ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি

রাস্তা প্রশস্ত করার লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলতে থাকবে: মেয়র আতিকুল ইসলাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

রাস্তা প্রশস্ত করার লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলতে থাকবে: মেয়র আতিকুল ইসলাম

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

উত্তরা আজমপুর রেললাইন সংলগ্ন দক্ষিণ আজমপুর জামতলা এলাকায় রাস্তার উপরের অবৈধ ২৫টি দোকান উচ্ছেদ ও ৬টি বহুতল ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। সোমবার (১০ জুন) দুপুর আড়াইটায় এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। ডিএনসিসি মেয়রের উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করেন ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

সাংবাদিকদের মতবিনিময়কালে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘দক্ষিণখান ও উত্তরখান এলাকার সরু রাস্তা ও জলাবদ্ধতা প্রধান দুটি সমস্যা। এই এলাকার রাস্তা প্রশস্তকরণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ নির্মাণ প্রকল্প চলমান। সবার দাবি যেন দ্রুত এই দুটি সমস্যা সমাধান করা হয়। কিন্তু রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য মানুষ জায়গা ছাড়ছে না। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ড্রেনেজ নির্মাণ করা যাচ্ছে না। অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ করে রেখেছে। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং রাস্তা প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চলতে থাকবে।’

মেয়র বলেন, ‘রাজউক থেকে যখন অনুমোদন নিয়েছে প্রতিটি রাস্তা ২০ ফুট প্রশস্ত দেখানো হয়েছে। কিন্তু ভবন নির্মাণের সময় বেশিরভাগই রাস্তা দখল করে নির্মাণ করেছে। রাজউকেত সাথে সমন্বয় করে এগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। নতুন ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও অন্তত ২০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ না করলে স্থায়ী সমাধান হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই সমাধান করে উন্নয়ন করতে হবে। এই এলাকায় বহু লোকের বসবাস। দিন দিন জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। অতএব পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নের বিকল্প নেই। রাস্তা অন্তত ২০ ফুট প্রশস্ত না হলে সিটি কর্পোরেশন থেকে কোন বরাদ্দ দেয়া হবে না।’

দখলদারদের হুশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমি গত সপ্তাহে ৩দিন এই এলাকা পরিদর্শন করেছি। আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম অবৈধ দখল সরিয়ে নিন, ৯ জুনের পরে উচ্ছেদ অভিযান করবো। এর আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং কাউন্সিলররা বার বার রাস্তার উপরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নেয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু তারা এগুলো সরিয়ে নেন না। আমি অবৈধ দখলদারদের আর কোন বৈধ নোটিশ দিব না। নিজ দায়িত্বে না সরালে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা বুলডোজার চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিবে।’

উচ্ছেদ অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরী, ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুর রহমান, ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডি.এম.শামিম এবং সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাস্তা প্রশস্ত করার লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলতে থাকবে: মেয়র আতিকুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

 

উত্তরা আজমপুর রেললাইন সংলগ্ন দক্ষিণ আজমপুর জামতলা এলাকায় রাস্তার উপরের অবৈধ ২৫টি দোকান উচ্ছেদ ও ৬টি বহুতল ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। সোমবার (১০ জুন) দুপুর আড়াইটায় এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। ডিএনসিসি মেয়রের উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করেন ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

সাংবাদিকদের মতবিনিময়কালে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘দক্ষিণখান ও উত্তরখান এলাকার সরু রাস্তা ও জলাবদ্ধতা প্রধান দুটি সমস্যা। এই এলাকার রাস্তা প্রশস্তকরণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ নির্মাণ প্রকল্প চলমান। সবার দাবি যেন দ্রুত এই দুটি সমস্যা সমাধান করা হয়। কিন্তু রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য মানুষ জায়গা ছাড়ছে না। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য ড্রেনেজ নির্মাণ করা যাচ্ছে না। অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ করে রেখেছে। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং রাস্তা প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চলতে থাকবে।’

মেয়র বলেন, ‘রাজউক থেকে যখন অনুমোদন নিয়েছে প্রতিটি রাস্তা ২০ ফুট প্রশস্ত দেখানো হয়েছে। কিন্তু ভবন নির্মাণের সময় বেশিরভাগই রাস্তা দখল করে নির্মাণ করেছে। রাজউকেত সাথে সমন্বয় করে এগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। নতুন ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও অন্তত ২০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ না করলে স্থায়ী সমাধান হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই সমাধান করে উন্নয়ন করতে হবে। এই এলাকায় বহু লোকের বসবাস। দিন দিন জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। অতএব পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নের বিকল্প নেই। রাস্তা অন্তত ২০ ফুট প্রশস্ত না হলে সিটি কর্পোরেশন থেকে কোন বরাদ্দ দেয়া হবে না।’

দখলদারদের হুশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমি গত সপ্তাহে ৩দিন এই এলাকা পরিদর্শন করেছি। আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম অবৈধ দখল সরিয়ে নিন, ৯ জুনের পরে উচ্ছেদ অভিযান করবো। এর আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং কাউন্সিলররা বার বার রাস্তার উপরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নেয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু তারা এগুলো সরিয়ে নেন না। আমি অবৈধ দখলদারদের আর কোন বৈধ নোটিশ দিব না। নিজ দায়িত্বে না সরালে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা বুলডোজার চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিবে।’

উচ্ছেদ অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরী, ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুর রহমান, ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডি.এম.শামিম এবং সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ।