ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমদানি বৃদ্ধি ও পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যঘাটতি বেড়ে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না ইরান চারুকলায় বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতি: দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ পাহাড়ে বৈসুর প্রস্তুতি: গরাইয়া নাচে মাতোয়ারা ত্রিপুরাপাড়া ইরানের আঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো কার্যত অকার্যকর শর্ত মেনে : হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান জ্বালানিতে স্বস্তি: ১৫ এপ্রিল এলএনজি-এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে আরও ৫ জাহাজ জুলাইযোদ্ধা : আবু সাঈদ ভেবেছিলেন সামনে মানুষ, কিন্তু তারা অমানুষ হয়ে গিয়েছিল জাতীয় কবির জন্মোৎসব উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট গবেষণা গবেষণা : জলবায়ুঝুঁকিতে খুলনার কয়রার ৯৭ ভাগ পরিবার, বেশি ভুগছেন নারীরা

ঈদে মুরগির দাম বৃদ্ধির কারণ জানালো বিপিএ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫ ২২১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুরগির দাম বৃদ্ধির পেছনে যে কারণগুলো রয়েছে, তা দেশের পোল্ট্রি খামারিদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক সময়ে মুরগির বাজারদর বেড়েছে, তার পেছনে রয়েছে করপোরেট কোম্পানির সিন্ডিকেট ও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির একটি জটিল সম্পর্ক।

ডিম-মুরগির দাম বাড়লেই সকল মহলে হইচই পড়ে যায়, বাজারে অভিযান পরিচালিত হয়। অথচ ফিড ও বাচ্চার দাম বাড়লেও সরকার নীরব। এটা কি দ্বৈত নীতি নয়? বড় কোম্পানিগুলো সিন্ডিকেট করে ফিড মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

যদি ডিম-মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চলে, তবে ফিড ও বাচ্চার বাজারেও একইভাবে অভিযান চালিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো উচিত। নইলে খামারিরা টিকে থাকবে কীভাবে? বাজার অস্থিরতা কাটবে না।

শনিবার বাংলাদেশ পোল্টি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সভাপতি সুমন হাওলদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ১ কেজি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে প্রান্তিক খামারিদের ব্যয় ১৭০-১৮০ টাকা, যেখানে করপোরেট কোম্পানির উৎপাদন খরচ ১৩০-১৩৫ টাকা। ফলে প্রতি কেজিতে প্রায় ৩০-৪০ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে ক্ষুদ্র খামারিদের।

উৎপাদন খরচের এই বৈষম্যের কারণে তারা বাজারে প্রতিযোগিতায় আসতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত লোকসানের মুখে পড়ছেন। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মুরগির বাচ্চার দাম ছিল ৪৫-৫৫ টাকা, সেসময় ১ কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১৫৫ টাকা, আর বাজারদর ছিল ১৮০-১৯০ টাকা।

বর্তমানে মুরগির বাচ্চার দাম বেড়ে ৭০-৮০ টাকা আর উৎপাদন খরচ ১৭০-১৮০ টাকায় পৌছেছে। বাজারে মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকায়, যা অনেকের কাছে ন্যায্য মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে প্রান্তিক খামারিরা লাভবান হচ্ছেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুরগির বাচ্চার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পোল্ট্রি শিল্পে সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ। ঈদের আগে হঠাৎ করেই বাচ্চার দাম ৪৫-৫৫ টাকা থেকে ৭০-৮০ টাকায় বেড়ে গেছে।

ফলে খামারিদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়েছে, অথচ করপোরেট কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে কম দামে উৎপাদন করতে পারছে। কোম্পানিগুলো নিজেদের মুনাফা বাড়ানোর জন্য বাচ্চার দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে, যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদে মুরগির দাম বৃদ্ধির কারণ জানালো বিপিএ

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুরগির দাম বৃদ্ধির পেছনে যে কারণগুলো রয়েছে, তা দেশের পোল্ট্রি খামারিদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক সময়ে মুরগির বাজারদর বেড়েছে, তার পেছনে রয়েছে করপোরেট কোম্পানির সিন্ডিকেট ও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির একটি জটিল সম্পর্ক।

ডিম-মুরগির দাম বাড়লেই সকল মহলে হইচই পড়ে যায়, বাজারে অভিযান পরিচালিত হয়। অথচ ফিড ও বাচ্চার দাম বাড়লেও সরকার নীরব। এটা কি দ্বৈত নীতি নয়? বড় কোম্পানিগুলো সিন্ডিকেট করে ফিড মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

যদি ডিম-মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চলে, তবে ফিড ও বাচ্চার বাজারেও একইভাবে অভিযান চালিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো উচিত। নইলে খামারিরা টিকে থাকবে কীভাবে? বাজার অস্থিরতা কাটবে না।

শনিবার বাংলাদেশ পোল্টি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) সভাপতি সুমন হাওলদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ১ কেজি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে প্রান্তিক খামারিদের ব্যয় ১৭০-১৮০ টাকা, যেখানে করপোরেট কোম্পানির উৎপাদন খরচ ১৩০-১৩৫ টাকা। ফলে প্রতি কেজিতে প্রায় ৩০-৪০ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে ক্ষুদ্র খামারিদের।

উৎপাদন খরচের এই বৈষম্যের কারণে তারা বাজারে প্রতিযোগিতায় আসতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত লোকসানের মুখে পড়ছেন। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মুরগির বাচ্চার দাম ছিল ৪৫-৫৫ টাকা, সেসময় ১ কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১৫৫ টাকা, আর বাজারদর ছিল ১৮০-১৯০ টাকা।

বর্তমানে মুরগির বাচ্চার দাম বেড়ে ৭০-৮০ টাকা আর উৎপাদন খরচ ১৭০-১৮০ টাকায় পৌছেছে। বাজারে মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকায়, যা অনেকের কাছে ন্যায্য মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে প্রান্তিক খামারিরা লাভবান হচ্ছেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুরগির বাচ্চার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পোল্ট্রি শিল্পে সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ। ঈদের আগে হঠাৎ করেই বাচ্চার দাম ৪৫-৫৫ টাকা থেকে ৭০-৮০ টাকায় বেড়ে গেছে।

ফলে খামারিদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়েছে, অথচ করপোরেট কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে কম দামে উৎপাদন করতে পারছে। কোম্পানিগুলো নিজেদের মুনাফা বাড়ানোর জন্য বাচ্চার দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে, যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।