ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

সমলিঙ্গ বিবাহ স্বীকৃতি পাচ্ছে নেপালে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নেপালে কি স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে সমলিঙ্গ বিবাহ? এমন জল্পনা উস্কে দিয়ে সম্প্রতি নেপাল সুপ্রিম কোর্ট সমলিঙ্গ বিবাহের রেজিস্ট্রেশন শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত রায় দেয়নি শীর্ষ আদালত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমলিঙ্গ বিবাহের নথিভুক্তিকরণ চালিয়ে যেতে বলেছে আদালত। আদালতের এই অন্তর্বর্তিকালীন নির্দেশকে ‘বড় জয়’ বলে মনে করছে নেপালের সমকামীদের অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি তিল প্রসাদ শ্রেষ্ঠার বেঞ্চ একটি নির্দেশে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভাকে সমলিঙ্গ বিবাহের রেজিস্ট্রেশন শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সমকামী দম্পতিদের সমান সুযোগ এবং অধিকার দেওয়ার দাবিতে সম্প্রতি নেপালের সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল।

সেই মামলার শুনানিতেই সরকারকে নির্দেশ। এই বিষয়ে নেপাল সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তা ১৫ দিনের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের বক্তব্য শোনার পরেই সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে চাইছে আদালত।

২০১৫ সালে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশনামায় জানায়, লিঙ্গ এবং যৌন সংক্রান্ত বিষয়ে সংখ্যালঘু মানুষদের ওপর প্রযুক্ত সমস্ত ‘বৈষম্যমূলক’ আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে সমলিঙ্গ বিবাহের জন্য আলাদা আইন তৈরির কথাও বলে আদালত। কিন্তু অভিযোগ, তার পরে দেশের কোনও সরকারই এই বিষয়ে অগ্রসর হয়নি।

নেপালে নাগরিক অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের একাংশের অভিযোগ, সে দেশের বর্তমান আইনে বিবাহ সংক্রান্ত আইন ‘বৈষম্যমূলক’। তার কারণ হিসাবে তাঁদের যুক্তি, নেপালের বর্তমান আইন মোতাবেক, বিবাহ কেবল নারী এবং পুরুষের মধ্যেই হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের এই অন্তর্র্বতী নির্দেশের পর সে দেশে সমকামী যুগলদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্লু ডায়মন্ড’-এর সভাপতি পিঙ্কি গুরুং ‘কাঠমান্ডু পোস্ট’কে বলেছেন, আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এটা ঐতিহাসিক রায়। শতাধিক দম্পতি এর ফলে উপকৃত হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সমলিঙ্গ বিবাহ স্বীকৃতি পাচ্ছে নেপালে?

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নেপালে কি স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে সমলিঙ্গ বিবাহ? এমন জল্পনা উস্কে দিয়ে সম্প্রতি নেপাল সুপ্রিম কোর্ট সমলিঙ্গ বিবাহের রেজিস্ট্রেশন শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত রায় দেয়নি শীর্ষ আদালত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমলিঙ্গ বিবাহের নথিভুক্তিকরণ চালিয়ে যেতে বলেছে আদালত। আদালতের এই অন্তর্বর্তিকালীন নির্দেশকে ‘বড় জয়’ বলে মনে করছে নেপালের সমকামীদের অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি তিল প্রসাদ শ্রেষ্ঠার বেঞ্চ একটি নির্দেশে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভাকে সমলিঙ্গ বিবাহের রেজিস্ট্রেশন শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সমকামী দম্পতিদের সমান সুযোগ এবং অধিকার দেওয়ার দাবিতে সম্প্রতি নেপালের সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল।

সেই মামলার শুনানিতেই সরকারকে নির্দেশ। এই বিষয়ে নেপাল সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তা ১৫ দিনের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের বক্তব্য শোনার পরেই সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে চাইছে আদালত।

২০১৫ সালে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশনামায় জানায়, লিঙ্গ এবং যৌন সংক্রান্ত বিষয়ে সংখ্যালঘু মানুষদের ওপর প্রযুক্ত সমস্ত ‘বৈষম্যমূলক’ আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে সমলিঙ্গ বিবাহের জন্য আলাদা আইন তৈরির কথাও বলে আদালত। কিন্তু অভিযোগ, তার পরে দেশের কোনও সরকারই এই বিষয়ে অগ্রসর হয়নি।

নেপালে নাগরিক অধিকার রক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের একাংশের অভিযোগ, সে দেশের বর্তমান আইনে বিবাহ সংক্রান্ত আইন ‘বৈষম্যমূলক’। তার কারণ হিসাবে তাঁদের যুক্তি, নেপালের বর্তমান আইন মোতাবেক, বিবাহ কেবল নারী এবং পুরুষের মধ্যেই হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের এই অন্তর্র্বতী নির্দেশের পর সে দেশে সমকামী যুগলদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্লু ডায়মন্ড’-এর সভাপতি পিঙ্কি গুরুং ‘কাঠমান্ডু পোস্ট’কে বলেছেন, আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এটা ঐতিহাসিক রায়। শতাধিক দম্পতি এর ফলে উপকৃত হবেন।