ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শীতে উষ্ণ জলে স্নানের উপকারীতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

শীতে উষ্ণ জলে স্নান বাত অনেকটা কমে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়

আয়ুর্বেদ কী বলছে

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

শীতের শুরুতেই অনেকেই গরম জলে স্নান করেন। কেউবা সারা বছর ঠান্ডা জলে স্নান করে থাকেন। আদতে কোন জলে স্নান করা শরীরের জন্য ভালো?

ঠাণ্ডা হোক বা গরম, যে কোনও ঋতুতেই স্নান করা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। স্নানের সময় জলের সঠিক তাপমাত্রা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে।

ঠান্ডা জল

শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নানের বেশ কয়েকটি উপকারিতাগুলি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। যারা ঠান্ডা জলে স্নান করেন, তাদের শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বেশি থাকে। পাশাপাশি বিপাকীয় হারও বেশি থাকে।

ঠান্ডা জলে স্নান শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে শরীর আরও চাঙ্গা লাগে। পাশাপাশি এটি আপনার ত্বক এবং চুলকে শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

গরম জল

গরম জলে স্নানের পক্ষ নিয়ে অনেকে বলেন, এতে রাতের ঘুম ভাল হয়। এছাড়াও এটি স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। পেশি এবং হাড়ের সংযোগের ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে।

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়
শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ

সাম্প্রতিক আয়ুর্বেদ এক বিশেষজ্ঞ ঠান্ডা জলে স্নানের ব্যাপারে একমত হননি। চিকিৎসক রেখা রাধামনির মতে, ঠাণ্ডা জল বাত দশা বাড়াতে পারে। এই স্নানে ব্যথা ও যন্ত্রণাও বাড়তে পারে। ডাঃ রাধামনি আরও বলেন, ঠান্ডা জলে স্নান করলে তাপ সংরক্ষণের জন্য শরীরকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়।

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নানে সমস্যা

চিকিৎসক রাধামনির কথায়, শীতকালে এমনিতেই বাত দশা বেড়ে যায়। হাড়ের ব্যথা, গায়ে ব্যথা, পেশি শক্ত হওয়ার মতো সমস্যা এই সময় দেখা দেয়। ত্বকের শুষ্কতা, কম বিপাক, হজমের সমস্যা ও হরমোনের সমস্যাও শীতে বেড়ে যায়।

উষ্ণ জলে স্নান করলে বাত দশা অনেকটা কমে যায়! কিন্তু আপনি কেউ যদি ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে অভ্যস্ত হন, তবে তিনি চালিয়ে যেতে পারেন। কারণ দীর্ঘদিন অভ্যাস গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। ফলে শরীরে কোনও সমস্যা হয় না।

আয়ুর্বেদিক মতে কোনটি ঠিক

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞের কথায়, ঠান্ডা জলে স্নান কোনও আয়ুর্বেদিক অনুশীলন নয়। আমাদের শরীরের ভিতরটি উষ্ণ। হজম প্রক্রিয়া, রক্ত সঞ্চালন ও সমস্ত বিপাকীয় প্রক্রিয়ার জন্য শরীর উষ্ণতা চায়।

ঠান্ডা জলে স্নান করলে কেবল বাত দশা বেড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের শুষ্কতা এবং ঠান্ডা লাগার হারও বেড়ে যায়। তাই শরীরকে তাপ সংরক্ষণের জন্য বেশি পরিশ্রম করতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শীতে উষ্ণ জলে স্নানের উপকারীতা

আপডেট সময় : ১১:৪৯:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

 

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়

আয়ুর্বেদ কী বলছে

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

শীতের শুরুতেই অনেকেই গরম জলে স্নান করেন। কেউবা সারা বছর ঠান্ডা জলে স্নান করে থাকেন। আদতে কোন জলে স্নান করা শরীরের জন্য ভালো?

ঠাণ্ডা হোক বা গরম, যে কোনও ঋতুতেই স্নান করা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। স্নানের সময় জলের সঠিক তাপমাত্রা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে।

ঠান্ডা জল

শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নানের বেশ কয়েকটি উপকারিতাগুলি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। যারা ঠান্ডা জলে স্নান করেন, তাদের শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বেশি থাকে। পাশাপাশি বিপাকীয় হারও বেশি থাকে।

ঠান্ডা জলে স্নান শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে শরীর আরও চাঙ্গা লাগে। পাশাপাশি এটি আপনার ত্বক এবং চুলকে শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

গরম জল

গরম জলে স্নানের পক্ষ নিয়ে অনেকে বলেন, এতে রাতের ঘুম ভাল হয়। এছাড়াও এটি স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। পেশি এবং হাড়ের সংযোগের ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে।

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়
শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নান বাত দশা বেড়ে যায়

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ

সাম্প্রতিক আয়ুর্বেদ এক বিশেষজ্ঞ ঠান্ডা জলে স্নানের ব্যাপারে একমত হননি। চিকিৎসক রেখা রাধামনির মতে, ঠাণ্ডা জল বাত দশা বাড়াতে পারে। এই স্নানে ব্যথা ও যন্ত্রণাও বাড়তে পারে। ডাঃ রাধামনি আরও বলেন, ঠান্ডা জলে স্নান করলে তাপ সংরক্ষণের জন্য শরীরকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়।

শীতে ঠাণ্ডা জলে স্নানে সমস্যা

চিকিৎসক রাধামনির কথায়, শীতকালে এমনিতেই বাত দশা বেড়ে যায়। হাড়ের ব্যথা, গায়ে ব্যথা, পেশি শক্ত হওয়ার মতো সমস্যা এই সময় দেখা দেয়। ত্বকের শুষ্কতা, কম বিপাক, হজমের সমস্যা ও হরমোনের সমস্যাও শীতে বেড়ে যায়।

উষ্ণ জলে স্নান করলে বাত দশা অনেকটা কমে যায়! কিন্তু আপনি কেউ যদি ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে অভ্যস্ত হন, তবে তিনি চালিয়ে যেতে পারেন। কারণ দীর্ঘদিন অভ্যাস গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। ফলে শরীরে কোনও সমস্যা হয় না।

আয়ুর্বেদিক মতে কোনটি ঠিক

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞের কথায়, ঠান্ডা জলে স্নান কোনও আয়ুর্বেদিক অনুশীলন নয়। আমাদের শরীরের ভিতরটি উষ্ণ। হজম প্রক্রিয়া, রক্ত সঞ্চালন ও সমস্ত বিপাকীয় প্রক্রিয়ার জন্য শরীর উষ্ণতা চায়।

ঠান্ডা জলে স্নান করলে কেবল বাত দশা বেড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের শুষ্কতা এবং ঠান্ডা লাগার হারও বেড়ে যায়। তাই শরীরকে তাপ সংরক্ষণের জন্য বেশি পরিশ্রম করতে হয়।