ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

ভারতে তাওতের আঘাতে ২১ জনের মৃত্যু বহু নিখোঁজ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ ২৭৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনায় পর্যুদস্ত ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় তাওতের আঘাত হানে। ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় আঘাত হানে। তাওতের তান্ডবে গাছপালা উপড়ে গেছে। মোবাইল টাওয়ার ধসে পড়ে এবং খুঁটি উপড়ে বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাতে অন্তত ২১ জন মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ৯৬ জন।

বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজার হাজার লোক। রাস্তাঘাট জলে তলিয়ে গিয়ে ছোখাটো নদীতে পরিণত হয়েছে। ঝড় আঘাত হানার সময় ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গুলো বলছে, বিগত ৩০ বছরের মধ্যে এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের কোন ইতিহাস নেই।

ভারতীয় নৌ-বাহিনী বলছে, মুম্বাই উপকূলে তেল কূপ খননের কাজে নিয়োজিত একটি জাহাজ প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে গেছে। এতে ২৭৩ জন আরোহী ছিল। এদের মধ্যে ৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলছে, জাহাজ থেকে ১৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সমুদ্র পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়া সত্ত্বেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবারও নতুন করে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। গুজরাটে ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে রক্ষায় দুই লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কয়েকটি বন্দর ও বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গুজরাটের উপকূলীয় শহর দিউয়ের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিলো। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদয় রেগমি বলেন, ভারতের লাখ লাখ লোকের জন্য এই ঘূর্ণিঝড় ভয়ংকর দ্বিগুণ আঘাতের মতো যারা এমনিতেই করোনার রেকর্ড সংক্রমণে পর্যুদস্ত। সংস্থাটি ফাস্ট এইড ও মাস্ক সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে বলেও তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে তাওতের আঘাতে ২১ জনের মৃত্যু বহু নিখোঁজ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

করোনায় পর্যুদস্ত ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় তাওতের আঘাত হানে। ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় আঘাত হানে। তাওতের তান্ডবে গাছপালা উপড়ে গেছে। মোবাইল টাওয়ার ধসে পড়ে এবং খুঁটি উপড়ে বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাতে অন্তত ২১ জন মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ৯৬ জন।

বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজার হাজার লোক। রাস্তাঘাট জলে তলিয়ে গিয়ে ছোখাটো নদীতে পরিণত হয়েছে। ঝড় আঘাত হানার সময় ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গুলো বলছে, বিগত ৩০ বছরের মধ্যে এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের কোন ইতিহাস নেই।

ভারতীয় নৌ-বাহিনী বলছে, মুম্বাই উপকূলে তেল কূপ খননের কাজে নিয়োজিত একটি জাহাজ প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে গেছে। এতে ২৭৩ জন আরোহী ছিল। এদের মধ্যে ৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলছে, জাহাজ থেকে ১৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সমুদ্র পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়া সত্ত্বেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবারও নতুন করে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। গুজরাটে ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে রক্ষায় দুই লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কয়েকটি বন্দর ও বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গুজরাটের উপকূলীয় শহর দিউয়ের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিলো। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদয় রেগমি বলেন, ভারতের লাখ লাখ লোকের জন্য এই ঘূর্ণিঝড় ভয়ংকর দ্বিগুণ আঘাতের মতো যারা এমনিতেই করোনার রেকর্ড সংক্রমণে পর্যুদস্ত। সংস্থাটি ফাস্ট এইড ও মাস্ক সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে বলেও তিনি জানান।