ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০ ডিসেম্বর রেকর্ড হবে সিইসির ভাষণ, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা জোরালো ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিস্তৃত সংস্কার : কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ডিএফপিতে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত অন্তর্ভূক্তিমূলক সুরক্ষার অভাবে বাড়ছে শিশুদের অনলাইন যৌন শোষণ এই সপ্তাহেই নির্বাচনি তফসিল, ভোটের সময় বাড়ছে এক ঘণ্টা শিশুশ্রম নিষিদ্ধে আইন নীতিমালা সংশোধনের দাবি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় নির্বাচনের আগে-পরে এক মাস সেনা মোতায়েনের দাবি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ঢাকায় মৈত্রী দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন ভারত বাদ, বাংলাদেশ-চীনসহ কয়েকটি দেশ নিয়ে আলাদা জোট করতে চায় পাকিস্তান

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায় : অনামিকা রিটা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ১১০ বার পড়া হয়েছে

শিল্প ও সমাজ সেবক অনামিকা রিটা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিল্পীরা সমাজের হৃদস্পন্দন, সুরের আত্মা। তারা নরম কমল ছায়ায় বসবাস করেন—যেখানে সুর, তাল ও লয়ের সাধনায় গড়ে ওঠে জীবনের মধুরতম রূপ।

তাঁদের সৃষ্টিতে মানুষ খুঁজে পায় আনন্দ, প্রশান্তি আর জীবনের আসল সৌন্দর্য

আমিনুল হক, ঢাকা

অনামিকা রিটা একাধারে একজন শিল্পী ও সমাজ সেবক। বহুমুখী প্রতিভার এই নারী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে ভাবেন, তাদের উন্নয়নে কিছু করার চেষ্টা করেন। সহজ-সরল বন্ধু বাৎসল রিটার মুখে সবসময় লেগে থাকে স্মিত হাসি। সাংগঠনিক চেতনা থেকেই সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছেন নিজেকে।

প্রত্যুষে এই কোমলমতি মানুষটি এক সামাজিক পোস্টে বলেন, শিল্পীরা নরম কমল ছায়ায় থাকা খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের জীবন জড়িয়ে আছে সুর, তাল আর লয়ের অনন্ত সাধনায়। তারা কেবল গানে নয়, সমাজের হৃদয়ে সুরের স্পন্দন জাগিয়ে তোলেন। একজন শিল্পী কোনো দলের নয়, কোনো মতের নয়—তিনি জাতির, তিনি মানবতার। দল বদল হয়, ক্ষমতার পালা বদল হয়, কিন্তু শিল্পী বদলান না; কারণ তাঁর সত্তা সুরের, তাঁর ধর্ম শিল্প।

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায়
অনামিকা রিটা

গানের মানুষরা নিজেদের সুখ-দুঃখ ভুলে অন্যের মুখে হাসি ফোটান, মন ভরিয়ে দেন আনন্দে। তাই শিল্পীর সম্মান ও সন্মানীর প্রতি আমাদের গভীর দৃষ্টি থাকা উচিত। যিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুরের জাদুতে হাজার মানুষের মন ছুঁয়ে যান, তাঁর পরিশ্রমের মূল্য যেন যথাযথভাবে দেওয়া হয়—এটাই সভ্য সমাজের পরিচয়।

গান ভালোবাসে না এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে; সুরের টানেই মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসে, মন খুঁজে পায় প্রশান্তি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যাদের কারণে এই আনন্দের উৎসব, সেই শিল্পীরাই অনেক সময় উপেক্ষিত। শিল্পী ঘরে ঘরে জন্মায় না—তাঁদের তৈরি হতে হয় বছরের পর বছর সাধনা, ধৈর্য আর ত্যাগের ভেতর দিয়ে।

সৃষ্টি কর্তা যাঁর অন্তরে সুর, তাল ও লয়ের আশীর্বাদ দেন, তিনিই সত্যিকার সুরসম্রাজ্ঞী বা সুরসম্রাট। শিল্পী সমাজের আলোকবর্তিকা, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসাই আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায় : অনামিকা রিটা

আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

শিল্পীরা সমাজের হৃদস্পন্দন, সুরের আত্মা। তারা নরম কমল ছায়ায় বসবাস করেন—যেখানে সুর, তাল ও লয়ের সাধনায় গড়ে ওঠে জীবনের মধুরতম রূপ।

তাঁদের সৃষ্টিতে মানুষ খুঁজে পায় আনন্দ, প্রশান্তি আর জীবনের আসল সৌন্দর্য

আমিনুল হক, ঢাকা

অনামিকা রিটা একাধারে একজন শিল্পী ও সমাজ সেবক। বহুমুখী প্রতিভার এই নারী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে ভাবেন, তাদের উন্নয়নে কিছু করার চেষ্টা করেন। সহজ-সরল বন্ধু বাৎসল রিটার মুখে সবসময় লেগে থাকে স্মিত হাসি। সাংগঠনিক চেতনা থেকেই সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছেন নিজেকে।

প্রত্যুষে এই কোমলমতি মানুষটি এক সামাজিক পোস্টে বলেন, শিল্পীরা নরম কমল ছায়ায় থাকা খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের জীবন জড়িয়ে আছে সুর, তাল আর লয়ের অনন্ত সাধনায়। তারা কেবল গানে নয়, সমাজের হৃদয়ে সুরের স্পন্দন জাগিয়ে তোলেন। একজন শিল্পী কোনো দলের নয়, কোনো মতের নয়—তিনি জাতির, তিনি মানবতার। দল বদল হয়, ক্ষমতার পালা বদল হয়, কিন্তু শিল্পী বদলান না; কারণ তাঁর সত্তা সুরের, তাঁর ধর্ম শিল্প।

শিল্পীরা সুরের আত্মা, তাদের বাস কমল ছায়ায়
অনামিকা রিটা

গানের মানুষরা নিজেদের সুখ-দুঃখ ভুলে অন্যের মুখে হাসি ফোটান, মন ভরিয়ে দেন আনন্দে। তাই শিল্পীর সম্মান ও সন্মানীর প্রতি আমাদের গভীর দৃষ্টি থাকা উচিত। যিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুরের জাদুতে হাজার মানুষের মন ছুঁয়ে যান, তাঁর পরিশ্রমের মূল্য যেন যথাযথভাবে দেওয়া হয়—এটাই সভ্য সমাজের পরিচয়।

গান ভালোবাসে না এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে; সুরের টানেই মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসে, মন খুঁজে পায় প্রশান্তি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যাদের কারণে এই আনন্দের উৎসব, সেই শিল্পীরাই অনেক সময় উপেক্ষিত। শিল্পী ঘরে ঘরে জন্মায় না—তাঁদের তৈরি হতে হয় বছরের পর বছর সাধনা, ধৈর্য আর ত্যাগের ভেতর দিয়ে।

সৃষ্টি কর্তা যাঁর অন্তরে সুর, তাল ও লয়ের আশীর্বাদ দেন, তিনিই সত্যিকার সুরসম্রাজ্ঞী বা সুরসম্রাট। শিল্পী সমাজের আলোকবর্তিকা, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসাই আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তি।