ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তার অনুমোদন না দেয়নি। ফলে সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে গেছে। আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের

পার্লামেন্ট অবস্থান পাল্টালে ফের শুরু হতে পারে। আপাতত ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা স্থগিত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন কিরবি।

 

তিনি বলেন, আমরা সহায়তা প্যাকেজ সংক্রান্ত সর্বশেষ যে বিলটি কংগ্রেসে পাঠিয়েছিলাম, তা অনুমোদিত হয়নি। এ জন্য আপাতত ইউক্রেনে

আমাদের সামরিক সহায়তা স্থগিত রয়েছে। কংগ্রেস যদি ভবিষ্যতে অবস্থান পরিবর্তন করে, ফের তা শুরু হবে।

মিত্র দেশগুলো সামরিক সহায়তা পাঠাতে ১০ হাজার কোটি ডলার চেয়ে কংগ্রেসে গত ডিসেম্বরে একটি বিল পাঠায় বাইডেন প্রশাসন। বিলটির

মধ্যে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ হাজার কোটি ডলার। কিন্তু সেই বিলটি আটকে দিয়েছে কংগ্রেস।

সমরাস্ত্র উৎপাদন ও পরিবহনে জটিলতার কারণে কিয়েভকে সহায়তা দিতে পারছে না ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোও।

তবে ইউক্রেনকে বড় অঙ্কের সামরিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউক্রেনকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাজ্য।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আগামী অর্থবছরে যুক্তরাজ্য তাদের সহায়তা বাড়িয়ে ২.৫ বিলিয়ন পাউন্ড বা ৩.১৯ ডলার করবে; যা

গত বছরের চেয়ে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড বেশি।

ব্রিটেন জানিয়েছে, অন্যান্য যেকোনো দেশের চেয়ে ইউক্রেনকে সবচেয়ে বেশি ড্রোন দেবে তারা। যেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিটেনে উৎপাদিত।

এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য দেশটিকে আরও বেশি ড্রোন দেয়ার জন্য ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে।

ঋষি সুনাকের কার্যালয় বলেছে, ইউক্রেনকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তার আশ্বাস প্রদানের জন্য সাতটি দেশের গ্রুপের একটি চুক্তির পর যুক্তরাজ্য ও ইউক্রেন নিরাপত্তা সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তার অনুমোদন না দেয়নি। ফলে সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে গেছে। আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের

পার্লামেন্ট অবস্থান পাল্টালে ফের শুরু হতে পারে। আপাতত ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা স্থগিত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন কিরবি।

 

তিনি বলেন, আমরা সহায়তা প্যাকেজ সংক্রান্ত সর্বশেষ যে বিলটি কংগ্রেসে পাঠিয়েছিলাম, তা অনুমোদিত হয়নি। এ জন্য আপাতত ইউক্রেনে

আমাদের সামরিক সহায়তা স্থগিত রয়েছে। কংগ্রেস যদি ভবিষ্যতে অবস্থান পরিবর্তন করে, ফের তা শুরু হবে।

মিত্র দেশগুলো সামরিক সহায়তা পাঠাতে ১০ হাজার কোটি ডলার চেয়ে কংগ্রেসে গত ডিসেম্বরে একটি বিল পাঠায় বাইডেন প্রশাসন। বিলটির

মধ্যে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ হাজার কোটি ডলার। কিন্তু সেই বিলটি আটকে দিয়েছে কংগ্রেস।

সমরাস্ত্র উৎপাদন ও পরিবহনে জটিলতার কারণে কিয়েভকে সহায়তা দিতে পারছে না ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোও।

তবে ইউক্রেনকে বড় অঙ্কের সামরিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউক্রেনকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাজ্য।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আগামী অর্থবছরে যুক্তরাজ্য তাদের সহায়তা বাড়িয়ে ২.৫ বিলিয়ন পাউন্ড বা ৩.১৯ ডলার করবে; যা

গত বছরের চেয়ে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড বেশি।

ব্রিটেন জানিয়েছে, অন্যান্য যেকোনো দেশের চেয়ে ইউক্রেনকে সবচেয়ে বেশি ড্রোন দেবে তারা। যেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিটেনে উৎপাদিত।

এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য দেশটিকে আরও বেশি ড্রোন দেয়ার জন্য ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে।

ঋষি সুনাকের কার্যালয় বলেছে, ইউক্রেনকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তার আশ্বাস প্রদানের জন্য সাতটি দেশের গ্রুপের একটি চুক্তির পর যুক্তরাজ্য ও ইউক্রেন নিরাপত্তা সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে।