ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবে সৌদির কঠোর হুঁশিয়ারি, যুদ্ধের ছায়ায় কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের ঈদের ছুটিতেও দায়িত্বে অবিচল প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার ঈদ স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ মার্কিন  এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ পহেলা বৈশাখে  কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়ক উন্নয়নে দ্রুত সুখবরের আশ্বাস, গোমা সেতু উদ্বোধন

গুম-খুনের রাজনীতির শুরু জিয়ার হাতেই : তথ্যমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই দেশে গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেন এবং সেই ধারা বেগম জিয়াও অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি আজ বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট- পিআইবি আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে তার বাসভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর গুমের রাজনীতি শুরু হয়েছে’ এর জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়া তার ক্ষমতা নিষ্কন্টক করতে সেনাসদস্যসহ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। কারাগার থেকে ধরে

নিয়ে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ফখরুল সাহেব, রিজভী সাহেবদের মনে রাখা উচিত জিয়াউর রহমানের হাতে কত মানুষ গুম হয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত জিয়া ক্ষমতা দখলের পর যে খুনের রাজনীতি করেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী তৎকালীন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবু, চট্টগ্রামের মৌলভী সৈয়দও রেহাই পাননি। তাই তার দলের নেতাদের মুখে গুম নিয়ে কথা শোভা পায় না।’

মন্ত্রী এর আগে অনলাইন সেমিনারে বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য তথ্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখতে আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু গুটিকতক বিপথগামী সেনাসদস্যই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটায়নি, এর পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। এছাড়া

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের সময় ঈদের জামাতে আওয়ামী লীগের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে হত্যা, বাসন্তীকে জাল পরিয়ে অভাবের বানোয়াট ছবি প্রচার, পাটের গুদামে আগুন দেয়াসহ

দেশবিরোধী নানা চক্রান্ত এবং দেশের স্বার্থে বাকশাল গঠনের সত্যিকার পটভূমি মানুষের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’ একাত্তর-পঁচাত্তরের সময়ের

সাংবাদিকরা যারা জীবিত রয়েছেন, তাদের বক্তব্য সংরক্ষণের জন্য এসময় প্রেস ইনস্টিটিউটকে নির্দেশনা দেন তথ্যমন্ত্রী।

পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন, বিশেষ বক্তা হিসেবে ইতিহাসের অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, ড. মোহাম্মদ হান্নান প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুম-খুনের রাজনীতির শুরু জিয়ার হাতেই : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই দেশে গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেন এবং সেই ধারা বেগম জিয়াও অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি আজ বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট- পিআইবি আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে তার বাসভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর গুমের রাজনীতি শুরু হয়েছে’ এর জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়া তার ক্ষমতা নিষ্কন্টক করতে সেনাসদস্যসহ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। কারাগার থেকে ধরে

নিয়ে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ফখরুল সাহেব, রিজভী সাহেবদের মনে রাখা উচিত জিয়াউর রহমানের হাতে কত মানুষ গুম হয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত জিয়া ক্ষমতা দখলের পর যে খুনের রাজনীতি করেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী তৎকালীন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবু, চট্টগ্রামের মৌলভী সৈয়দও রেহাই পাননি। তাই তার দলের নেতাদের মুখে গুম নিয়ে কথা শোভা পায় না।’

মন্ত্রী এর আগে অনলাইন সেমিনারে বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য তথ্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখতে আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু গুটিকতক বিপথগামী সেনাসদস্যই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটায়নি, এর পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। এছাড়া

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের সময় ঈদের জামাতে আওয়ামী লীগের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে হত্যা, বাসন্তীকে জাল পরিয়ে অভাবের বানোয়াট ছবি প্রচার, পাটের গুদামে আগুন দেয়াসহ

দেশবিরোধী নানা চক্রান্ত এবং দেশের স্বার্থে বাকশাল গঠনের সত্যিকার পটভূমি মানুষের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’ একাত্তর-পঁচাত্তরের সময়ের

সাংবাদিকরা যারা জীবিত রয়েছেন, তাদের বক্তব্য সংরক্ষণের জন্য এসময় প্রেস ইনস্টিটিউটকে নির্দেশনা দেন তথ্যমন্ত্রী।

পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন, বিশেষ বক্তা হিসেবে ইতিহাসের অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, ড. মোহাম্মদ হান্নান প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।