ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায় : অনামিকা রিটা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

শিল্প ও সমাজ সেবক অনামিকা রিটা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিল্পীরা সমাজের হৃদস্পন্দন, সুরের আত্মা। তারা নরম কমল ছায়ায় বসবাস করেন—যেখানে সুর, তাল ও লয়ের সাধনায় গড়ে ওঠে জীবনের মধুরতম রূপ।

তাঁদের সৃষ্টিতে মানুষ খুঁজে পায় আনন্দ, প্রশান্তি আর জীবনের আসল সৌন্দর্য

আমিনুল হক, ঢাকা

অনামিকা রিটা একাধারে একজন শিল্পী ও সমাজ সেবক। বহুমুখী প্রতিভার এই নারী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে ভাবেন, তাদের উন্নয়নে কিছু করার চেষ্টা করেন। সহজ-সরল বন্ধু বাৎসল রিটার মুখে সবসময় লেগে থাকে স্মিত হাসি। সাংগঠনিক চেতনা থেকেই সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছেন নিজেকে।

প্রত্যুষে এই কোমলমতি মানুষটি এক সামাজিক পোস্টে বলেন, শিল্পীরা নরম কমল ছায়ায় থাকা খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের জীবন জড়িয়ে আছে সুর, তাল আর লয়ের অনন্ত সাধনায়। তারা কেবল গানে নয়, সমাজের হৃদয়ে সুরের স্পন্দন জাগিয়ে তোলেন। একজন শিল্পী কোনো দলের নয়, কোনো মতের নয়—তিনি জাতির, তিনি মানবতার। দল বদল হয়, ক্ষমতার পালা বদল হয়, কিন্তু শিল্পী বদলান না; কারণ তাঁর সত্তা সুরের, তাঁর ধর্ম শিল্প।

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায়
অনামিকা রিটা

গানের মানুষরা নিজেদের সুখ-দুঃখ ভুলে অন্যের মুখে হাসি ফোটান, মন ভরিয়ে দেন আনন্দে। তাই শিল্পীর সম্মান ও সন্মানীর প্রতি আমাদের গভীর দৃষ্টি থাকা উচিত। যিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুরের জাদুতে হাজার মানুষের মন ছুঁয়ে যান, তাঁর পরিশ্রমের মূল্য যেন যথাযথভাবে দেওয়া হয়—এটাই সভ্য সমাজের পরিচয়।

গান ভালোবাসে না এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে; সুরের টানেই মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসে, মন খুঁজে পায় প্রশান্তি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যাদের কারণে এই আনন্দের উৎসব, সেই শিল্পীরাই অনেক সময় উপেক্ষিত। শিল্পী ঘরে ঘরে জন্মায় না—তাঁদের তৈরি হতে হয় বছরের পর বছর সাধনা, ধৈর্য আর ত্যাগের ভেতর দিয়ে।

সৃষ্টি কর্তা যাঁর অন্তরে সুর, তাল ও লয়ের আশীর্বাদ দেন, তিনিই সত্যিকার সুরসম্রাজ্ঞী বা সুরসম্রাট। শিল্পী সমাজের আলোকবর্তিকা, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসাই আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায় : অনামিকা রিটা

আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

শিল্পীরা সমাজের হৃদস্পন্দন, সুরের আত্মা। তারা নরম কমল ছায়ায় বসবাস করেন—যেখানে সুর, তাল ও লয়ের সাধনায় গড়ে ওঠে জীবনের মধুরতম রূপ।

তাঁদের সৃষ্টিতে মানুষ খুঁজে পায় আনন্দ, প্রশান্তি আর জীবনের আসল সৌন্দর্য

আমিনুল হক, ঢাকা

অনামিকা রিটা একাধারে একজন শিল্পী ও সমাজ সেবক। বহুমুখী প্রতিভার এই নারী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে ভাবেন, তাদের উন্নয়নে কিছু করার চেষ্টা করেন। সহজ-সরল বন্ধু বাৎসল রিটার মুখে সবসময় লেগে থাকে স্মিত হাসি। সাংগঠনিক চেতনা থেকেই সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছেন নিজেকে।

প্রত্যুষে এই কোমলমতি মানুষটি এক সামাজিক পোস্টে বলেন, শিল্পীরা নরম কমল ছায়ায় থাকা খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের জীবন জড়িয়ে আছে সুর, তাল আর লয়ের অনন্ত সাধনায়। তারা কেবল গানে নয়, সমাজের হৃদয়ে সুরের স্পন্দন জাগিয়ে তোলেন। একজন শিল্পী কোনো দলের নয়, কোনো মতের নয়—তিনি জাতির, তিনি মানবতার। দল বদল হয়, ক্ষমতার পালা বদল হয়, কিন্তু শিল্পী বদলান না; কারণ তাঁর সত্তা সুরের, তাঁর ধর্ম শিল্প।

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায়
অনামিকা রিটা

গানের মানুষরা নিজেদের সুখ-দুঃখ ভুলে অন্যের মুখে হাসি ফোটান, মন ভরিয়ে দেন আনন্দে। তাই শিল্পীর সম্মান ও সন্মানীর প্রতি আমাদের গভীর দৃষ্টি থাকা উচিত। যিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুরের জাদুতে হাজার মানুষের মন ছুঁয়ে যান, তাঁর পরিশ্রমের মূল্য যেন যথাযথভাবে দেওয়া হয়—এটাই সভ্য সমাজের পরিচয়।

গান ভালোবাসে না এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে; সুরের টানেই মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসে, মন খুঁজে পায় প্রশান্তি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যাদের কারণে এই আনন্দের উৎসব, সেই শিল্পীরাই অনেক সময় উপেক্ষিত। শিল্পী ঘরে ঘরে জন্মায় না—তাঁদের তৈরি হতে হয় বছরের পর বছর সাধনা, ধৈর্য আর ত্যাগের ভেতর দিয়ে।

সৃষ্টি কর্তা যাঁর অন্তরে সুর, তাল ও লয়ের আশীর্বাদ দেন, তিনিই সত্যিকার সুরসম্রাজ্ঞী বা সুরসম্রাট। শিল্পী সমাজের আলোকবর্তিকা, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসাই আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তি।