ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ তারিখ সকালে এমপিদের, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গোপন প্রেম, গোপন বিয়ে থেকে করুণ পরিণতি আলোঝলমলে জীবন আর করুণ সমাপ্তি নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা   সার্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর হামলায় নিহত অন্তত ৩২ যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তাঁর বান্ধবী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় এ নিয়মিত মামলা দায়ের করে। মামলার অপর দুই আসামি হলেন মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন ও মো. কামরুজ্জামান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে—আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গড়ে তোলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ আদায় করে আসছিল।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। এভাবে দীর্ঘ সময়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটন, অজ্ঞাত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিআইডি আরও জানায়, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িত যে কাউকেই আইনের আওতায় আনতে তাদের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

প্রায় ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তাঁর বান্ধবী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় এ নিয়মিত মামলা দায়ের করে। মামলার অপর দুই আসামি হলেন মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন ও মো. কামরুজ্জামান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে—আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গড়ে তোলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ আদায় করে আসছিল।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। এভাবে দীর্ঘ সময়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটন, অজ্ঞাত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিআইডি আরও জানায়, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িত যে কাউকেই আইনের আওতায় আনতে তাদের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।