শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

অমিক্রন সংক্রমিত উপসর্গ মৃদু

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশ: সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৫৯ জন দেখেছেন

ছবি সংগ্রহ

বিভিন্ন দেশকে ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অমিক্রন ডেলটার চেয়ে প্রাণঘাতী নয়, এতে সংক্রমিত ব্যক্তির উপসর্গ ‘খুবই মৃদু’ প্রকৃতির আত্মবিশ্বাসী হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও করোনা মহামারিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। এখনও পর্যন্ত এটি কারণে আফ্রিকার কোথাও কোভিড-১৯-এ মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যায়নি’

প্রায় দু’বছরে ধরে বেশ ভুগিয়েছে করোনার বেশ কয়েকটি ধরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে ডেল্টা ধরণই

ছিলো মারাত্মক। সব ধরণ কাটিয়ে পৃথিবী যখন পরিচিত ছন্দে ফিরছে, তখন আফ্রিকায় ফের

দেখা মিললো করোনার নতুন ‘অমিওক্রন’! তবে এই ধরণে সংক্রমিত ব্যক্তির উপসর্গ ‘খুবই মৃদু’

প্রকৃতির এবং এখন পর্যন্ত এটির কারণে আফ্রিকার কোথাও কোভিড-১৯-এ মৃত্যুর হার বেড়ে

যাওয়ার লক্ষণ দেখা যায়নি। অমিক্রন নিয়ে এমন ধারণায় ক্রমেই বেশি আত্মবিশ্বাসী হচ্ছে বিশ্ব

স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও করোনা মহামারিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে করোনার নতুন এ

ধরনটি নিয়ে চলা আতঙ্কের মধ্যে কিছু স্বস্তির ভাবও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বৃহস্পতিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সেই সঙ্গে পরামর্শ দিয়েছে আতঙ্কিত না হওয়ার। ডব্লিউএইচও বলেছে, দেশগুলোকে ভ্রমণ

বিধিনিষেধ আরোপ ও আতঙ্ক ছড়ানোর পরিবর্তে সতর্ক আশাবাদী হওয়া প্রয়োজন। কেননা

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যত বেশি খবর সংগৃহীত হচ্ছে, তাতে এই ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে যে

করোনার নতুন ধরন অমিক্রন আগের বিপজ্জনক ডেলটা ধরনের চেয়ে বেশি প্রাণঘাতী

নয়। খবরে বলা হয়, অমিক্রনে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বা মারা যাওয়ার

তথ্য পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এই

ধরনটিতে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীর প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা ও নাড়ির

স্পন্দনের উচ্চ হারের মতো উপসর্গ বিরল। অমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। এর পর

এর সংক্রমণ অন্তত ২৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়ার তথ্য রয়েছে। অমিক্রনের ভয়াবহতা সম্পর্কে

দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি বলেছেন,

 

দেশগুলোর এই প্রতিক্রিয়া চিকিৎসাগত দৃষ্টিকোণ থেকে যথাযথ মনে হলেও তা যুক্তিযুক্ত নয়।

যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশের প্রতিক্রিয়াকে ‘শুধুই হইচই’ বা অতিরিক্ত বলে

মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্ব সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, অমিক্রন ধরনের সংক্রমণের মধ্য দিয়ে

দক্ষিণ আফ্রিকা করোনা মহামারির চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করেছে। তবে হাসপাতালগুলোতে এখনো

চাপ তৈরি হয়নি বলে জানান দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা। শুক্রবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জো

ফাহলা বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার নয়টি প্রদেশের মধ্যে সাতটিতে নতুন এই ধরনের অস্তিত্ব পাওয়া

গেছে। আশা করা হচ্ছে, এ ধরন খুব বেশি মানুষের প্রাণ নিতে পারবে না। তিনি দেশবাসীকে

টিকার দুই ডোজই নেওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, এটিই অমিক্রনের বিরুদ্ধে সেরা সুরক্ষা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223