ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

বাংলাদেশ-ভারতের ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০ ৬৩৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ বিরতির পর আবার বাংলাদেশ-ভারতের ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘এয়ার বাবল’ নামের বিশেষায়িত কর্মসূচির মাধ্যমে এ মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে ফ্লাইট। এ জন্য ভারতের সঙ্গে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তি কবে বাংলাদেশ। এর পরই চালু হবে আকাশপথে যোগাযোগ। বিশেষ পরিস্থিতিতে নিয়মিত ফ্লাইট বন্ধের সময় দুটি দেশ যখন বিশেষ ব্যবস্থায় নিজেদের মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপন করে, তাকে এয়ার বাবল বলে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানিয়েছে, ভারতের পক্ষ থেকে আগেই এই চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হলেও এ নিয়ে চিঠি চালাচালিতে সময় গড়ায়। চুক্তির মূল বিষয়গুলো সুরাহা হয়েছে। যেসব বিষয় নিষ্পত্তি হয়নি তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। এই সভায় ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে।

এয়ার বাবল’ চুক্তির অধীনে সপ্তাহে বাংলাদেশ ও ভারত ২৮টি করে ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এতে সপ্তাহে পাঁচ হাজার জনের মতো যাত্রী উভয় দেশে যাতায়াত করতে পারবেন।

বাংলাদেশের প্রস্তাবে উভয় দেশের যাত্রীদের জন্য ৭২ ঘণ্টার আগের করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। ভারতের স্পাইস জেট, ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, গোএয়ার, ভিস্তারা—এই ছয় এয়ারলাইনস দিল্লি-কলকাতা-চেন্নাই-মুম্বাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনার তালিকা দিয়েছে। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-দিল্লি, দিল্লি-ঢাকা, ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা-কলকাতা, কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-চেন্নাই, চেন্নাই-ঢাকা রুটে এবং নভো এয়ার ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে বিমান পরিচালনা করবে। উল্লেখ্য, ভারত এখন ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সঙ্গেও এয়ার বাবল’ পরিচালনা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশ-ভারতের ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:৪১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ বিরতির পর আবার বাংলাদেশ-ভারতের ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘এয়ার বাবল’ নামের বিশেষায়িত কর্মসূচির মাধ্যমে এ মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে ফ্লাইট। এ জন্য ভারতের সঙ্গে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তি কবে বাংলাদেশ। এর পরই চালু হবে আকাশপথে যোগাযোগ। বিশেষ পরিস্থিতিতে নিয়মিত ফ্লাইট বন্ধের সময় দুটি দেশ যখন বিশেষ ব্যবস্থায় নিজেদের মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপন করে, তাকে এয়ার বাবল বলে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানিয়েছে, ভারতের পক্ষ থেকে আগেই এই চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হলেও এ নিয়ে চিঠি চালাচালিতে সময় গড়ায়। চুক্তির মূল বিষয়গুলো সুরাহা হয়েছে। যেসব বিষয় নিষ্পত্তি হয়নি তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। এই সভায় ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে।

এয়ার বাবল’ চুক্তির অধীনে সপ্তাহে বাংলাদেশ ও ভারত ২৮টি করে ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এতে সপ্তাহে পাঁচ হাজার জনের মতো যাত্রী উভয় দেশে যাতায়াত করতে পারবেন।

বাংলাদেশের প্রস্তাবে উভয় দেশের যাত্রীদের জন্য ৭২ ঘণ্টার আগের করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। ভারতের স্পাইস জেট, ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, গোএয়ার, ভিস্তারা—এই ছয় এয়ারলাইনস দিল্লি-কলকাতা-চেন্নাই-মুম্বাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনার তালিকা দিয়েছে। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-দিল্লি, দিল্লি-ঢাকা, ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা-কলকাতা, কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-চেন্নাই, চেন্নাই-ঢাকা রুটে এবং নভো এয়ার ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে বিমান পরিচালনা করবে। উল্লেখ্য, ভারত এখন ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সঙ্গেও এয়ার বাবল’ পরিচালনা করছে।