ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১ ৪০২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক মাস্কপরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে কান খোলা থাকবে। ফি বারের মতো সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ থাকবে।

পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত পরিদর্শকেরাও স্মার্ট মোবাইল ফোন রাখা নিষিদ্ধ। জরুরি প্রয়োজনে এনালগ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে রাজধানীসহ দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুতে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন। গত বছর যার সংখ্যা ছিল প্রায় ৭২ হাজার। ১৯টি কেন্দ্রে ভেন্যুর সংখ্যা ছিল ২৭টি।

পরীক্ষার হলে সামাজিক দূরত্ব মেনে আসনবিন্যাস করায় করোনাকালীন ভেন্যুর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। চলছে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভেন্যু নির্ধারণসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম।

সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, এ বছর করোনার সংক্রমণ থাকায় পরীক্ষার হলে মাস্ক পরিধান করেই পরীক্ষা দিতে হবে। কেন্দ্রের প্রবেশপথে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত পরীক্ষক কোনো পরীক্ষার্থী ভুয়া সন্দেহ হলে মাস্ক খুলে যাচাই করা হবে। তাছাড়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভেন্যুর সংখ্যাও দ্বিগুণ করা হয়েছে।

ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারও ইলেকট্রিনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ থাকবে। পরীক্ষার্থীদেরকে কান খোলা রেখে পরীক্ষা দিতে হবে। কানে যেন গোপন কোনো ডিভাইস লাগিয়ে অসাধুতার আশ্রয় নিতে না পারে সেজন্য কান খোলা থাকতে হবে।

বর্তমানে সরকারিভাবে পরিচালিত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি। এগুলোতে মোট আসন সংখ্যা চার হাজার ৩৫০। এ বছর এক লাখ ২২ হাজার ৮৭৪টি আবেদনের হিসাবে আসনপ্রতি লড়বেন ২৮ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক মাস্কপরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে কান খোলা থাকবে। ফি বারের মতো সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ থাকবে।

পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত পরিদর্শকেরাও স্মার্ট মোবাইল ফোন রাখা নিষিদ্ধ। জরুরি প্রয়োজনে এনালগ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে রাজধানীসহ দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুতে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন। গত বছর যার সংখ্যা ছিল প্রায় ৭২ হাজার। ১৯টি কেন্দ্রে ভেন্যুর সংখ্যা ছিল ২৭টি।

পরীক্ষার হলে সামাজিক দূরত্ব মেনে আসনবিন্যাস করায় করোনাকালীন ভেন্যুর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। চলছে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভেন্যু নির্ধারণসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম।

সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, এ বছর করোনার সংক্রমণ থাকায় পরীক্ষার হলে মাস্ক পরিধান করেই পরীক্ষা দিতে হবে। কেন্দ্রের প্রবেশপথে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত পরীক্ষক কোনো পরীক্ষার্থী ভুয়া সন্দেহ হলে মাস্ক খুলে যাচাই করা হবে। তাছাড়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভেন্যুর সংখ্যাও দ্বিগুণ করা হয়েছে।

ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারও ইলেকট্রিনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ থাকবে। পরীক্ষার্থীদেরকে কান খোলা রেখে পরীক্ষা দিতে হবে। কানে যেন গোপন কোনো ডিভাইস লাগিয়ে অসাধুতার আশ্রয় নিতে না পারে সেজন্য কান খোলা থাকতে হবে।

বর্তমানে সরকারিভাবে পরিচালিত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি। এগুলোতে মোট আসন সংখ্যা চার হাজার ৩৫০। এ বছর এক লাখ ২২ হাজার ৮৭৪টি আবেদনের হিসাবে আসনপ্রতি লড়বেন ২৮ জন।