ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি: সালাহউদ্দিন আহমদ হাসিনা আপনাদের রেখে ভারতে পালিয়েছেন, জনগণকে রেখে গেছেন বিপদে: মির্জা ফখরুল একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: তারেক রহমান দুই সন্তানকে বুকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, মুহূর্তেই নিভে গেল মায়ের পৃথিবী নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৩ দিনের ছুটি, ভোটের আমেজে দেশ আদানির সঙ্গে চুক্তি জাতীয় স্বার্থবিরোধী, বছরে বাড়তি নিচ্ছে ৫-৬ হাজার কোটি টাকা মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ফুটবলের পর ফুটসালেও সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, সাবিনাকে নিয়ে গর্বিত বাফুফে সভাপতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি, ভারতের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের

উত্তরম-মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবণতির বার্তা

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, ভারীবর্ষণ মিলিয়ে প্রধান নদ-নদীর জল ফুঁসে ওঠেছে। রাতপোহালেই জলমগ্ন হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বানভাসী মানুষের ঠাই নিয়েছেন উচুস্থান ও বেড়ি বাধে। অনেকে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে রয়েছে গিয়েছেন নিজ বাড়িতে।

বেশ কয়েক দিন আগেই থেকেই উজালের ঢলে উত্তরজনপদের বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছিল। দিনে দিনে তা আরও অবনতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে উত্তরের আট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে

গিয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। দেশের পাঁচটি নদীর আটটি পয়েন্টের জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী

আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেছেন, উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারীবর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছে। উত্তরজনপদের সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্ছলের বন্যাপরিস্থিতিও অভণতি ঘটছে। আগামী দশ দিনের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই প্রকৌশলী।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মার জল বেড়ে চলেছে। যা অব্যাহত থাকতে পারে। স্থিতিশীল থাকতে পারে তিস্তা জল। সোমবারের মধ্যে কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী,

ফরিদপুর ও শরিয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পূর্বাভাস। এ সময় যমুনার জল সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে এবং ধলেশ্বরী নদীর জল এলাসিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে

পারে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যমেয়াদি এক পূর্বাভাসে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ আগস্টের মধ্যে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ স্টেশন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর স্টেশনে জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। মানিকগঞ্জের

আরিচা স্টেশন, সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ স্টেশন এবং টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাট স্টেশনেও জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে এসব স্থানের কোথাও কোথাও জল বিপৎসীমা

ছাড়িয়েছে। গঙ্গা নদীর জল আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পদ্মার জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে ও শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে জল আগামী সাত দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। যার ফলে চলমান বন্যা পরিস্থিতি আগামী সাত দিন অব্যাহত

থাকবে। মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল এবং মাওয়া পয়েন্টে জল ২৫ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে জল বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উত্তরম-মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবণতির বার্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, ভারীবর্ষণ মিলিয়ে প্রধান নদ-নদীর জল ফুঁসে ওঠেছে। রাতপোহালেই জলমগ্ন হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বানভাসী মানুষের ঠাই নিয়েছেন উচুস্থান ও বেড়ি বাধে। অনেকে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে রয়েছে গিয়েছেন নিজ বাড়িতে।

বেশ কয়েক দিন আগেই থেকেই উজালের ঢলে উত্তরজনপদের বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছিল। দিনে দিনে তা আরও অবনতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে উত্তরের আট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে

গিয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। দেশের পাঁচটি নদীর আটটি পয়েন্টের জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী

আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেছেন, উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারীবর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছে। উত্তরজনপদের সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্ছলের বন্যাপরিস্থিতিও অভণতি ঘটছে। আগামী দশ দিনের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই প্রকৌশলী।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মার জল বেড়ে চলেছে। যা অব্যাহত থাকতে পারে। স্থিতিশীল থাকতে পারে তিস্তা জল। সোমবারের মধ্যে কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী,

ফরিদপুর ও শরিয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পূর্বাভাস। এ সময় যমুনার জল সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে এবং ধলেশ্বরী নদীর জল এলাসিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে

পারে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যমেয়াদি এক পূর্বাভাসে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ আগস্টের মধ্যে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ স্টেশন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর স্টেশনে জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। মানিকগঞ্জের

আরিচা স্টেশন, সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ স্টেশন এবং টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাট স্টেশনেও জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে এসব স্থানের কোথাও কোথাও জল বিপৎসীমা

ছাড়িয়েছে। গঙ্গা নদীর জল আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পদ্মার জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে ও শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে জল আগামী সাত দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। যার ফলে চলমান বন্যা পরিস্থিতি আগামী সাত দিন অব্যাহত

থাকবে। মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল এবং মাওয়া পয়েন্টে জল ২৫ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে জল বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।