ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

ড. শেখ আব্দুর রশীদ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কূটনীতিক আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় এক হাজার অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন . শেখ আব্দুর রশীদ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনে নির্বাচিত সদস্যদের গেজেট নোটিফিকেশন ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। আগামী কর্মদিবস থেকে গণনা করে ১৪ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যেই সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচিত হবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং সুবিধাজনক সময়ে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শপথ পাঠের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে পারেন। প্রয়োজনে তাঁদের মনোনীত প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

আসন্ন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রটোকল প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা বজায় রেখে শপথ অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খল মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই সার্বিক আয়োজন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কূটনীতিক আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় এক হাজার অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন . শেখ আব্দুর রশীদ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনে নির্বাচিত সদস্যদের গেজেট নোটিফিকেশন ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। আগামী কর্মদিবস থেকে গণনা করে ১৪ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যেই সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচিত হবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং সুবিধাজনক সময়ে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শপথ পাঠের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে পারেন। প্রয়োজনে তাঁদের মনোনীত প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

আসন্ন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রটোকল প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা বজায় রেখে শপথ অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খল মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই সার্বিক আয়োজন করা হচ্ছে।