ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ব্যবহারের অবসান চায় সরকার, আসছে নতুন এলিট ফোর্স রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ: মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির নতুন বার্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী পেট্রোবাংলার  চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সোমবার   ঢাকার  বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে উপজীব্য করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য প্রকাশ। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার সমন্বয়ে এক বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর রবীন্দ্রসংগীত এবং কাজী নজরুল ইসলাম-এর নজরুলগীতি, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। পাশাপাশি জারি গান, আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনায় ফুটে ওঠে গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত জীবনচিত্র।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কূটনীতিক, সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বাঙালির উৎসবমুখর চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এ আয়োজনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

এসময় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এ উৎসব শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, এই উৎসবগুলো তারই প্রতিফলন।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ মিল, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে ঘিরে এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্য ও বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সোমবার   ঢাকার  বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এ ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে উপজীব্য করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য প্রকাশ। নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার সমন্বয়ে এক বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর রবীন্দ্রসংগীত এবং কাজী নজরুল ইসলাম-এর নজরুলগীতি, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। পাশাপাশি জারি গান, আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনায় ফুটে ওঠে গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত জীবনচিত্র।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কূটনীতিক, সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বাঙালির উৎসবমুখর চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এ আয়োজনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

এসময় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এ উৎসব শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, এই উৎসবগুলো তারই প্রতিফলন।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ
চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে ঐতিহ্যের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ মিল, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে ঘিরে এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্য ও বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।