ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

১৩০ কেজি ওজনের দানব আকৃতির মাছ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩ ৮২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে বড়শিতে তোলা হল ১৩০ কেজি ওজনের দানব আকৃতির মাছ। নাম তার শাপলা পাতা মাছ। মাছটি বিক্রি হয় ৭০ হাজার টাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় এলাকার উৎসুক জনতা।

জেলে আব্দুল আমিন জানালেন, কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে এক মৎস্যজীবীর বড়শিতে ধরা পড়ে ১৩০ কেজি ওজনের এই শাপলা পাতা মাছটি। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিম পাড়া সমুদ্র সৈকত থেকে মাছটি ক্রয় করেন নুর মোহাম্মদ নামে এক মাছ ব্যবসায়ী।

আমিন তার অন্য কয়েকজন সহযোগী নিয়ে বুধবার রাতে সাগরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারে যান। ভোর রাতে এক পর্যায়ে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ল। ধীরে ধীরে বড়শি ওপরে আনার পর ভেসে উঠল বিশাল আকারের একটি শাপলা পাতা মাছ। জেলে পরবর্তীতে মাছটি টেকনাফ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের কাছে ৭০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ২০১২ আইন অনুসারে শাপলা পাতা মাছ ধরা ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি হচ্ছে স্ট্রিংরে প্রজাতির মাছ। বৈজ্ঞানিক নাম হিমানটুরা ইমব্রিকাটা।

এ প্রজাতির মাছ অগভীর সমুদ্রের বেশি পাওয়া যায়। সমুদ্রের অগভীর স্থানে তলদেশ ঘেঁষে বিচরণ করে শাপলা পাতা মাছ। জেলেদেকে বিভিন্ন সভা সেমিনারে এই সব শাপলা পাতা মাছ না ধরার জন্য উৎসাহিত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৩০ কেজি ওজনের দানব আকৃতির মাছ!

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে বড়শিতে তোলা হল ১৩০ কেজি ওজনের দানব আকৃতির মাছ। নাম তার শাপলা পাতা মাছ। মাছটি বিক্রি হয় ৭০ হাজার টাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় এলাকার উৎসুক জনতা।

জেলে আব্দুল আমিন জানালেন, কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে এক মৎস্যজীবীর বড়শিতে ধরা পড়ে ১৩০ কেজি ওজনের এই শাপলা পাতা মাছটি। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিম পাড়া সমুদ্র সৈকত থেকে মাছটি ক্রয় করেন নুর মোহাম্মদ নামে এক মাছ ব্যবসায়ী।

আমিন তার অন্য কয়েকজন সহযোগী নিয়ে বুধবার রাতে সাগরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারে যান। ভোর রাতে এক পর্যায়ে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ল। ধীরে ধীরে বড়শি ওপরে আনার পর ভেসে উঠল বিশাল আকারের একটি শাপলা পাতা মাছ। জেলে পরবর্তীতে মাছটি টেকনাফ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের কাছে ৭০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ২০১২ আইন অনুসারে শাপলা পাতা মাছ ধরা ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি হচ্ছে স্ট্রিংরে প্রজাতির মাছ। বৈজ্ঞানিক নাম হিমানটুরা ইমব্রিকাটা।

এ প্রজাতির মাছ অগভীর সমুদ্রের বেশি পাওয়া যায়। সমুদ্রের অগভীর স্থানে তলদেশ ঘেঁষে বিচরণ করে শাপলা পাতা মাছ। জেলেদেকে বিভিন্ন সভা সেমিনারে এই সব শাপলা পাতা মাছ না ধরার জন্য উৎসাহিত করা হয়।