ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত তারেক রহমান ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণ ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জ নিয়ে যাত্রা শুরু বিএনপি সরকারের ১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা, নেতৃত্বে তারেক রহমান সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি: সালাহউদ্দিন শপথ নিলেন বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরা জাতীয় সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজায় এমপি ও মন্ত্রিসভার শপথে বর্ণাঢ্য আয়োজন নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত বড় চ্যালেঞ্জ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের দুই শিশুসহ ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-পরবর্তী হামলার প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের গণটিকা টিকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩০৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম : ফাইল ছবি

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। এটি সপ্তাহের একদিন নির্ধারিত থাকবে। অধ্যাপক খুরশীদ আলম আরও বলেন, পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে।

ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এক কোটিসহ প্রায় দুই কোটির মতো টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম তার ফেসবুক লাইভে এসে এ কথা জানান। এ সময়ে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত

পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সপ্তাহে একদিন নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা প্রয়োগ করা হবে।

তিনি বলেন, টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণ বা পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তির সংক্রমণ এবং তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি। তিনি বলেন, এটা মাথায় রেখে টিকাদান কার্যক্রমে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি আরও কীভাবে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করানো যায়, সে বিষয়ে সচেষ্ট রয়েছি।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ইতোমধ্যে দেশে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। সেসব স্কুল কলেজে আগে যেখানে টিকাদান কর্মসূচি চলতো, বিশেষত স্কুল, সেই জায়গাগুলো থেকে

আমাদের সরে আসতে হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি উপজেলা অডিটোরিয়ামে এবং উপজেলার যেকোনও বড় হলরুমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। সপ্তাহের যে দুদিন নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থাকবে না, এমন দুই দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা কোভিড-১৯-এর টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে একটি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

করবেন। টিকা প্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার জন্য নিবন্ধন করবেন এবং এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা নেবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের গণটিকা টিকা

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম : ফাইল ছবি

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। এটি সপ্তাহের একদিন নির্ধারিত থাকবে। অধ্যাপক খুরশীদ আলম আরও বলেন, পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে।

ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এক কোটিসহ প্রায় দুই কোটির মতো টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম তার ফেসবুক লাইভে এসে এ কথা জানান। এ সময়ে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত

পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সপ্তাহে একদিন নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা প্রয়োগ করা হবে।

তিনি বলেন, টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণ বা পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তির সংক্রমণ এবং তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি। তিনি বলেন, এটা মাথায় রেখে টিকাদান কার্যক্রমে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি আরও কীভাবে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করানো যায়, সে বিষয়ে সচেষ্ট রয়েছি।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ইতোমধ্যে দেশে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। সেসব স্কুল কলেজে আগে যেখানে টিকাদান কর্মসূচি চলতো, বিশেষত স্কুল, সেই জায়গাগুলো থেকে

আমাদের সরে আসতে হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি উপজেলা অডিটোরিয়ামে এবং উপজেলার যেকোনও বড় হলরুমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। সপ্তাহের যে দুদিন নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থাকবে না, এমন দুই দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা কোভিড-১৯-এর টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে একটি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

করবেন। টিকা প্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার জন্য নিবন্ধন করবেন এবং এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা নেবেন বলে জানান তিনি।