ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশজুড়ে গণবিদ্রোহের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনাবাহিনীর তরফেও তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ করা হয়েছিল।

রোববার থেকে শুরু হয় আন্দোলন এবং সোমবার তা রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থী-জনতা। শুরুর দিকে এই বিক্ষোভে শীর্ষ দাবি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি এলেও বর্তমানে এটি প্রায় পুরোপুরি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২০ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু সংখ্যক। এর আগে বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক।

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা
গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

সূত্রের খবর, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এর পর সেনাবাহিনীর কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান ওলি। তার পরেই পদত্যাগ করেন।

ওলির পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। মন্ত্রীদের অনেকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ওলির ব্যক্তিগত বাসভবনেও আগুন ধরানো হয়েছে। সূত্রের খবর, দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন ওলি। তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। তবে এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিক্ষোভের মাঝে এ বার কি পালানোর পরিকল্পনা করছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি? সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার মতোই তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে গণবিক্ষোভের চাপে পড়ে ওলি ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। সূত্রের আরও দাবি, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। জবাবে ওলি জানিয়েছেন, নিরাপদে তাঁকে দেশ ছাড়ার বন্দোবস্ত করে দেওয়া হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশজুড়ে গণবিদ্রোহের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনাবাহিনীর তরফেও তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ করা হয়েছিল।

রোববার থেকে শুরু হয় আন্দোলন এবং সোমবার তা রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থী-জনতা। শুরুর দিকে এই বিক্ষোভে শীর্ষ দাবি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি এলেও বর্তমানে এটি প্রায় পুরোপুরি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২০ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু সংখ্যক। এর আগে বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক।

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা
গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

সূত্রের খবর, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এর পর সেনাবাহিনীর কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান ওলি। তার পরেই পদত্যাগ করেন।

ওলির পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। মন্ত্রীদের অনেকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ওলির ব্যক্তিগত বাসভবনেও আগুন ধরানো হয়েছে। সূত্রের খবর, দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন ওলি। তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। তবে এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিক্ষোভের মাঝে এ বার কি পালানোর পরিকল্পনা করছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি? সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার মতোই তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে গণবিক্ষোভের চাপে পড়ে ওলি ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। সূত্রের আরও দাবি, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। জবাবে ওলি জানিয়েছেন, নিরাপদে তাঁকে দেশ ছাড়ার বন্দোবস্ত করে দেওয়া হোক।