ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় নির্বাচনের আগে-পরে এক মাস সেনা মোতায়েনের দাবি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ঢাকায় মৈত্রী দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন ভারত বাদ, বাংলাদেশ-চীনসহ কয়েকটি দেশ নিয়ে আলাদা জোট করতে চায় পাকিস্তান ভারতে হাসিনার অবস্থান নিয়ে জয়শঙ্কর বললেন-সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে তারেকের নেতৃত্বেই নির্বাচনে যাবে বিএনপি : আমির খসরু গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ শীতের মহাজন পঞ্চগড়ে, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে পুশইনের শিকার সোনালী ও তার সন্তান বিএসএফের কাছে হস্তান্তর বিজিবির এয়ারবাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ১৮০ যাত্রী

করোনার আক্রান্তর দুশ্চিন্তায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০ ৬৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকার তিলপাড়ায় বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তোফাজ্জল হোসেন (৪৫) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহননের পথে বেচে নিলেন। করোনাভাইরাসের দুশ্চিন্তায় তিনি এ পথ বেচে নেবার কথা জানান তার পরিবার। সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় খিলগাঁও তিলপাড়ার ১৬৮/এ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। তোফাজ্জল হোসেন পুলিশের এসবি শাখার কন্সটেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত তোফাজ্জল বাসা থেকে দরজা খুলে বের যাওয়ার কিছু সময় পর পাঁচ তলার ছাদ থেকে ভারী কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান তার স্ত্রী। এরপর বাসার অন্যরা বের হয়ে দেখেন বাসার সামনের রাস্তায় তোফাজ্জলের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি করোনা টেস্টে তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু তিনি ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। সবসময়ই দুশ্চিন্তায় থাকতেন যে, হয়তোবা তার করোনা হয়েছে। এ নিয়ে চিন্তায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন তার স্ত্রী। কনস্টেবল তোফাজ্জল স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
তবে পুলিশ বলছে, তার স্ত্রীর দাবি সঠিক কি না সেটা যাচাই করা হচ্ছে। পারিবারিক কোনো কলহ বা আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তিনি পুলিশের এসবি শাখার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে তার পরিবারের সদস্যরা বলছে যে করোনা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত ছিলেন। যদিও গত ২৯ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর এবং তিনিও সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এ কারণেই আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনার আক্রান্তর দুশ্চিন্তায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক : রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকার তিলপাড়ায় বাসার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তোফাজ্জল হোসেন (৪৫) নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহননের পথে বেচে নিলেন। করোনাভাইরাসের দুশ্চিন্তায় তিনি এ পথ বেচে নেবার কথা জানান তার পরিবার। সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় খিলগাঁও তিলপাড়ার ১৬৮/এ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। তোফাজ্জল হোসেন পুলিশের এসবি শাখার কন্সটেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত তোফাজ্জল বাসা থেকে দরজা খুলে বের যাওয়ার কিছু সময় পর পাঁচ তলার ছাদ থেকে ভারী কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান তার স্ত্রী। এরপর বাসার অন্যরা বের হয়ে দেখেন বাসার সামনের রাস্তায় তোফাজ্জলের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি করোনা টেস্টে তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু তিনি ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। সবসময়ই দুশ্চিন্তায় থাকতেন যে, হয়তোবা তার করোনা হয়েছে। এ নিয়ে চিন্তায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন তার স্ত্রী। কনস্টেবল তোফাজ্জল স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
তবে পুলিশ বলছে, তার স্ত্রীর দাবি সঠিক কি না সেটা যাচাই করা হচ্ছে। পারিবারিক কোনো কলহ বা আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তিনি পুলিশের এসবি শাখার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে তার পরিবারের সদস্যরা বলছে যে করোনা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত ছিলেন। যদিও গত ২৯ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর এবং তিনিও সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এ কারণেই আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।