ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

ফের পিছিয়ে গেল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলনফ নদতে রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল :ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোনও ক্যাম্পে নয়, নিজেদের ভিটেয় ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

রাখাইনে ফিরতে চান না রোহিঙ্গারা রাখাইন ফেরত প্রতিনিধি দল

অনলাইন ডেস্ক

নিজ ভিটেয় ফিরে যাবার স্বপ্ন নিয়ে মিয়ানমার গিয়েছিলেন রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল। কিন্তু সন্ধ্যায় ফিরে এসে তারা সাফ জানালেন, তাদের নাগরিকত্ব, ভিটেমাটি ও চলাফেরার স্বাধীনতা দিলে মিয়ানমারে ফিরে যাবেন। মংডু শহরের পরিবেশ একটু ভালো হলেও গ্রামের পরিবেশে তারা সন্তুষ্ট নন। রোহিঙ্গারা কোনও ক্যাম্পে নয়, নিজেদের ভিটেয় ফিরতে চান তারা।

মিয়ানমারের রাখাইনের মংডুতে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ দেখে শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের টেকনাফে ফিরে আসেন ২০ সদস্যের রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলসহ বাংলাদেশের সাত কর্মকর্তা।

প্রতিনিধি দলের প্রধান শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রাখাইনের মংডু শহর ও গ্রামের পরিবেশ এখন অনেক ভালো। মংডু শহরে অধিকাংশ রোহিঙ্গা কাজকর্ম করছে এবং অবাধে ঘুরছে। রোহিঙ্গা সমস্যাটা দীর্ঘদিনের। একদিনে তা সমাধান করা সম্ভব নয়। তাদের টেকসই এবং মর্যাদার ভিত্তিতে প্রত্যাবাসন করতে চায় বাংলাদেশ।

মিয়ানমারের রাখাইনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে ২৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল শুক্রবার মিয়ানমারে যায় : ছবি সংগ্রহ

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইনে প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি দেখতে ২৭ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল শুক্রবার সকালে টেকনাফ ট্রানজিট ঘাট দিয়ে নাফ নদী পেরিয়ে মংডু যান। এই দলে ২০ জন রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা ছিলেন। দলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাও ছিলেন। মিয়ানমারে যাওয়ার জন্য টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা, নয়াপাড়া ও জাদিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ২৪, ২৬ ও ২৭ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত ২০ রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাকে বাছাই করা হয়।

টেকনাফে ট্রানজিট ঘাটে পৌঁছে প্রতিনিধি দল মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের। এ সময় রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ সুফিয়ান বলেন, আমার ভিটায় একটা ক্যাম্প করেছে। আমরা এই ক্যাম্পে নয়, নিজের ভিটেমাটিতে ফিরতে চাই। আমাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে।
এর আগে, ১৫ মার্চ টেকনাফ হয়ে বাংলাদেশে আসেন মিয়ানমার সরকারের ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তারা বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের দেওয়া তালিকা যাচাই-বাছাই করেন।

প্রতিনিধি দলটি টানা সাত দিন টেকনাফের স্থলবন্দর রেস্ট হাউজে অবস্থান করে ১৪৭ রোহিঙ্গা পরিবারের মোট ৪৮৬ জনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। আর তাদের দেওয়া বক্তব্য রেকর্ড করেন। গত ২২ মার্চ সকালে প্রতিনিধি দলটি মিয়ানমারে ফিরে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফের পিছিয়ে গেল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

আপডেট সময় : ১২:৩৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩

কোনও ক্যাম্পে নয়, নিজেদের ভিটেয় ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

রাখাইনে ফিরতে চান না রোহিঙ্গারা রাখাইন ফেরত প্রতিনিধি দল

অনলাইন ডেস্ক

নিজ ভিটেয় ফিরে যাবার স্বপ্ন নিয়ে মিয়ানমার গিয়েছিলেন রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল। কিন্তু সন্ধ্যায় ফিরে এসে তারা সাফ জানালেন, তাদের নাগরিকত্ব, ভিটেমাটি ও চলাফেরার স্বাধীনতা দিলে মিয়ানমারে ফিরে যাবেন। মংডু শহরের পরিবেশ একটু ভালো হলেও গ্রামের পরিবেশে তারা সন্তুষ্ট নন। রোহিঙ্গারা কোনও ক্যাম্পে নয়, নিজেদের ভিটেয় ফিরতে চান তারা।

মিয়ানমারের রাখাইনের মংডুতে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ দেখে শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের টেকনাফে ফিরে আসেন ২০ সদস্যের রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলসহ বাংলাদেশের সাত কর্মকর্তা।

প্রতিনিধি দলের প্রধান শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রাখাইনের মংডু শহর ও গ্রামের পরিবেশ এখন অনেক ভালো। মংডু শহরে অধিকাংশ রোহিঙ্গা কাজকর্ম করছে এবং অবাধে ঘুরছে। রোহিঙ্গা সমস্যাটা দীর্ঘদিনের। একদিনে তা সমাধান করা সম্ভব নয়। তাদের টেকসই এবং মর্যাদার ভিত্তিতে প্রত্যাবাসন করতে চায় বাংলাদেশ।

মিয়ানমারের রাখাইনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে ২৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল শুক্রবার মিয়ানমারে যায় : ছবি সংগ্রহ

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইনে প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি দেখতে ২৭ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল শুক্রবার সকালে টেকনাফ ট্রানজিট ঘাট দিয়ে নাফ নদী পেরিয়ে মংডু যান। এই দলে ২০ জন রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা ছিলেন। দলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাও ছিলেন। মিয়ানমারে যাওয়ার জন্য টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা, নয়াপাড়া ও জাদিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ২৪, ২৬ ও ২৭ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত ২০ রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাকে বাছাই করা হয়।

টেকনাফে ট্রানজিট ঘাটে পৌঁছে প্রতিনিধি দল মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের। এ সময় রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ সুফিয়ান বলেন, আমার ভিটায় একটা ক্যাম্প করেছে। আমরা এই ক্যাম্পে নয়, নিজের ভিটেমাটিতে ফিরতে চাই। আমাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে।
এর আগে, ১৫ মার্চ টেকনাফ হয়ে বাংলাদেশে আসেন মিয়ানমার সরকারের ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তারা বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের দেওয়া তালিকা যাচাই-বাছাই করেন।

প্রতিনিধি দলটি টানা সাত দিন টেকনাফের স্থলবন্দর রেস্ট হাউজে অবস্থান করে ১৪৭ রোহিঙ্গা পরিবারের মোট ৪৮৬ জনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। আর তাদের দেওয়া বক্তব্য রেকর্ড করেন। গত ২২ মার্চ সকালে প্রতিনিধি দলটি মিয়ানমারে ফিরে যান।