ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

মহাকাশচারী হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন মুসলিম নারী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১ ৪১৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নুরে আল মাত্রুশি : ছবি সংগৃহীত

নারীর অবদান যুগে যুগে স্বীকৃত। পৃথিবীকে আলোকিত করার ক্ষেত্রে নারীর অবদান সকল কিছুর উর্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের বুকে পা রাখতে চলেছেন প্রথম

মুসলিম নারী ২৮ বছরের বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নুরে আল মাত্রুশি। অন্যজন ৩২ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলমুল্লাহ।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির দুই মহাকাশচারী এবার চাঁদের পিঠে হাঁটবেন বলে জানা গিয়েছে।

তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে, চাঁদে অবতরণের পর পরই অনন্য এক রেকর্ডে নাম লেখাবেন নুরে আল মাত্রুশি। আরববিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে চাঁদের বুকে হাঁটার সৌভাগ্য তার।

তবে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশযানে চড়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জ্বল জ্বল করবে নোরার নাম। কারণ এটি হতে যাচ্ছে কোনো আরব মুসলিম নারীর প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ।
আরব আমিরাতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সংবাদবার্তায় জানিয়েছে, প্রায় সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

করা হয়েছে। শিগগিরই দুই মহাকাশচারী নোরা ও আলমুল্লাহকে দুই বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে পাঠানো হবে।

নিজের মহাকাশ যাত্রার বিষয়টি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত নুরে আল মাত্রুশি। তিনি জানান, ছোটবেলায় কাগজ আর কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে মহাকাশযান বানাতাম। আর স্বপ্ন দেখতাম সেই মহাকাশযানে চেপে

মহাকাশে যাওয়ার। চাঁদে যাচ্ছি-এমন অনেক খেলা খেলতাম। আমার মাকেও বলতাম। এখন সত্যি সত্যিই যাচ্ছি। আগামী সেপ্টেম্বরে যাবো

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেখানেই শুরু হবে টানা ২ বছরের প্রশিক্ষণ। চাঁদ অথবা আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে শেষ পর্যন্ত যেতে পারলে আমার অন্তরে যে শিশুটি লুকিয়ে আছে, বোধহয় সেই সবচেয়ে বেশি খুশি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহাকাশচারী হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন মুসলিম নারী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

নুরে আল মাত্রুশি : ছবি সংগৃহীত

নারীর অবদান যুগে যুগে স্বীকৃত। পৃথিবীকে আলোকিত করার ক্ষেত্রে নারীর অবদান সকল কিছুর উর্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের বুকে পা রাখতে চলেছেন প্রথম

মুসলিম নারী ২৮ বছরের বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নুরে আল মাত্রুশি। অন্যজন ৩২ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলমুল্লাহ।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির দুই মহাকাশচারী এবার চাঁদের পিঠে হাঁটবেন বলে জানা গিয়েছে।

তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে, চাঁদে অবতরণের পর পরই অনন্য এক রেকর্ডে নাম লেখাবেন নুরে আল মাত্রুশি। আরববিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে চাঁদের বুকে হাঁটার সৌভাগ্য তার।

তবে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশযানে চড়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জ্বল জ্বল করবে নোরার নাম। কারণ এটি হতে যাচ্ছে কোনো আরব মুসলিম নারীর প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ।
আরব আমিরাতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সংবাদবার্তায় জানিয়েছে, প্রায় সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

করা হয়েছে। শিগগিরই দুই মহাকাশচারী নোরা ও আলমুল্লাহকে দুই বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে পাঠানো হবে।

নিজের মহাকাশ যাত্রার বিষয়টি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত নুরে আল মাত্রুশি। তিনি জানান, ছোটবেলায় কাগজ আর কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে মহাকাশযান বানাতাম। আর স্বপ্ন দেখতাম সেই মহাকাশযানে চেপে

মহাকাশে যাওয়ার। চাঁদে যাচ্ছি-এমন অনেক খেলা খেলতাম। আমার মাকেও বলতাম। এখন সত্যি সত্যিই যাচ্ছি। আগামী সেপ্টেম্বরে যাবো

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেখানেই শুরু হবে টানা ২ বছরের প্রশিক্ষণ। চাঁদ অথবা আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে শেষ পর্যন্ত যেতে পারলে আমার অন্তরে যে শিশুটি লুকিয়ে আছে, বোধহয় সেই সবচেয়ে বেশি খুশি হবে।