ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

প্রথম আলো ‘দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু’: জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

সংসদে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছবি:ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি শিশুর মুখ দিয়ে মিথ্যা বলানো, ‘ভাত-মাংসের স্বাধীনতা চাই’। একটি সাত বছরের শিশুকে দিয়ে বানানো, তার হাতে দশটা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা স্বনামধন্য এক পত্রিকার নাম প্রথম আলো

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকাটি দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন। জাতীয় সংসদের সুর্বন্তজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আনীত কার্যপ্রণালী বিধির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি শিশুর মুখ দিয়ে মিথ্যা বলানো, ‘ভাত-মাংসের স্বাধীনতা চাই’। একটি সাত বছরের শিশুকে দিয়ে বানানো, তার হাতে দশটা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা স্বনামধন্য এক পত্রিকার নাম প্রথম আলো।

প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু, প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু। আমি এটা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি যে, এরা এদেশে কখনো স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না। ২০০৭ সালে যখন এমার্জেন্সি হয় তখন তারা উৎফুল্ল। দুটি পত্রিকা আদা জল খেয়ে নেমে গেলো। তার সাথে আছে একজন সুদখোর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে বিনিয়োগ করে আমেরিকায়। আমেরিকা একবারও জিজ্ঞেস করে না যে গ্রামীণ ব্যাংক এটাতো একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারের বেতন তুলত যে এমডি, সে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কোথা থেকে পেল যে আমেরিকার মত জায়গায় সামাজিক ব্যবসা করে, বিনিয়োগ করে। দেশে-বিদেশে করা এই বিনিয়োগের এই অর্থ কোথা থেকে আসে?

এটা কি তাকে কখনো জিজ্ঞেস করেছে? জিজ্ঞেস করেনি। তাদের কাছ থেকে দুর্নীতির কথা শুনতে হয়। এদের কাছে মানবতার কথা শুনতে হয়। যারা গরিবের রক্ত চুষা, যারা গরিবের টাকা পাচার করে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে আবার আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়ে যায় আর এইসব লোক এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে, মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার এসে কিছুই নাকি করেনি। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এবং বিএনপির আমলের কী কী উন্নয়ন হয়েছে তার তুলনামূলক চিত্র বর্ণনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রথম আলো ‘দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু’: জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩

একটি শিশুর মুখ দিয়ে মিথ্যা বলানো, ‘ভাত-মাংসের স্বাধীনতা চাই’। একটি সাত বছরের শিশুকে দিয়ে বানানো, তার হাতে দশটা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা স্বনামধন্য এক পত্রিকার নাম প্রথম আলো

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকাটি দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন। জাতীয় সংসদের সুর্বন্তজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আনীত কার্যপ্রণালী বিধির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি শিশুর মুখ দিয়ে মিথ্যা বলানো, ‘ভাত-মাংসের স্বাধীনতা চাই’। একটি সাত বছরের শিশুকে দিয়ে বানানো, তার হাতে দশটা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা স্বনামধন্য এক পত্রিকার নাম প্রথম আলো।

প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু, প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু। আমি এটা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি যে, এরা এদেশে কখনো স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না। ২০০৭ সালে যখন এমার্জেন্সি হয় তখন তারা উৎফুল্ল। দুটি পত্রিকা আদা জল খেয়ে নেমে গেলো। তার সাথে আছে একজন সুদখোর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে বিনিয়োগ করে আমেরিকায়। আমেরিকা একবারও জিজ্ঞেস করে না যে গ্রামীণ ব্যাংক এটাতো একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারের বেতন তুলত যে এমডি, সে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কোথা থেকে পেল যে আমেরিকার মত জায়গায় সামাজিক ব্যবসা করে, বিনিয়োগ করে। দেশে-বিদেশে করা এই বিনিয়োগের এই অর্থ কোথা থেকে আসে?

এটা কি তাকে কখনো জিজ্ঞেস করেছে? জিজ্ঞেস করেনি। তাদের কাছ থেকে দুর্নীতির কথা শুনতে হয়। এদের কাছে মানবতার কথা শুনতে হয়। যারা গরিবের রক্ত চুষা, যারা গরিবের টাকা পাচার করে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে আবার আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়ে যায় আর এইসব লোক এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে, মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার এসে কিছুই নাকি করেনি। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এবং বিএনপির আমলের কী কী উন্নয়ন হয়েছে তার তুলনামূলক চিত্র বর্ণনা করেন।