ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কর্মগুণে বেঁচে থাকবেন বরেণ্য শিক্ষাগুরু অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩ ১৫২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

সম্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তিনি। তার চাহনিই শিক্ষার্থীদের জন্য আর্শিবাদ। সরল-সহজ সাদা মনের উদার মানুষ ছিলেন এই বরেণ্য শিক্ষাবিদ। আজীবন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তার নিরলস প্রচষ্টায় হাজারো শিক্ষার্থী নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আমৃত্যু জ্ঞান বিলিয়ে গেছেন নিরহংকার এই শিক্ষাগুরু। তিনিই আমাদের সমাজের শুভবোধের সারথি। তার মতো শিক্ষাগুরু হাত ধরেই সমাজের মলিনতা দূর হয়।

বলছিলাম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনার কপিলমুনি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক প্রয়াত অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্রে কথা। গেল ১৬ জুন  পরলোকে গমন করেন। ১৯৫০ সালের ২০ নভেম্বর খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী গ্রামে জন্ম নেন এই মহান শিক্ষাবিদ।
পাইকগাছার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছাড়াও তার ছাত্রাছাত্রীরা মঙ্গল স্মরণ করেন তাকে।

মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্মরণ সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জয়দেব ভদ্র, সাবেক নৌসচিব অশোক মাদব রায়, মেয়ে ডা. মহুয়া চন্দ্র, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসী অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খা ও সুযোগকে পায়ে ঠেলে আজীবন প্রত্যন্ত গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন। অন্ধকারাচ্ছন্ন ও অনুন্নত জনপদের নতুন প্রজন্মকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আজীন লড়াই করেছেন তিনি। আলোকিত সমাজ গড়ে তোলার সংগ্রামে তিনি সকলকে প্রেরণা যোগাবেন। শিক্ষাগুরু অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র কর্মগুণে মানব হৃদয়ে অনন্তকালে বেঁচে থাকবেন।

সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, কালিদাস চন্দ্র ছিলেন নিরহংকার ও নির্লোভ মানুষ এবং সমাজ সংস্কারক। শিক্ষকতার পাশাপাশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন সকলের শেষ আশ্রয় স্থল। নিজের সন্তানের সুশিক্ষার জন্য যেমন ধনী-গরিব নির্বিশেষ তার দ্বারস্থ হতেন, বিপদে-আপদে সুবুদ্ধির আশায় তার কাছে ছুটতেন। নেতারাও যেতেন বিজ্ঞ শিক্ষকের আশির্বাদ নিতে। সমাজকে আলোকিত করতে বিশেষ অবদানের জন্য এই গুণি শিক্ষাবিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রাপ্য বলে দাবি করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র রাজশাহী বিশ^বিদালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে রেকর্ড সংখ্যক নম্বর নিয়ে গ্রামে ফিরে গেছেন। সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আজীবন সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। তার ছাত্ররাই আজ দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যে কারণে গ্রামে থেকেও জাতীয় পর্যায়ে স্থান করে নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

জাতির প্রয়োজনে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সমাজ প্রকৌশলী হিসেবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাকে অনুসরণের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

স্মরণসভার শুরুতে অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে একটি প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে আগামীতে একটি স্মারকগ্রস্থ প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শিক্ষকতা জীবনে তিনি বহুবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ক্যাম্প কমান্ডার খায়বার হোসেন পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট মহাকুমার টেট্রা মুক্তি ফৌজের রিসিপশন ক্যাম্পে অফিশিয়াল পদে কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শেষে তিনি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক।

অনির্বাণ লাইব্র্ররির প্রতিষ্ঠা সভাপতি হিসেবে ১৯৯০ সাল হতে টানা দীর্ঘ ১১বছর ও পরে আরো ৩ বছর দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র।

সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্র-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রশিদুজ্জামান, মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূর আলম, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ জিএম মাহবুব আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন বিএমএ’র দপ্তর সম্পাদক ডা. শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ এম নজরুল ইসলাম, ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, সিনিয়র জেলা ও দায়েরা জজ শেখ হাফিজুর রহমান, অনির্বাণ লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাকালীণ সাধারণ সম্পাদক মানিক ভদ্র, লাইব্রেরির উপদেষ্টা মো. আযুব আলী মোড়ল, পাইকগাছা সমিতির সভাপতি এ কে এম সাঈদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কালিদাস চন্দ্রের জামাতা ডা. প্রভাত সরকার, কালিদাস চন্দ্রের বড় মেয়ে ডা. মহুয়া চন্দ্র, শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংবাদিক সাকিলা পারভীন, ইঞ্জিনিয়ার তুহীন পারভেজ প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কর্মগুণে বেঁচে থাকবেন বরেণ্য শিক্ষাগুরু অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র

