ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

ভ্যাকসিন রফতানির দুয়ার উন্মুক্ত হলো ভারতের

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৪২০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেবার পরিকল্প নিয়েছে। এখন পর্যন্ত এই জনগোষ্ঠীর ৬১ শতাংশকে মাত্র এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে’

অক্টোবর মাস থেকে করোনার ব্যাকসিন রফতানি করবে ভারত। মাস থেকেই ফের ভ্যাকসিন রফতানি এবং বিভিন্ন দেশকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ভারত।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মানদাভিয়া সোমবার এই ঘোষণা দেন। ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন এতথ্য জানায়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আগামী মাস থেকে উদ্বৃত্ত টিকার রফতানি এবং উপহার পাঠানো পুনরায় শুরু করবে ভারত। গত মার্চের শুরুর দিকে ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু

হয়। সেই সময় দৈনিক গড়ে ৪ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন এবং প্রতিদিন ৪ হাজারেরও বেশি মৃত্যু ঘটে।

দেশের পরিস্থিতি সামাল দিতে এপ্রিলের মাঝামাঝি বিদেশে টিকা রফতানিতে স্থগিতাদেশ দেয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকার উৎপাদনকারী ভারত। ভারতের করোনার বিপর্যয় অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সঙ্গে বেড়েছে বেড়েছে টিকাদানের গতিও।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম দিনে নজির গড়ে ২ কোটির ওপরে টিকার প্রয়োগ হয়েছে। যা বিশ্ব রেকর্ড।

দেশটির সরকার আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেবার পরিকল্প নিয়েছে। এখন পর্যন্ত এই জনগোষ্ঠীর ৬১ শতাংশকে মাত্র এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগের দিন সোমবার টিকার রফতানি পুনরায় শুরুর এই ঘোষণা এলো। ওয়াশিংটনে কোয়াডভূক্ত চার দেশ— যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার নেতাদের সম্মেলনে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

পুনরায় শুরু হতে যাওয়া টিকার রফতানি, যা ভ্যাকসিন মৈত্রী নামে পরিচিত। তাতে প্রতিবেশী প্রথম নীতি অগ্রাধিকার পাবে জানিয়ে মান্দাভিয়া বলেন, গত এপ্রিল থেকে দেশে ভ্যাকসিনের

উৎপাদন দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে এবং আগামী মাস থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডোজের চারগুণ বেশি হতে চলেছে। দেশে টিকাদানের পর শুধুমাত্র উদ্বৃত্ত টিকাই রফতানির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশীরাই প্রথম। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে প্রায় ৬৭ কোটি ডোজ টিকা

উপহার ও রফতানি করেছে ভারত। উপহার ও রফতানি হিসেবে ভারত পাঠিয়েছিল করোনা টিকা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড। যেটি প্রস্তুত করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জনসংখ্যার প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষকে কমপক্ষে ভ্যাকসিনের আওতায় পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এরইমধ্যে ৬১ শতাংশ মানুষকে কমপক্ষে ভ্যাকসিনেরর একটি ডোজ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভ্যাকসিন রফতানির দুয়ার উন্মুক্ত হলো ভারতের

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেবার পরিকল্প নিয়েছে। এখন পর্যন্ত এই জনগোষ্ঠীর ৬১ শতাংশকে মাত্র এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে’

অক্টোবর মাস থেকে করোনার ব্যাকসিন রফতানি করবে ভারত। মাস থেকেই ফের ভ্যাকসিন রফতানি এবং বিভিন্ন দেশকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ভারত।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মানদাভিয়া সোমবার এই ঘোষণা দেন। ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন এতথ্য জানায়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আগামী মাস থেকে উদ্বৃত্ত টিকার রফতানি এবং উপহার পাঠানো পুনরায় শুরু করবে ভারত। গত মার্চের শুরুর দিকে ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু

হয়। সেই সময় দৈনিক গড়ে ৪ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন এবং প্রতিদিন ৪ হাজারেরও বেশি মৃত্যু ঘটে।

দেশের পরিস্থিতি সামাল দিতে এপ্রিলের মাঝামাঝি বিদেশে টিকা রফতানিতে স্থগিতাদেশ দেয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকার উৎপাদনকারী ভারত। ভারতের করোনার বিপর্যয় অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সঙ্গে বেড়েছে বেড়েছে টিকাদানের গতিও।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম দিনে নজির গড়ে ২ কোটির ওপরে টিকার প্রয়োগ হয়েছে। যা বিশ্ব রেকর্ড।

দেশটির সরকার আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেবার পরিকল্প নিয়েছে। এখন পর্যন্ত এই জনগোষ্ঠীর ৬১ শতাংশকে মাত্র এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগের দিন সোমবার টিকার রফতানি পুনরায় শুরুর এই ঘোষণা এলো। ওয়াশিংটনে কোয়াডভূক্ত চার দেশ— যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার নেতাদের সম্মেলনে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

পুনরায় শুরু হতে যাওয়া টিকার রফতানি, যা ভ্যাকসিন মৈত্রী নামে পরিচিত। তাতে প্রতিবেশী প্রথম নীতি অগ্রাধিকার পাবে জানিয়ে মান্দাভিয়া বলেন, গত এপ্রিল থেকে দেশে ভ্যাকসিনের

উৎপাদন দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে এবং আগামী মাস থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডোজের চারগুণ বেশি হতে চলেছে। দেশে টিকাদানের পর শুধুমাত্র উদ্বৃত্ত টিকাই রফতানির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশীরাই প্রথম। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে প্রায় ৬৭ কোটি ডোজ টিকা

উপহার ও রফতানি করেছে ভারত। উপহার ও রফতানি হিসেবে ভারত পাঠিয়েছিল করোনা টিকা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড। যেটি প্রস্তুত করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জনসংখ্যার প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষকে কমপক্ষে ভ্যাকসিনের আওতায় পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এরইমধ্যে ৬১ শতাংশ মানুষকে কমপক্ষে ভ্যাকসিনেরর একটি ডোজ দেওয়া হয়েছে।