ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ গুম হওয়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ভাতা চালুর উদ্যোগ: মির্জা ফখরুল যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি খাতে, বাংলাদেশের তেলের জন্য লম্বা লাইন কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের সংঘাতের আগে হরমুজ ত্যাগ করা জ্বালানিবাহী ১৫ জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাতে শুরু করেছে

করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তে রেকর্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০ ৬৬৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : করোনা আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্তরও ১৭৭৩ জনের রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর পর ২৪ ঘন্টায় ২২জনের মৃত্যু এবং ১৭৭৩জন আক্রান্ত বিষয়ে রীতিমত ভীতি কাজ করছে বিশেষজ্ঞদের। প্রতিদিন আক্রান্তর সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবাণীই সত্যি হতে চলেছে। তাঁরা বলেছিলেন, চলতি মে মাসে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা ৫০ হাজার হতে পারে। এমন তথ্যের প্রেক্ষেতে স্বাস্থ্য সচিবের বলেছিলেন, ৫০ হাজার না নয়। ৩০ হাজার আক্রান্ত হতে পারে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনের তথ্যে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তর সংখ্যা ২৮৫১১ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৪০৮ জন। যে হারে আক্রান্তর সংখ্যা উর্ধমুখী, তাতে ৫০ হাজার না হলেও হাজার ৪০ এর কাছাকাছি পৌছে যেতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ১৭৪টি নমুনা সংগ্রহ করেছে অধিদপ্তর। আর আগের নমুনাসহ মোট ১০ হাজার ২৬২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ১১৪টি। নমুনা পরীক্ষা যতই বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৫ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৬০২ জন। বাংলাদেশে করোনার আক্রান্তর প্রথম দিন গণনা শুরু হয় গত ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু দিন গণনা শুরু হয় ১০ দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৮ মার্চ। এরপর দিন যতই বাড়তে থাকে করোনা রোগীর আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরই মধ্যে করোনার বিস্তারোধে রাস্তায় চলাচলের কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। আইসিটির সহায়তায় বিশেষ পাস ইস্যুর বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর। কিন্তু রাজধানী ও আশপাশের রাস্তাঘাটের যে অবস্থা তাতে বিশেষ পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনেকটা ভাবনার বিষয় বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, ক’দিন পরই ঈদ। এ মধ্যে এমন পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তে রেকর্ড

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : করোনা আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্তরও ১৭৭৩ জনের রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর পর ২৪ ঘন্টায় ২২জনের মৃত্যু এবং ১৭৭৩জন আক্রান্ত বিষয়ে রীতিমত ভীতি কাজ করছে বিশেষজ্ঞদের। প্রতিদিন আক্রান্তর সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবাণীই সত্যি হতে চলেছে। তাঁরা বলেছিলেন, চলতি মে মাসে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা ৫০ হাজার হতে পারে। এমন তথ্যের প্রেক্ষেতে স্বাস্থ্য সচিবের বলেছিলেন, ৫০ হাজার না নয়। ৩০ হাজার আক্রান্ত হতে পারে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনের তথ্যে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তর সংখ্যা ২৮৫১১ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৪০৮ জন। যে হারে আক্রান্তর সংখ্যা উর্ধমুখী, তাতে ৫০ হাজার না হলেও হাজার ৪০ এর কাছাকাছি পৌছে যেতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ১৭৪টি নমুনা সংগ্রহ করেছে অধিদপ্তর। আর আগের নমুনাসহ মোট ১০ হাজার ২৬২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ১১৪টি। নমুনা পরীক্ষা যতই বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৫ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৬০২ জন। বাংলাদেশে করোনার আক্রান্তর প্রথম দিন গণনা শুরু হয় গত ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু দিন গণনা শুরু হয় ১০ দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৮ মার্চ। এরপর দিন যতই বাড়তে থাকে করোনা রোগীর আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরই মধ্যে করোনার বিস্তারোধে রাস্তায় চলাচলের কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। আইসিটির সহায়তায় বিশেষ পাস ইস্যুর বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর। কিন্তু রাজধানী ও আশপাশের রাস্তাঘাটের যে অবস্থা তাতে বিশেষ পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনেকটা ভাবনার বিষয় বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, ক’দিন পরই ঈদ। এ মধ্যে এমন পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।