ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভোলা সেতু: খুলে যাবে দক্ষিণ জনপথের অর্থনীতির নতুন দুয়ার আমদানি বৃদ্ধি ও পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যঘাটতি বেড়ে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না ইরান চারুকলায় বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতি: দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ পাহাড়ে বৈসুর প্রস্তুতি: গরাইয়া নাচে মাতোয়ারা ত্রিপুরাপাড়া ইরানের আঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো কার্যত অকার্যকর শর্ত মেনে : হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান জ্বালানিতে স্বস্তি: ১৫ এপ্রিল এলএনজি-এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে আরও ৫ জাহাজ জুলাইযোদ্ধা : আবু সাঈদ ভেবেছিলেন সামনে মানুষ, কিন্তু তারা অমানুষ হয়ে গিয়েছিল জাতীয় কবির জন্মোৎসব উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট

চিড়িয়াখানায় হরিণ শাবকের দাম কমলো ২০ হাজার টাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরিণ প্রতীকী ছবি সংগ্রহ

চিড়িয়াখানায় হরিণ প্রতিটি হরিণ শাবকের দাম কমলো ২০ হাজার টাকা। এখন থেকে প্রতিটি হরিণ শাবক বিক্রি হবে ৫০ হাজার টাকায়। পূর্বের ৭০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধরণ করেছেন কর্তৃপক্ষ।

নতুন দামের প্রজ্ঞাপন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। সোমবার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রকের সম্মতি পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় চিড়িয়াখানার উদ্বৃত্ত প্রতিটি চিত্রা হরিণের শাবক বিক্রয় মূল্য ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণে করা হলো।

এর আগে প্রতিটি হরিণ শাবকের সরকারি মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। এই মূল্য আরও কমানোর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই হরিণ শাবকের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. আব্দুল লতিফ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ইতিমধ্যে ৫৫টি হরিণ বিক্রি করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি হরিণ শাবক ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হবে।

জানা গিয়েছে, করোনার কারণে দীর্ঘ দেড় বছরের অধিক সময় চিড়িয়াখানা বন্ধ ছিলো। এসময় এখানের পশুদের প্রজনন ক্ষমতা বেড়েছে।

 

এসময়ে চলতি বছরে ইমো পাখি বাচ্চা দিয়েছে ২২টি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরল প্রাণী ইম্পালা দুটি বাচ্চা দিয়েছে। জলহস্তীর ধারণ ক্ষমতা আটটা থাকলেও সেগুলো বংশবৃদ্ধি করে ১৪টিতে r

দাঁড়িয়েছে। জেব্রার ধারণ ক্ষমতা চারটা থেকে বেড়ে হয়েছে সাতটি। বানরের সংখ্যাও প্রচুর বেড়েছে।

এছাড়া চিড়িয়াখানায় হরিণের জন্য বরাদ্দ যে তিনটি শেড রয়েছে, সেখানে সর্বসাকুল্যে ১৭০টি হরিণ অবাধে বিচরণ করতে পারে। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে হরিণের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রতি সপ্তাহে তিন-চারটি হরিণের বাচ্চা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ময়ূরের ধারণক্ষমতা ৮০টি হলেও খাঁচায় রয়েছে ৬০টি পূর্ণবয়স্ক ময়ূর। গত আট মাসে ডিম ফুটিয়ে ১৩০টি বাচ্চা ফোটানো হয়েছে।

এভাবে অল্প সময়ের মধ্যে চিড়িয়াখানায় প্রাণীরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বাচ্চা প্রসব করায় এসব প্রাণী কমিয়ে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রক হরিণ ও ময়ূর এই বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই দুটির লালনপালন ও রক্ষণাবেক্ষণ অপেক্ষাকৃত সহজ। বাকি প্রাণীগুলো দেশ বা দেশের বাইরের

বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় অন্য প্রাণীদের সঙ্গে বিনিময় করার অনুমোদন রয়েছে। কিন্তু এগুলো বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।

চিড়িয়াখানার সূত্র জানায়, বিক্রির জন্য আগে প্রতি জোড়া হরিণের দাম ধরা হয়েছিল এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রতি জোড়া ময়ূরের দাম ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। আগ্রহীদের এসব প্রাণী নারী-পুরুষ জোড়া ধরেই কিনতে হবে। একটি কেনা যাবে না।

হরিণগুলোর নিয়মিত প্রজনন হওয়ায়, এখন প্রতি মাসে অন্তত ২০টি করে হরিণ শাবক বিক্রি করা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫১টি চিত্রা হরিণ বিক্রি করা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ

চাইছে, আরও কিছু হরিণ দ্রুত বিক্রি করতে। এসব প্রাণী কিনতে আগ্রহীদের বেশিরভাগ ধনাঢ্য সৌখিন ব্যক্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চিড়িয়াখানায় হরিণ শাবকের দাম কমলো ২০ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

হরিণ প্রতীকী ছবি সংগ্রহ

চিড়িয়াখানায় হরিণ প্রতিটি হরিণ শাবকের দাম কমলো ২০ হাজার টাকা। এখন থেকে প্রতিটি হরিণ শাবক বিক্রি হবে ৫০ হাজার টাকায়। পূর্বের ৭০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধরণ করেছেন কর্তৃপক্ষ।

নতুন দামের প্রজ্ঞাপন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। সোমবার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রকের সম্মতি পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় চিড়িয়াখানার উদ্বৃত্ত প্রতিটি চিত্রা হরিণের শাবক বিক্রয় মূল্য ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণে করা হলো।

এর আগে প্রতিটি হরিণ শাবকের সরকারি মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। এই মূল্য আরও কমানোর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই হরিণ শাবকের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. আব্দুল লতিফ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ইতিমধ্যে ৫৫টি হরিণ বিক্রি করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি হরিণ শাবক ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হবে।

জানা গিয়েছে, করোনার কারণে দীর্ঘ দেড় বছরের অধিক সময় চিড়িয়াখানা বন্ধ ছিলো। এসময় এখানের পশুদের প্রজনন ক্ষমতা বেড়েছে।

 

এসময়ে চলতি বছরে ইমো পাখি বাচ্চা দিয়েছে ২২টি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরল প্রাণী ইম্পালা দুটি বাচ্চা দিয়েছে। জলহস্তীর ধারণ ক্ষমতা আটটা থাকলেও সেগুলো বংশবৃদ্ধি করে ১৪টিতে r

দাঁড়িয়েছে। জেব্রার ধারণ ক্ষমতা চারটা থেকে বেড়ে হয়েছে সাতটি। বানরের সংখ্যাও প্রচুর বেড়েছে।

এছাড়া চিড়িয়াখানায় হরিণের জন্য বরাদ্দ যে তিনটি শেড রয়েছে, সেখানে সর্বসাকুল্যে ১৭০টি হরিণ অবাধে বিচরণ করতে পারে। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে হরিণের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রতি সপ্তাহে তিন-চারটি হরিণের বাচ্চা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ময়ূরের ধারণক্ষমতা ৮০টি হলেও খাঁচায় রয়েছে ৬০টি পূর্ণবয়স্ক ময়ূর। গত আট মাসে ডিম ফুটিয়ে ১৩০টি বাচ্চা ফোটানো হয়েছে।

এভাবে অল্প সময়ের মধ্যে চিড়িয়াখানায় প্রাণীরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বাচ্চা প্রসব করায় এসব প্রাণী কমিয়ে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রক হরিণ ও ময়ূর এই বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই দুটির লালনপালন ও রক্ষণাবেক্ষণ অপেক্ষাকৃত সহজ। বাকি প্রাণীগুলো দেশ বা দেশের বাইরের

বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় অন্য প্রাণীদের সঙ্গে বিনিময় করার অনুমোদন রয়েছে। কিন্তু এগুলো বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।

চিড়িয়াখানার সূত্র জানায়, বিক্রির জন্য আগে প্রতি জোড়া হরিণের দাম ধরা হয়েছিল এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রতি জোড়া ময়ূরের দাম ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। আগ্রহীদের এসব প্রাণী নারী-পুরুষ জোড়া ধরেই কিনতে হবে। একটি কেনা যাবে না।

হরিণগুলোর নিয়মিত প্রজনন হওয়ায়, এখন প্রতি মাসে অন্তত ২০টি করে হরিণ শাবক বিক্রি করা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫১টি চিত্রা হরিণ বিক্রি করা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ

চাইছে, আরও কিছু হরিণ দ্রুত বিক্রি করতে। এসব প্রাণী কিনতে আগ্রহীদের বেশিরভাগ ধনাঢ্য সৌখিন ব্যক্তি।