ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভারতীয় হাই কমিশনার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশে বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্ট হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রস্থল। ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৭০ শতাংশেরও বেশি এই স্থলবন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এই সীমান্তটি চব্বিশ ঘন্টা চালু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ স্থল পরিদর্শন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

পরিদর্শনকালে তিনি উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য সহজীকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিং উদ্বোধন করা হয়েছিল। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান আন্তঃসীমান্ত চলাচলের চাহিদা পূরণের জন্য দ্বিতীয় একটি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিংও নির্মাণাধীন রয়েছে।

এছাড়াও, ভারত সরকারের অনুদান সহায়তায় দ্বিতীয় একটি কার্গো টার্মিনাল গেট নির্মিত হতে যাচ্ছে, যা প্রতিদিনের আন্তঃসীমান্ত যানবাহনের যাতায়াতকে দ্বিগুণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাই কমিশনার ভার্মা পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির তাৎপর্য এবং পণ্য ও যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে এর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। হাই কমিশনার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার ও মানুষে-মানুষে বিনিময়ের প্রসারের জন্য বাংলাদেশের সাথে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আমাদের স্থলবন্দরসমূহের সংযোগ ও বাণিজ্য অবকাঠামো শক্তিশালী করার এবং সীমান্ত হয়ে পণ্য ও মানুষের চলাচল ক্রমান্বয়ে সহজতর করার জন্য উভয় পক্ষের অব্যাহত প্রচেষ্টার উপর জোর দেন।

বাংলাদেশ বিশ্বে ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বড়ো বাণিজ্য অংশীদার। বিগত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি গত তিন বছরে ধারাবাহিকভাবে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০২১-২২ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। বৈচিত্র্যময় বাজার নিয়ে ভারত এশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বাংলাদেশের সাথে আমাদের সংযোগ ও বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আমাদের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং এই দুই দেশ ও জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি পরস্পরের সাথে জড়িত থাকার যৌথ প্রত্যয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভারতীয় হাই কমিশনার

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশে বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্ট হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রস্থল। ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৭০ শতাংশেরও বেশি এই স্থলবন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এই সীমান্তটি চব্বিশ ঘন্টা চালু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ স্থল পরিদর্শন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

পরিদর্শনকালে তিনি উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য সহজীকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিং উদ্বোধন করা হয়েছিল। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান আন্তঃসীমান্ত চলাচলের চাহিদা পূরণের জন্য দ্বিতীয় একটি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিংও নির্মাণাধীন রয়েছে।

এছাড়াও, ভারত সরকারের অনুদান সহায়তায় দ্বিতীয় একটি কার্গো টার্মিনাল গেট নির্মিত হতে যাচ্ছে, যা প্রতিদিনের আন্তঃসীমান্ত যানবাহনের যাতায়াতকে দ্বিগুণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাই কমিশনার ভার্মা পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির তাৎপর্য এবং পণ্য ও যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে এর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। হাই কমিশনার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার ও মানুষে-মানুষে বিনিময়ের প্রসারের জন্য বাংলাদেশের সাথে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আমাদের স্থলবন্দরসমূহের সংযোগ ও বাণিজ্য অবকাঠামো শক্তিশালী করার এবং সীমান্ত হয়ে পণ্য ও মানুষের চলাচল ক্রমান্বয়ে সহজতর করার জন্য উভয় পক্ষের অব্যাহত প্রচেষ্টার উপর জোর দেন।

বাংলাদেশ বিশ্বে ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বড়ো বাণিজ্য অংশীদার। বিগত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি গত তিন বছরে ধারাবাহিকভাবে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০২১-২২ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। বৈচিত্র্যময় বাজার নিয়ে ভারত এশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বাংলাদেশের সাথে আমাদের সংযোগ ও বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আমাদের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং এই দুই দেশ ও জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি পরস্পরের সাথে জড়িত থাকার যৌথ প্রত্যয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।