ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সরকার ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ জুন থেকে।

বৃহস্পতিবার  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।

সেশনজট নিরসন ও সময় সাশ্রয় বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা থাকলেও সেশনজটের কারণে তা ২০ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপটি (ব্যবধান) কমিয়ে আনতে চাই।

আমাদের টার্গেট হলো ডিসেম্বরকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করা, যাতে জানুয়ারি থেকে নতুন সেশন শুরু হতে পারে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল সেমিস্টার ধরার সুবিধার্থে এইচএসসি পরীক্ষা জুন-জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এছাড়া ফলাফল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের তাগিদ দেওয়া হবে।

কোচিং সেন্টার বন্ধের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে হবে। যখন আমরা পরীক্ষা ও ভর্তির মধ্যবর্তী গ্যাপ কমিয়ে আনব। পাশাপাশি ইন-হাউস টিচিং শক্তিশালী করব, তখন কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে।

তিনি আরো জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের রিডিং হ্যাবিট বা পড়ার অভ্যাস বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সরকার ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ জুন থেকে।

বৃহস্পতিবার  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।

সেশনজট নিরসন ও সময় সাশ্রয় বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা থাকলেও সেশনজটের কারণে তা ২০ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপটি (ব্যবধান) কমিয়ে আনতে চাই।

আমাদের টার্গেট হলো ডিসেম্বরকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করা, যাতে জানুয়ারি থেকে নতুন সেশন শুরু হতে পারে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল সেমিস্টার ধরার সুবিধার্থে এইচএসসি পরীক্ষা জুন-জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এছাড়া ফলাফল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের তাগিদ দেওয়া হবে।

কোচিং সেন্টার বন্ধের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে হবে। যখন আমরা পরীক্ষা ও ভর্তির মধ্যবর্তী গ্যাপ কমিয়ে আনব। পাশাপাশি ইন-হাউস টিচিং শক্তিশালী করব, তখন কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে।

তিনি আরো জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের রিডিং হ্যাবিট বা পড়ার অভ্যাস বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।