আপডেট সময় : ১০:০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

সম্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তিনি। তার চাহনিই শিক্ষার্থীদের জন্য আর্শিবাদ। সরল-সহজ সাদা মনের উদার মানুষ ছিলেন এই বরেণ্য শিক্ষাবিদ। আজীবন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তার নিরলস প্রচষ্টায় হাজারো শিক্ষার্থী নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আমৃত্যু জ্ঞান বিলিয়ে গেছেন নিরহংকার এই শিক্ষাগুরু। তিনিই আমাদের সমাজের শুভবোধের সারথি। তার মতো শিক্ষাগুরু হাত ধরেই সমাজের মলিনতা দূর হয়।

বলছিলাম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনার কপিলমুনি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক প্রয়াত অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্রে কথা। গেল ১৬ জুন  পরলোকে গমন করেন। ১৯৫০ সালের ২০ নভেম্বর খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী গ্রামে জন্ম নেন এই মহান শিক্ষাবিদ।
পাইকগাছার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছাড়াও তার ছাত্রাছাত্রীরা মঙ্গল স্মরণ করেন তাকে।

মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্মরণ সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জয়দেব ভদ্র, সাবেক নৌসচিব অশোক মাদব রায়, মেয়ে ডা. মহুয়া চন্দ্র, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসী অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খা ও সুযোগকে পায়ে ঠেলে আজীবন প্রত্যন্ত গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন। অন্ধকারাচ্ছন্ন ও অনুন্নত জনপদের নতুন প্রজন্মকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আজীন লড়াই করেছেন তিনি। আলোকিত সমাজ গড়ে তোলার সংগ্রামে তিনি সকলকে প্রেরণা যোগাবেন। শিক্ষাগুরু অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র কর্মগুণে মানব হৃদয়ে অনন্তকালে বেঁচে থাকবেন।

সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, কালিদাস চন্দ্র ছিলেন নিরহংকার ও নির্লোভ মানুষ এবং সমাজ সংস্কারক। শিক্ষকতার পাশাপাশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন সকলের শেষ আশ্রয় স্থল। নিজের সন্তানের সুশিক্ষার জন্য যেমন ধনী-গরিব নির্বিশেষ তার দ্বারস্থ হতেন, বিপদে-আপদে সুবুদ্ধির আশায় তার কাছে ছুটতেন। নেতারাও যেতেন বিজ্ঞ শিক্ষকের আশির্বাদ নিতে। সমাজকে আলোকিত করতে বিশেষ অবদানের জন্য এই গুণি শিক্ষাবিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রাপ্য বলে দাবি করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র রাজশাহী বিশ^বিদালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে রেকর্ড সংখ্যক নম্বর নিয়ে গ্রামে ফিরে গেছেন। সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আজীবন সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। তার ছাত্ররাই আজ দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যে কারণে গ্রামে থেকেও জাতীয় পর্যায়ে স্থান করে নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

জাতির প্রয়োজনে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সমাজ প্রকৌশলী হিসেবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাকে অনুসরণের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

স্মরণসভার শুরুতে অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে একটি প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে আগামীতে একটি স্মারকগ্রস্থ প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শিক্ষকতা জীবনে তিনি বহুবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ক্যাম্প কমান্ডার খায়বার হোসেন পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট মহাকুমার টেট্রা মুক্তি ফৌজের রিসিপশন ক্যাম্পে অফিশিয়াল পদে কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শেষে তিনি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক।

অনির্বাণ লাইব্র্ররির প্রতিষ্ঠা সভাপতি হিসেবে ১৯৯০ সাল হতে টানা দীর্ঘ ১১বছর ও পরে আরো ৩ বছর দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক কালিদাস চন্দ্র।

সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্র-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রশিদুজ্জামান, মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূর আলম, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ জিএম মাহবুব আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন বিএমএ’র দপ্তর সম্পাদক ডা. শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ এম নজরুল ইসলাম, ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, সিনিয়র জেলা ও দায়েরা জজ শেখ হাফিজুর রহমান, অনির্বাণ লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাকালীণ সাধারণ সম্পাদক মানিক ভদ্র, লাইব্রেরির উপদেষ্টা মো. আযুব আলী মোড়ল, পাইকগাছা সমিতির সভাপতি এ কে এম সাঈদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কালিদাস চন্দ্রের জামাতা ডা. প্রভাত সরকার, কালিদাস চন্দ্রের বড় মেয়ে ডা. মহুয়া চন্দ্র, শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংবাদিক সাকিলা পারভীন, ইঞ্জিনিয়ার তুহীন পারভেজ প্রমূখ।