ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্থল মঙ্গল গ্রহে থাকবেন কেলি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩ ৯২ বার পড়া হয়েছে

কেলি হাসটন ছবি : সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গল গ্রহের আদালতে নির্মিত স্থল আবাসে থাকবেন এক নারী জীববিজ্ঞানি। যেখানে রয়েছে ছোট্ট একটি খামার। মঙ্গল গ্রহের মতো পরিবেশ।

এক দিন, দুই দিন নয়, বছরজুড়ে মঙ্গল গ্রহে থাকবেন তিনি। তার বয়স ৫২ বছর। নাম কেলি হাসটন। কানাডীয় নাগরিক। স্থায়ী বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। পেশায় একজন জীববিজ্ঞানী। এ বয়সে এসেও দারুণ এক অভিজ্ঞতার অর্জনের পথে পা বাড়িয়েছেন কেলি।

আবাসটি এটা ‘মার্স ডুনে আলফা’ নামে পরিচিত। এর আয়তন ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট। রয়েছে শয়নকক্ষ, ব্যায়ামাগার। খাবার উৎপাদনের জন্য ছোট একটি খামার।

আগামী জুনে এই আবাসে প্রবেশ করবেন চারজন স্বেচ্ছাসেবী। তাদেরই একজন কেলি হাসটন। পরবর্তী এক বছর তারা সেখানে বসবাস করবেন।

কেলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলে বসবাস করা তার শৈশবের স্বপ্ন ছিল না। এরপরও আমি মঙ্গলের আদলে নির্মিত একটি জায়গায় বসবাস করতে যাচ্ছি। এক বছর সেখানে কাটাব।

মূলত মঙ্গল গ্রহে মানুষের আবাস গড়ার অভিজ্ঞতা কেমন হবে, তার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এটা করা হচ্ছে। কেলি বলেন, এটা আমার কাছে এখনো অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে।

কেলিসহ এই চারজনকে সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। ভবিষ্যতে মঙ্গলে অভিযানের সময় বিচ্ছিন্ন ও সীমাবদ্ধ পরিবেশে একজন ক্রুর আচরণ মূল্যায়নে এই প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।

কেলি বলেন, এই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়ে আমি উচ্ছ্বসিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্থল মঙ্গল গ্রহে থাকবেন কেলি

আপডেট সময় : ০৯:২৬:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গল গ্রহের আদালতে নির্মিত স্থল আবাসে থাকবেন এক নারী জীববিজ্ঞানি। যেখানে রয়েছে ছোট্ট একটি খামার। মঙ্গল গ্রহের মতো পরিবেশ।

এক দিন, দুই দিন নয়, বছরজুড়ে মঙ্গল গ্রহে থাকবেন তিনি। তার বয়স ৫২ বছর। নাম কেলি হাসটন। কানাডীয় নাগরিক। স্থায়ী বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। পেশায় একজন জীববিজ্ঞানী। এ বয়সে এসেও দারুণ এক অভিজ্ঞতার অর্জনের পথে পা বাড়িয়েছেন কেলি।

আবাসটি এটা ‘মার্স ডুনে আলফা’ নামে পরিচিত। এর আয়তন ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট। রয়েছে শয়নকক্ষ, ব্যায়ামাগার। খাবার উৎপাদনের জন্য ছোট একটি খামার।

আগামী জুনে এই আবাসে প্রবেশ করবেন চারজন স্বেচ্ছাসেবী। তাদেরই একজন কেলি হাসটন। পরবর্তী এক বছর তারা সেখানে বসবাস করবেন।

কেলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলে বসবাস করা তার শৈশবের স্বপ্ন ছিল না। এরপরও আমি মঙ্গলের আদলে নির্মিত একটি জায়গায় বসবাস করতে যাচ্ছি। এক বছর সেখানে কাটাব।

মূলত মঙ্গল গ্রহে মানুষের আবাস গড়ার অভিজ্ঞতা কেমন হবে, তার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এটা করা হচ্ছে। কেলি বলেন, এটা আমার কাছে এখনো অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে।

কেলিসহ এই চারজনকে সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। ভবিষ্যতে মঙ্গলে অভিযানের সময় বিচ্ছিন্ন ও সীমাবদ্ধ পরিবেশে একজন ক্রুর আচরণ মূল্যায়নে এই প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।

কেলি বলেন, এই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়ে আমি উচ্ছ্বসিত।