ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যে কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে, ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে ঢাকায় ৫ ডিগ্রি, টাঙ্গাইলে ৪ ডিগ্রির ও ফরিদপুরে ৩ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ঘর থেকে বাইরে তাকালে মনে হবে বৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশটা এমনই। সূর্যের দেখা নেই। চারিদিকে আবছা অন্ধকার, অথচ ঘড়ির কাঁটা পেরিয়েছে

সকাল ৮টা। অফিসে বেরুনোর তাড়া অনেকের। একটা অংশ আবছা অন্ধকার আর কনকনে শীতকে সঙ্গী করে জবুথবু অবস্থায় কাজের সন্ধ্যানে পা বাড়িয়েছে। এমনচিত্র দেশজুড়ে। কোথায়ও সূর্যের আবছা উপস্থিতি আবার অনেক জায়গায় দু’দিন যাবত সূর্যের দেখা মিলছে না।

শীতের দাপট এতোটাই বেশি, সন্ধ্যা নামলেই রাস্তাঘাটে যানবাহন কমে যাচ্ছে। চিরচেনা যানজটের নগরী ঢাকায় ভিন্ন চিত্র। এসবের কারণ শীত।

ঘণ কুশার কারণে দেশের ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে মধ্যরাত থেকে বেলা ন’টা দশটা পর্যন্ত। নৈশ্যকোচের দূরন্ত চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রোদ নেই, ঘন কুয়াশা, উত্তরের কনকনে বাতাস এসব কারণে শীতের তীব্র বেড়েছে। ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার

পার্থক্য কমেছে ৫ ডিগ্রি। টাঙ্গাইলে ৪ ডিগ্রির ও ফরিদপুরে ৩ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে।

সিলেটে ৪ ডিগ্রির নিচে, রাজশাহীতে ৮ ডিগ্রির নিচে, রংপুরে ৬ ডিগ্রির নিচে, ময়মনসিংহে ৪ ডিগ্রির নিচে, খুলনা ও বরিশালে ৮ ডিগ্রির নিচে এবং

চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে।

এসবই শীতের অনুভূতি বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন আবহাওয়া বিজ্ঞানিরা। উত্তরের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যে কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

 

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে, ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে ঢাকায় ৫ ডিগ্রি, টাঙ্গাইলে ৪ ডিগ্রির ও ফরিদপুরে ৩ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ঘর থেকে বাইরে তাকালে মনে হবে বৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশটা এমনই। সূর্যের দেখা নেই। চারিদিকে আবছা অন্ধকার, অথচ ঘড়ির কাঁটা পেরিয়েছে

সকাল ৮টা। অফিসে বেরুনোর তাড়া অনেকের। একটা অংশ আবছা অন্ধকার আর কনকনে শীতকে সঙ্গী করে জবুথবু অবস্থায় কাজের সন্ধ্যানে পা বাড়িয়েছে। এমনচিত্র দেশজুড়ে। কোথায়ও সূর্যের আবছা উপস্থিতি আবার অনেক জায়গায় দু’দিন যাবত সূর্যের দেখা মিলছে না।

শীতের দাপট এতোটাই বেশি, সন্ধ্যা নামলেই রাস্তাঘাটে যানবাহন কমে যাচ্ছে। চিরচেনা যানজটের নগরী ঢাকায় ভিন্ন চিত্র। এসবের কারণ শীত।

ঘণ কুশার কারণে দেশের ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে মধ্যরাত থেকে বেলা ন’টা দশটা পর্যন্ত। নৈশ্যকোচের দূরন্ত চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রোদ নেই, ঘন কুয়াশা, উত্তরের কনকনে বাতাস এসব কারণে শীতের তীব্র বেড়েছে। ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার

পার্থক্য কমেছে ৫ ডিগ্রি। টাঙ্গাইলে ৪ ডিগ্রির ও ফরিদপুরে ৩ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে।

সিলেটে ৪ ডিগ্রির নিচে, রাজশাহীতে ৮ ডিগ্রির নিচে, রংপুরে ৬ ডিগ্রির নিচে, ময়মনসিংহে ৪ ডিগ্রির নিচে, খুলনা ও বরিশালে ৮ ডিগ্রির নিচে এবং

চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে।

এসবই শীতের অনুভূতি বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন আবহাওয়া বিজ্ঞানিরা। উত্তরের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।