ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

ভারতীয় পত্রিকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন মিথ্যা : প্রেস উইং ফ্যাক্টস

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আইএসআই ও বাংলাদেশি অপারেটিভরা আসাম সীমান্তের কাছে উলফা ক্যাম্প সক্রিয় করতে একত্রিত হচ্ছে, শিরোনামে ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ট্রিবিউন প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রতিবেদনটি মিথ্যা প্রচারণার অংশ বলেও জানায় প্রেস উইং।

নয়াদিল্লিভিত্তিক দ্য ট্রিবিউন প্রথম পৃষ্ঠায় প্রতিবেদন প্রকাশ করে দাবি করা হয়, আইএসআই ও বাংলাদেশি অপারেটিভরা উলফা ক্যাম্প পুনরায় সক্রিয় করতে একসঙ্গে কাজ করছে।

এ বিষয়ে শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস জানায়, বাংলাদেশের জনগণ যেদিন দুর্নীতিবাজ ও নিপীড়নকারী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, সেদিন থেকে এ ধরনের ভুয়া সংবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ধরনের প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং কোনো বিশ্বস্ত সূত্র এই কল্পকাহিনিকে সমর্থন করে না।

প্রকৃতপক্ষে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত একমাত্র সূত্র আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, যিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়া তার পূর্বের সামরিক কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করতে চান বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্দেহ করছে যে বড়ুয়া শিগগিরই মুক্তি পেতে পারেন বলে ট্রিবিউন দাবি করলেও, বাস্তবে তিনি আগেই মুক্ত এবং বর্তমানে চীনে বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

দ্য ট্রিবিউন তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, তারা বাংলাদেশে আরবি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় যোগাযোগের তথ্য আটকে দিয়েছে।

প্রেস উইংয়ের মতে এই প্রতিবেদনটি পুরোপুরি কল্পকাহিনি এবং শুধুমাত্র দ্য ট্রিবিউন-এর সাংবাদিকদের কল্পনাতে রয়েছে, যা অন্য কোথাও সত্য বলে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

প্রেস উইং জোর দিয়ে বলেছে যে, এই প্রতিবেদনটি মিথ্যা প্রচারণার অংশ এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করতে করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতীয় পত্রিকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন মিথ্যা : প্রেস উইং ফ্যাক্টস

আপডেট সময় : ০১:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

আইএসআই ও বাংলাদেশি অপারেটিভরা আসাম সীমান্তের কাছে উলফা ক্যাম্প সক্রিয় করতে একত্রিত হচ্ছে, শিরোনামে ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ট্রিবিউন প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রতিবেদনটি মিথ্যা প্রচারণার অংশ বলেও জানায় প্রেস উইং।

নয়াদিল্লিভিত্তিক দ্য ট্রিবিউন প্রথম পৃষ্ঠায় প্রতিবেদন প্রকাশ করে দাবি করা হয়, আইএসআই ও বাংলাদেশি অপারেটিভরা উলফা ক্যাম্প পুনরায় সক্রিয় করতে একসঙ্গে কাজ করছে।

এ বিষয়ে শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস জানায়, বাংলাদেশের জনগণ যেদিন দুর্নীতিবাজ ও নিপীড়নকারী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, সেদিন থেকে এ ধরনের ভুয়া সংবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ধরনের প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং কোনো বিশ্বস্ত সূত্র এই কল্পকাহিনিকে সমর্থন করে না।

প্রকৃতপক্ষে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত একমাত্র সূত্র আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, যিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়া তার পূর্বের সামরিক কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করতে চান বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্দেহ করছে যে বড়ুয়া শিগগিরই মুক্তি পেতে পারেন বলে ট্রিবিউন দাবি করলেও, বাস্তবে তিনি আগেই মুক্ত এবং বর্তমানে চীনে বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

দ্য ট্রিবিউন তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, তারা বাংলাদেশে আরবি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় যোগাযোগের তথ্য আটকে দিয়েছে।

প্রেস উইংয়ের মতে এই প্রতিবেদনটি পুরোপুরি কল্পকাহিনি এবং শুধুমাত্র দ্য ট্রিবিউন-এর সাংবাদিকদের কল্পনাতে রয়েছে, যা অন্য কোথাও সত্য বলে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

প্রেস উইং জোর দিয়ে বলেছে যে, এই প্রতিবেদনটি মিথ্যা প্রচারণার অংশ এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করতে করা হয়েছে।