ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের হারে ইতিহাসের চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতে তরুণদের কর্মসংস্থান ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ নাম লিখানোর উদ্যোগ রমজানের আগে বাজারে মূল্যচাপ, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী  নির্বাচন বানচালে দেশজুড়ে গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে: মির্জা ফখরুল যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, তারপরও ভারতে ম্যাচ! আইসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফারুকীর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ

ভারতীয় হাইকমিশন উদ্যোগে ঢাকায় সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি ওয়েবসাইট চালু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৪১১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি ভারতীয় হাইকমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে যাত্রা করলো সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি ওয়েবসাইট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতে শিক্ষা ও পেশাদারিত্বের সুযোগ ভাগ করে নিতে যে ঐকান্তিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তারই প্রেতিক্ষতে ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এই মহত উদ্যোগ।

২০২১ সালের ২৬-২৭ মার্চ নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফর করেন। সে সময় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারীকদের জন্য এক হাজার সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তি (আইসিসিআর ৫০০ আসন, আইটিইসি ৫০০ আসন) ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃত্তির লক্ষ্য হচ্ছে, সেরা ও উজ্জ্বল প্রতিভাদের আকৃষ্ট করা এবং ভারতের নতুন শিক্ষানীতির অধীনে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ দেওয়া।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতের আইআইটি, এনআইটি, নালসার, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশল, বিজ্ঞান, কলা, আইন, সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি স্তরে ২৬৭টি আইসিসিআর বৃত্তি পেয়েছিলেন। মহামারির কারণে কোনো সরাসরি কোর্স অনুষ্ঠিত না হওয়াতে ২৮৫ জন বাংলাদেশি পেশাজীবী ২০২১-২২ অর্থবছরে ই-আইটিইসি কোর্সের জন্য নথিভুক্ত করেছে।

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার রাতে বিশিষ্ট আইসিসিআর স্কলার এবং আইটিইসির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা httpswww.sjsdhaka.gov.in  ওয়েবসাইট উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এক সংবাদ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এই ওয়েব পোর্টাল বৃত্তির জন্য আদর্শ স্থান। httpswww.sjsdhaka.gov.in  পোর্টালটি জনসাধারণের জন্য এদিন উন্মুক্ত করা হয়। এসজেএস ওয়েবসাইটটি আবেদনকারীদের আইসিসিআর ও আইটিইসি উভয় সাইটেই পথ নির্দেশনা দেবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ভারত ও অন্যান্য দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করার জন্য ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ (আইসিসিআর) বৃত্তি চালু করেছিলেন। আর ভারতীয় কারগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) কর্মসূচিটি ১৯৬৪ সালে চালু করা হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে পেশাদারদের জন্য জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান বৃদ্ধি করা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতীয় হাইকমিশন উদ্যোগে ঢাকায় সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি ওয়েবসাইট চালু

আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ছবি ভারতীয় হাইকমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে যাত্রা করলো সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি ওয়েবসাইট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতে শিক্ষা ও পেশাদারিত্বের সুযোগ ভাগ করে নিতে যে ঐকান্তিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তারই প্রেতিক্ষতে ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এই মহত উদ্যোগ।

২০২১ সালের ২৬-২৭ মার্চ নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফর করেন। সে সময় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারীকদের জন্য এক হাজার সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তি (আইসিসিআর ৫০০ আসন, আইটিইসি ৫০০ আসন) ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃত্তির লক্ষ্য হচ্ছে, সেরা ও উজ্জ্বল প্রতিভাদের আকৃষ্ট করা এবং ভারতের নতুন শিক্ষানীতির অধীনে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ দেওয়া।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতের আইআইটি, এনআইটি, নালসার, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশল, বিজ্ঞান, কলা, আইন, সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি স্তরে ২৬৭টি আইসিসিআর বৃত্তি পেয়েছিলেন। মহামারির কারণে কোনো সরাসরি কোর্স অনুষ্ঠিত না হওয়াতে ২৮৫ জন বাংলাদেশি পেশাজীবী ২০২১-২২ অর্থবছরে ই-আইটিইসি কোর্সের জন্য নথিভুক্ত করেছে।

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার রাতে বিশিষ্ট আইসিসিআর স্কলার এবং আইটিইসির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা httpswww.sjsdhaka.gov.in  ওয়েবসাইট উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে এক সংবাদ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এই ওয়েব পোর্টাল বৃত্তির জন্য আদর্শ স্থান। httpswww.sjsdhaka.gov.in  পোর্টালটি জনসাধারণের জন্য এদিন উন্মুক্ত করা হয়। এসজেএস ওয়েবসাইটটি আবেদনকারীদের আইসিসিআর ও আইটিইসি উভয় সাইটেই পথ নির্দেশনা দেবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ভারত ও অন্যান্য দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করার জন্য ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ (আইসিসিআর) বৃত্তি চালু করেছিলেন। আর ভারতীয় কারগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) কর্মসূচিটি ১৯৬৪ সালে চালু করা হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে পেশাদারদের জন্য জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান বৃদ্ধি করা।