ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাজেকে অবরোধ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা  রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার পূজা নিয়ে আ. লীগ ও গুপ্তদের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি: রিজভী মোংলায় নৌঘাটিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাত বছরে সড়কে ঝরেছে ৭,৯৬৩ শিশুর প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে দেবী সিঁদুরখেলা, উলুধ্বনি আর বিদায়ের সুরে শেষ দুর্গোৎসব সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ চাকরি হারিয়ে তিন বিঘায় পেয়ারা চাষ, সাদ্দামের এখন ১২০ বিঘার ফলবাগান মায়ের কোলে ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনো রাজিয়ার স্বপ্ন এবার স্বাবলম্বী হওয়া ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

রাখাইনে উত্তেজনা : বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক অবস্থায় : ড. হাছান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বকাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী।

শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।ড. হাছান মাহমুদ। এদিন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধি দল বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. হাছান। এসময় তিনি বলেন, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

গত কয়েক মাসের ধারাবাহিকতায় রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তীব্র লড়াই চলছে। শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত রাখাইনের বুচিডং ও ফুমালি এলাকায় লড়াইয়ে বেশ কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

রাখাইনের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মিয়ানমারের বিষয়ে তাদের (ব্রিটিশ পার্লামেন্টের চার সদস্যের প্রতিনিধিদল) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়াই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি, সেটি আজ হঠাৎ করে হয়নি।

বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা চলছে। আমাদের সীমান্তরক্ষীরা অনেক আগে থেকেই সেখানে সতর্ক রয়েছে। সেখানে কিছুদিন পরপরই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাখাইনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নেতিবাচক প্রভাব অবশ্যই আছে।

আমরা সব সময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা চেয়েছি। তারা আমাদের সঙ্গে আছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যদি মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়, তাহলে তারা তাদের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে।

মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা আবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, মানবতার কারণে রোহিঙ্গাদের তখন স্থান দিয়েছিলাম। যে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে এসেছে, তাদের কারণে আমাদের নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এটি নিয়ে আমরা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দলের সঙ্গে কথা বলেছি।

আমাদের এখানে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত সমস্যা তৈরি হয়েছে। শিবিরগুলো উগ্রবাদ এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিস্তারের উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো রোহিঙ্গা শিবির থেকে তাদের সদস্য নিয়োগের চেষ্টা করে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ জনবহুল, রোহিঙ্গাদের জন্য আমরা ভারাক্রান্ত। প্রতিবছর ৩৫ হাজার করে নতুন রোহিঙ্গা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। মিয়ানমারের পরিস্থিতি উত্তরণের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :