ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

India-Bangladesh Transit :  ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে নিয়মিত পণ্যপরিহন শুরু হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৯২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

‘অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত’

ভারতের আরও একটি ট্রানজিট চালান পৌছাবে উত্তপূর্ব ভারতের অসমে। ভারতের পণ্যের চালানটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছেছে।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা 

বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহন সহজিকরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করে ভারত। এর আগে মোংলা বন্দর হয়ে পদ্মাসেতু দিয়ে অসমে গিয়েছে পণ্যচালান। অন্যদিকে সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর হয়ে ত্রিপুরা ও দক্ষিণ অসমে জ্বলানি পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

চুক্তি অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের ৮টি রুট রয়েছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা, সিলেটের তামাবিল হয়ে ডাউকি, সিলেটের শেওলা হয়ে অসমের সুতারকান্দি, কুমিল্লার বিবিরবাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর এবং এর বিপরীতে চারটি রুটে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য একটি এসওপি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অনুযায়ী ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আখাউড়া-আগরতলা রুটে প্রথম ট্রায়াল রান পরিচালিত হয়। কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে চারটি কন্টেইনার আগরতলায় পরিবাহিত হয়।

এই চুক্তির অধীনে পণ্যের ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্ট ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হবে।

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পণ্যপরিবহনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত মাশুল দিয়ে ভারত ট্রানজিট পণ্য পরিবহন করছে। পাশাপাশি পণ্যপরিহনে বাংলাদেশের ট্রাক ব্যবহার করা হবে। এতে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

India-Bangladesh Transit :  ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে নিয়মিত পণ্যপরিহন শুরু হবে

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

‘অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত’

ভারতের আরও একটি ট্রানজিট চালান পৌছাবে উত্তপূর্ব ভারতের অসমে। ভারতের পণ্যের চালানটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছেছে।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা 

বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহন সহজিকরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করে ভারত। এর আগে মোংলা বন্দর হয়ে পদ্মাসেতু দিয়ে অসমে গিয়েছে পণ্যচালান। অন্যদিকে সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর হয়ে ত্রিপুরা ও দক্ষিণ অসমে জ্বলানি পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

চুক্তি অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের ৮টি রুট রয়েছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা, সিলেটের তামাবিল হয়ে ডাউকি, সিলেটের শেওলা হয়ে অসমের সুতারকান্দি, কুমিল্লার বিবিরবাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর এবং এর বিপরীতে চারটি রুটে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য একটি এসওপি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অনুযায়ী ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আখাউড়া-আগরতলা রুটে প্রথম ট্রায়াল রান পরিচালিত হয়। কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে চারটি কন্টেইনার আগরতলায় পরিবাহিত হয়।

এই চুক্তির অধীনে পণ্যের ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্ট ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হবে।

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পণ্যপরিবহনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত মাশুল দিয়ে ভারত ট্রানজিট পণ্য পরিবহন করছে। পাশাপাশি পণ্যপরিহনে বাংলাদেশের ট্রাক ব্যবহার করা হবে। এতে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত।