ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

Dr. Amrik Singh: খড় পোড়ানো ১%-এর নিচে নামিয়ে আনার সাফল্যের নায়ক ড. আমরিক সিং

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাঠ পর্যায়ে ধান ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা কর্মসূচি নিয়ে প্রধান কৃষি কর্মকর্তা ড. আমরিক সিং (বাম থেকে চতুর্থ) ছবি সংগ্রহ

‘পাঠানকোটে প্রায় ১৫ লক্ষ কুইন্টাল খড় পোড়ানো থেকে বাঁচানোর অর্থ হল, পরিবেশে ২.২ লক্ষ টন ক্ষতিকারক গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করা’। নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশের আকারে কৃষকদের জন্য ৫ কোটি টাকা সাশ্রয়; এবং কৃষকদের জন্য ৮.৮০ কোটি রুপি আয় হয়েছে,

 

সংবাদ সংস্থা

পাঞ্জাবে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৯০ লক্ষ হেক্টরের জমির মধ্যে প্রায় ৩ লক্ষেরও বেশি ধানের খড় পোড়ানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের পাঠানকোট জেলায় (এলাকা অনুসারে, জনসংখ্যার ভিত্তিতে নয়) খড় পোড়ানো ছিল শূন্যের কোঠায়। আসন্ন ফসল কাটার মৌসুমে এটিকে পোড়ামুক্ত করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলাটি বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে তার ফসলের অবশিষ্টাংশের ৮০ শতাংশ এরও বেশি পরিচালনা করছে। এবং এই সমস্ত কর্মসূচির পিছনে প্রধান শক্তি হলেন জেলার প্রধান কৃষি কর্মকর্তা ড. আমরিক সিং।

কৃষি সম্প্রসারণ (কৃষি উপদেষ্টা পরিষেবা হিসাবেও পরিচিত) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে, খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং কৃষিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সংস্থাটি। অভিজ্ঞ কৃষক, স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের জন্য সরকার কর্তৃক নির্বাচিত এবং নিয়োগ করা, একজন কৃষক হিসাবে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যবহার করে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্প্রসারণ কর্মীর দায়িত্ব পালন করছেন।

বিগত ছয় বছর ধরে, ডক্টর সিং কৃষকদেরকে ফসলের খড় মাটিতে যুক্ত করতে বা গুজরদের কাছে (যারা প্রাথমিকভাবে দুগ্ধ গবাদি পশু পালনকারী) পশুখাদ্য হিসাবে বিক্রি করতে এবং একর প্রতি ১-২ হাজার টাকা উপার্জন করতে উদ্বুদ্ধ করছেন।

পাঞ্জাব পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের (পিপিসিবি) রেকর্ডে অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে পাঞ্জাবে ৫০,৮৪৫ (২০১৭), ৫১,৭৬৪ (২০১৮), ৫২,৯৯১ (২০১৯), ৭৬,৯২৯ (২০২০) এবং ৭১,৩০৪ (২০২১) খড়ের আগুনের খবর পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে ১৯.৭৮ লাখ হেক্টর (LH), ১৭.৮০ খঐ (২০১৮), ১৮.৯৫ খঐ (২০১৯), ১৭.৯৬ খঐ (২০২০), এবং ২০২১ সালে ১৫.৬৪ LH।

পাঠানকোটে ১২ (২০১৭), ১০ (২০১৮), ৪ (২০১৯), ১১ (২০২০) এবং ৬ (২০২১) সহ মাত্র ৪৩টি অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে মোট ধানের জমি পুড়ে গেছে ৪,০৬৩ হেক্টর (২০১৭), ৪,৯০০ হেক্টর (২০১৮) ), ৬,০০০ হেক্টর (২০১৯), ৬,৬০০ হেক্টর (২০২০) এবং ৪,৩৪০ হেক্টর (২০২১)।

রাজ্য ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত মোট ধান এলাকার যথাক্রমে ৫২%, ৬৪%, ৬৬%, ৬১% এবং ৭১.৫% পুড়িয়ে দিয়েছে। পাঠানকোটের পোড়া এলাকা মোট ধান এলাকার ১৬% থেকে ২৩% এর মধ্যে ছিল। যখন পাঞ্জাবের মোট পোড়ানোর ক্ষেত্রে এর অংশ ছিল মাত্র .০১৪% এবং মোট পোড়া এলাকায় ছিল .২৮%।

পাঞ্জাব রিমোট সেন্সিং সেন্টার (পিআরএসসি) লুধিয়ানা অনুসারে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত খরিফ কাটার পরে পাঠানকোট জেলায় মাত্র ৪৩টি স্পট সনাক্ত করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি দাগ খড় পোড়ানোর ক্ষেত্রে চিহ্নিত করা হয়নি। এটি নাসা ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করা হয়েছে। যেখানে স্যাটেলাইট চিত্রগুলি পাঠানকোট জেলায় ন্যূনতম খড় পোড়ানোর দাগ লক্ষ্য করেছেন ড. সিং।

ড. সিং জানান, পাঠানকোটে প্রায় ১৫ লক্ষ কুইন্টাল খড় পোড়ানো থেকে বাঁচানোর অর্থ হল ‘পরিবেশে ২.২ লক্ষ টন ক্ষতিকারক গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করা’। নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশের আকারে কৃষকদের জন্য ৫ কোটি টাকা সাশ্রয়; এবং কৃষকদের জন্য ৮.৮০ কোটি রুপি আয় হয়েছে,

এই বছর ড. সিং-এর মিশন হল পুরো খড়ের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জেলাকে ১০০% খড় পোড়ানো মুক্ত করা। ইতিমধ্যেই জেলার ৪২১টি গ্রামের জন্য চার মাসের (আগস্ট থেকে নভেম্বর) একটি দীর্ঘ কর্মসূচি তৈরি করেছেন। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মনিটরিং টিম তৈরি করা, গ্রামস্তরের শাসনের অভিভাবক, সরপঞ্চ এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং যুবকদের সম্পৃক্ত করে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের (মন্দির, গুরুদ্বার ইত্যাদি) মাধ্যমে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।

২৭ বছরের কর্মজীবনে ড. সিং কৃষিক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি রাজ্য সরকার, পাঞ্জাব কৃষি বিভাগ, পাঞ্জাব এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, লুধিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার এবং প্রশংসাপত্র পেয়েছেন। পাঞ্জাবের ‘সেরা সম্প্রসারণ কর্মী’ পুরষ্কারও তাকে ভূষিত করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dr. Amrik Singh: খড় পোড়ানো ১%-এর নিচে নামিয়ে আনার সাফল্যের নায়ক ড. আমরিক সিং

আপডেট সময় : ১০:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

মাঠ পর্যায়ে ধান ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা কর্মসূচি নিয়ে প্রধান কৃষি কর্মকর্তা ড. আমরিক সিং (বাম থেকে চতুর্থ) ছবি সংগ্রহ

‘পাঠানকোটে প্রায় ১৫ লক্ষ কুইন্টাল খড় পোড়ানো থেকে বাঁচানোর অর্থ হল, পরিবেশে ২.২ লক্ষ টন ক্ষতিকারক গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করা’। নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশের আকারে কৃষকদের জন্য ৫ কোটি টাকা সাশ্রয়; এবং কৃষকদের জন্য ৮.৮০ কোটি রুপি আয় হয়েছে,

 

সংবাদ সংস্থা

পাঞ্জাবে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৯০ লক্ষ হেক্টরের জমির মধ্যে প্রায় ৩ লক্ষেরও বেশি ধানের খড় পোড়ানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের পাঠানকোট জেলায় (এলাকা অনুসারে, জনসংখ্যার ভিত্তিতে নয়) খড় পোড়ানো ছিল শূন্যের কোঠায়। আসন্ন ফসল কাটার মৌসুমে এটিকে পোড়ামুক্ত করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলাটি বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে তার ফসলের অবশিষ্টাংশের ৮০ শতাংশ এরও বেশি পরিচালনা করছে। এবং এই সমস্ত কর্মসূচির পিছনে প্রধান শক্তি হলেন জেলার প্রধান কৃষি কর্মকর্তা ড. আমরিক সিং।

কৃষি সম্প্রসারণ (কৃষি উপদেষ্টা পরিষেবা হিসাবেও পরিচিত) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে, খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং কৃষিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সংস্থাটি। অভিজ্ঞ কৃষক, স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের জন্য সরকার কর্তৃক নির্বাচিত এবং নিয়োগ করা, একজন কৃষক হিসাবে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যবহার করে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্প্রসারণ কর্মীর দায়িত্ব পালন করছেন।

বিগত ছয় বছর ধরে, ডক্টর সিং কৃষকদেরকে ফসলের খড় মাটিতে যুক্ত করতে বা গুজরদের কাছে (যারা প্রাথমিকভাবে দুগ্ধ গবাদি পশু পালনকারী) পশুখাদ্য হিসাবে বিক্রি করতে এবং একর প্রতি ১-২ হাজার টাকা উপার্জন করতে উদ্বুদ্ধ করছেন।

পাঞ্জাব পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের (পিপিসিবি) রেকর্ডে অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে পাঞ্জাবে ৫০,৮৪৫ (২০১৭), ৫১,৭৬৪ (২০১৮), ৫২,৯৯১ (২০১৯), ৭৬,৯২৯ (২০২০) এবং ৭১,৩০৪ (২০২১) খড়ের আগুনের খবর পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে ১৯.৭৮ লাখ হেক্টর (LH), ১৭.৮০ খঐ (২০১৮), ১৮.৯৫ খঐ (২০১৯), ১৭.৯৬ খঐ (২০২০), এবং ২০২১ সালে ১৫.৬৪ LH।

পাঠানকোটে ১২ (২০১৭), ১০ (২০১৮), ৪ (২০১৯), ১১ (২০২০) এবং ৬ (২০২১) সহ মাত্র ৪৩টি অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে মোট ধানের জমি পুড়ে গেছে ৪,০৬৩ হেক্টর (২০১৭), ৪,৯০০ হেক্টর (২০১৮) ), ৬,০০০ হেক্টর (২০১৯), ৬,৬০০ হেক্টর (২০২০) এবং ৪,৩৪০ হেক্টর (২০২১)।

রাজ্য ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত মোট ধান এলাকার যথাক্রমে ৫২%, ৬৪%, ৬৬%, ৬১% এবং ৭১.৫% পুড়িয়ে দিয়েছে। পাঠানকোটের পোড়া এলাকা মোট ধান এলাকার ১৬% থেকে ২৩% এর মধ্যে ছিল। যখন পাঞ্জাবের মোট পোড়ানোর ক্ষেত্রে এর অংশ ছিল মাত্র .০১৪% এবং মোট পোড়া এলাকায় ছিল .২৮%।

পাঞ্জাব রিমোট সেন্সিং সেন্টার (পিআরএসসি) লুধিয়ানা অনুসারে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত খরিফ কাটার পরে পাঠানকোট জেলায় মাত্র ৪৩টি স্পট সনাক্ত করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি দাগ খড় পোড়ানোর ক্ষেত্রে চিহ্নিত করা হয়নি। এটি নাসা ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করা হয়েছে। যেখানে স্যাটেলাইট চিত্রগুলি পাঠানকোট জেলায় ন্যূনতম খড় পোড়ানোর দাগ লক্ষ্য করেছেন ড. সিং।

ড. সিং জানান, পাঠানকোটে প্রায় ১৫ লক্ষ কুইন্টাল খড় পোড়ানো থেকে বাঁচানোর অর্থ হল ‘পরিবেশে ২.২ লক্ষ টন ক্ষতিকারক গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করা’। নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশের আকারে কৃষকদের জন্য ৫ কোটি টাকা সাশ্রয়; এবং কৃষকদের জন্য ৮.৮০ কোটি রুপি আয় হয়েছে,

এই বছর ড. সিং-এর মিশন হল পুরো খড়ের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জেলাকে ১০০% খড় পোড়ানো মুক্ত করা। ইতিমধ্যেই জেলার ৪২১টি গ্রামের জন্য চার মাসের (আগস্ট থেকে নভেম্বর) একটি দীর্ঘ কর্মসূচি তৈরি করেছেন। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মনিটরিং টিম তৈরি করা, গ্রামস্তরের শাসনের অভিভাবক, সরপঞ্চ এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং যুবকদের সম্পৃক্ত করে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের (মন্দির, গুরুদ্বার ইত্যাদি) মাধ্যমে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।

২৭ বছরের কর্মজীবনে ড. সিং কৃষিক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি রাজ্য সরকার, পাঞ্জাব কৃষি বিভাগ, পাঞ্জাব এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, লুধিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার এবং প্রশংসাপত্র পেয়েছেন। পাঞ্জাবের ‘সেরা সম্প্রসারণ কর্মী’ পুরষ্কারও তাকে ভূষিত করা হয়েছিল।