ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

মহাকাশচারী হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন মুসলিম নারী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১ ৩৯১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নুরে আল মাত্রুশি : ছবি সংগৃহীত

নারীর অবদান যুগে যুগে স্বীকৃত। পৃথিবীকে আলোকিত করার ক্ষেত্রে নারীর অবদান সকল কিছুর উর্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের বুকে পা রাখতে চলেছেন প্রথম

মুসলিম নারী ২৮ বছরের বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নুরে আল মাত্রুশি। অন্যজন ৩২ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলমুল্লাহ।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির দুই মহাকাশচারী এবার চাঁদের পিঠে হাঁটবেন বলে জানা গিয়েছে।

তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে, চাঁদে অবতরণের পর পরই অনন্য এক রেকর্ডে নাম লেখাবেন নুরে আল মাত্রুশি। আরববিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে চাঁদের বুকে হাঁটার সৌভাগ্য তার।

তবে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশযানে চড়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জ্বল জ্বল করবে নোরার নাম। কারণ এটি হতে যাচ্ছে কোনো আরব মুসলিম নারীর প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ।
আরব আমিরাতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সংবাদবার্তায় জানিয়েছে, প্রায় সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

করা হয়েছে। শিগগিরই দুই মহাকাশচারী নোরা ও আলমুল্লাহকে দুই বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে পাঠানো হবে।

নিজের মহাকাশ যাত্রার বিষয়টি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত নুরে আল মাত্রুশি। তিনি জানান, ছোটবেলায় কাগজ আর কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে মহাকাশযান বানাতাম। আর স্বপ্ন দেখতাম সেই মহাকাশযানে চেপে

মহাকাশে যাওয়ার। চাঁদে যাচ্ছি-এমন অনেক খেলা খেলতাম। আমার মাকেও বলতাম। এখন সত্যি সত্যিই যাচ্ছি। আগামী সেপ্টেম্বরে যাবো

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেখানেই শুরু হবে টানা ২ বছরের প্রশিক্ষণ। চাঁদ অথবা আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে শেষ পর্যন্ত যেতে পারলে আমার অন্তরে যে শিশুটি লুকিয়ে আছে, বোধহয় সেই সবচেয়ে বেশি খুশি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহাকাশচারী হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন মুসলিম নারী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

নুরে আল মাত্রুশি : ছবি সংগৃহীত

নারীর অবদান যুগে যুগে স্বীকৃত। পৃথিবীকে আলোকিত করার ক্ষেত্রে নারীর অবদান সকল কিছুর উর্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের বুকে পা রাখতে চলেছেন প্রথম

মুসলিম নারী ২৮ বছরের বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নুরে আল মাত্রুশি। অন্যজন ৩২ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলমুল্লাহ।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির দুই মহাকাশচারী এবার চাঁদের পিঠে হাঁটবেন বলে জানা গিয়েছে।

তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে, চাঁদে অবতরণের পর পরই অনন্য এক রেকর্ডে নাম লেখাবেন নুরে আল মাত্রুশি। আরববিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে চাঁদের বুকে হাঁটার সৌভাগ্য তার।

তবে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশযানে চড়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জ্বল জ্বল করবে নোরার নাম। কারণ এটি হতে যাচ্ছে কোনো আরব মুসলিম নারীর প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ।
আরব আমিরাতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সংবাদবার্তায় জানিয়েছে, প্রায় সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

করা হয়েছে। শিগগিরই দুই মহাকাশচারী নোরা ও আলমুল্লাহকে দুই বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে পাঠানো হবে।

নিজের মহাকাশ যাত্রার বিষয়টি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত নুরে আল মাত্রুশি। তিনি জানান, ছোটবেলায় কাগজ আর কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে মহাকাশযান বানাতাম। আর স্বপ্ন দেখতাম সেই মহাকাশযানে চেপে

মহাকাশে যাওয়ার। চাঁদে যাচ্ছি-এমন অনেক খেলা খেলতাম। আমার মাকেও বলতাম। এখন সত্যি সত্যিই যাচ্ছি। আগামী সেপ্টেম্বরে যাবো

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেখানেই শুরু হবে টানা ২ বছরের প্রশিক্ষণ। চাঁদ অথবা আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে শেষ পর্যন্ত যেতে পারলে আমার অন্তরে যে শিশুটি লুকিয়ে আছে, বোধহয় সেই সবচেয়ে বেশি খুশি হবে।