিমের সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এজেন্সি থেকে কাপ্তান বাজারে ডিম আসে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখান থেকে ডিম কিনে বিক্রি করেন। ক্রেতা এবং বিক্রেতার পাকা রশিদ থাকতে হবে।

সেখানে কত টাকা দরে ডিম কিনে এনেছে এবং কত টাকা দরে বিক্রি করছে তা পাকা রশিদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখানে কোথায় কোনো পাকা রশিদ আমরা পায়নি।

দেশবাসীকে সচেতনতা এবং যারা অন্যায়ভাবে ব্যবসা করছে তাদের জরিমানার আওতায় আনা হবে। দুই লাখ, এক লাখ, ৫০ হাজার, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যারা ডিম কিনে আনবে এবং বিক্রি করবে তাদের উভয়েও পাকা রশিদ থাকতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২৭ ডিম ব্যবসায়ীকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিমের অস্বাভাবিক বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার ঢাকার কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ডিমের আড়তে অভিযান পরিচালনা চলানো হয়।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায় ব্যবসায়ীরা রশিদ ছাড়া ডিম কেনাবেচা করছেন। রশিদ ছাড়া ডিম বিক্রির কারণ হচ্ছে, ইচ্ছে মাফিক ডিম বিক্রি করা। এসব অভিযোগে কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীর ডিমের আড়তের ২৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি সাইফুর রহমান।

এএসপি সাইফুর রহমান বলেন, এদিন ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাব-১০ এর কাপ্তান বাজার, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীর ডিমের আড়তে এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

ছবি সংগ্রহ

বেশ কিছুদিন ধরে এসব অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে অধিক মূল্যে ডিম বিক্রি করে আসছিল।

এ বিষয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, কাপ্তান বাজার ডিমের অন্যতম একটি আড়ত। এখান থেকে ডিমের সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এজেন্সি থেকে কাপ্তান বাজারে ডিম আসে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখান থেকে ডিম কিনে বিক্রি করেন। ক্রেতা এবং বিক্রেতার পাকা রশিদ থাকতে হবে।

সেখানে কত টাকা দরে ডিম কিনে এনেছে এবং কত টাকা দরে বিক্রি করছে তা পাকা রশিদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখানে কোথায় কোনো পাকা রশিদ আমরা পায়নি।

দেশবাসীকে সচেতনতা এবং যারা অন্যায়ভাবে ব্যবসা করছে তাদের জরিমানার আওতায় আনা হবে। দুই লাখ, এক লাখ, ৫০ হাজার, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যারা ডিম কিনে আনবে এবং বিক্রি করবে তাদের উভয়েও পাকা রশিদ থাকতে হবে।