বৃহস্পতিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার পর থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলো—বিশেষ করে ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি তল্লাশিচৌকিতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য; সন্দেহ হলে যাত্রীদের মুঠোফোন ও ব্যাগ তল্লাশি করা হচ্ছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল ও তাদের সহযোগী সংগঠন লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জনগণের জানমাল রক্ষায় সাভার ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। টহল, চেকপোস্ট ও সাদাপোশাকের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।”
বুধবার সকাল থেকেই আমিনবাজার এলাকায় ঢাকামুখী লেনে কঠোর তল্লাশি চালানো হয়। বিকেলের দিকে এ তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়। পুলিশ বাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং প্রয়োজন মনে হলে মুঠোফোন ও ব্যাগ পরীক্ষা করছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, “জনগণের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কেউ যাতে অরাজকতা বা নাশকতার চেষ্টা করতে না পারে, সেজন্য চেকপোস্টে কঠোর তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আমরা যাত্রীদের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন চেক করে দেখছি, তাদের কাছে কোনো নাশকতার উপকরণ আছে কি না।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই কড়া তল্লাশি কার্যক্রমের ফলে ঢাকামুখী যানবাহনের চলাচলে কিছুটা ধীরগতি দেখা দিয়েছে, তবে সাধারণ মানুষ বলছেন—নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন।