ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিক্রয় উন্মোচন করলো প্রপার্টি বেচাকেনার তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘প্রপার্টি গাইড বাংলাদেশ শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব, র‌্যাংকিংয়ে হৃদয়-তানজিদ-মুস্তাফিজের উন্নতি ত্বক ও চুলের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার এপেক্সে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা আড়ংয়ে নারী-পুরুষ নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংক ৭০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘মলমূত্র’ বহনকারী বেলুন পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে বিজয়ী যারা প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করবেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর বিদেশে বিনোয়োগের ৭০% ভারতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য

করোনার আক্রান্তর দুশ্চিন্তায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০ ৫২১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকার তিলপাড়ায় বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তোফাজ্জল হোসেন (৪৫) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহননের পথে বেচে নিলেন। করোনাভাইরাসের দুশ্চিন্তায় তিনি এ পথ বেচে নেবার কথা জানান তার পরিবার। সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় খিলগাঁও তিলপাড়ার ১৬৮/এ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। তোফাজ্জল হোসেন পুলিশের এসবি শাখার কন্সটেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত তোফাজ্জল বাসা থেকে দরজা খুলে বের যাওয়ার কিছু সময় পর পাঁচ তলার ছাদ থেকে ভারী কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান তার স্ত্রী। এরপর বাসার অন্যরা বের হয়ে দেখেন বাসার সামনের রাস্তায় তোফাজ্জলের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি করোনা টেস্টে তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু তিনি ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। সবসময়ই দুশ্চিন্তায় থাকতেন যে, হয়তোবা তার করোনা হয়েছে। এ নিয়ে চিন্তায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন তার স্ত্রী। কনস্টেবল তোফাজ্জল স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
তবে পুলিশ বলছে, তার স্ত্রীর দাবি সঠিক কি না সেটা যাচাই করা হচ্ছে। পারিবারিক কোনো কলহ বা আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তিনি পুলিশের এসবি শাখার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে তার পরিবারের সদস্যরা বলছে যে করোনা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত ছিলেন। যদিও গত ২৯ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর এবং তিনিও সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এ কারণেই আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনার আক্রান্তর দুশ্চিন্তায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকার তিলপাড়ায় বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তোফাজ্জল হোসেন (৪৫) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহননের পথে বেচে নিলেন। করোনাভাইরাসের দুশ্চিন্তায় তিনি এ পথ বেচে নেবার কথা জানান তার পরিবার। সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় খিলগাঁও তিলপাড়ার ১৬৮/এ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। তোফাজ্জল হোসেন পুলিশের এসবি শাখার কন্সটেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত তোফাজ্জল বাসা থেকে দরজা খুলে বের যাওয়ার কিছু সময় পর পাঁচ তলার ছাদ থেকে ভারী কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান তার স্ত্রী। এরপর বাসার অন্যরা বের হয়ে দেখেন বাসার সামনের রাস্তায় তোফাজ্জলের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি করোনা টেস্টে তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু তিনি ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। সবসময়ই দুশ্চিন্তায় থাকতেন যে, হয়তোবা তার করোনা হয়েছে। এ নিয়ে চিন্তায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন তার স্ত্রী। কনস্টেবল তোফাজ্জল স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
তবে পুলিশ বলছে, তার স্ত্রীর দাবি সঠিক কি না সেটা যাচাই করা হচ্ছে। পারিবারিক কোনো কলহ বা আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তিনি পুলিশের এসবি শাখার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে তার পরিবারের সদস্যরা বলছে যে করোনা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত ছিলেন। যদিও গত ২৯ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর এবং তিনিও সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এ কারণেই আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।